শুকনো মাছের ব্যবসাকে কেন্দ্র করে ঝামেলা

Bangla Editor | News18 Bangla | 09:48:55 AM IST Jul 06, 2021

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: শুকনো মাছের ব্যবসাকে কেন্দ্র করে তৈরি হল বিতর্ক। নামখানার ফ্রেজারগঞ্জের পশ্চিম অমরাবতী গ্রামের বালিয়াড়া এলাকায় । স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অমরাবতীর নদীর চরে বর্ষা কালীন সময়ে মাছ শুকনো করাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়। ওই এলাকায় পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে মাছ শুকনো করার জন্য কয়েকজন মৎস্য ব্যবসায়ীকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। গ্রামের একটা অংশের বাসিন্দার অভিযোগ, এই এলাকায় শীতকালীন সময়ে শুকনো মাছের ব্যবসা করা হয়। কিন্তু বর্ষার সময় শুকনো মাছের ব্যবসা হলে, পরিবেশগত দিক থেকে সমস্যা হয়। বিশেষত মাছ শুকনো করার জন্য যে ঔষধ ব্যবহার করা হয়, সেই ঔষধ খুবই ক্ষতিকারক বলে দাবি গ্রামবাসীদের। অতীতে ওই এলাকায় বর্ষা কালীন সময়ে শুকনো মাছের ব্যবসা করার জন্য বহু মানুষের ক্ষতি হয়েছে। এমনকি ক্ষতিকারক কীটনাশকের সংস্পর্শে এসে মৃত্যু হয়েছে গবাদি পশুর। এমনটাই গুরুতর অভিযোগ আনছে গ্রামবাসীরা। /গভীর রাতে গাড়ি না থাকায় ডায়মন্ড হারবার ষ্টেশন মোড়ে  অসহায়ভাবে দীর্ঘক্ষণ পড়ে থাকে এক রোগী। পরে স্থানীয় যুবকদের তৎপরতায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। জানাযায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট থানা এলাকার মামুদপুরের বাসীন্দা শাহ আলম সেখ তার অসুস্থ স্ত্রী ফরিদা বিবিকে নিয়ে রাতে  মগরাহাট গ্রামীণ হাসপাতালে যায়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাতেই ডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন চিকিৎসকেরা।  অন্যদিকে গভীররাত হয়ে পড়ায় এম্বুল্যান্স না পেয়ে মগরাহাট থেকে রাত ১১ টার ট্রেনে স্ত্রী ফরিদা বিবি কে নিয়ে ডায়মন্ড হারবার ষ্টেশন মোড়ে পৌছায় শাহ আলম। ট্রেনে চেপে অসুস্থ রোগীকে ডায়মন্ড হারবার ষ্টেশন মোড়ে আনলেও গভীর রাত হওয়ার কারনে গাড়ি না পাওয়ায় দীর্ঘক্ষণ পাকা রাস্তার উপর পড়ে থাকে অসুস্থ ফরিদা বিবি।  পরে স্থানীয় যুবকদের তৎপরতায় অসুস্থ ফরিদা বিবিকে ডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

লেটেস্ট ভিডিও