advertisement

এক সময় ছিল মধুর সম্পর্ক, কিন্তু আজ ক্রিকেট দুনিয়ার এই মানুষটি চোখের সামনে থাকলে একেবারেই সহ্য করতে পারেন না গৌতম গম্ভীর !

Last Updated:
Gautam Gambhir Team India: গম্ভীরকে দল থেকে বাদ দেওয়ার পর কীভাবে গম্ভীরের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নষ্ট হয়ে গিয়েছিল, সেটা নিজেই জানিয়েছেন তিনি। ইউটিউব চ্যানেল ‘দ্য ভিকি লালওয়ানি শো’-তে সন্দীপ পাটিল বলেন যে, ‘‘একই টিভি শোতে গিয়ে অনেক বার দেখা হয়েছে। সেখানে গৌতম গম্ভীরও রয়েছেন, আর আমিও রয়েছি। কিন্তু গৌতম গম্ভীর কখনও আমার দিকে তাকাননি পর্যন্ত।’’
1/7
সম্প্রতি কোচ গৌতম গম্ভীরের প্রশিক্ষণে ভারত দ্বিতীয় বারের মতো আইসিসি ট্রফি জিতেছে। ২০২৫ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর গত ৮ মার্চ ভারত টি-টোয়েন্টি ওয়ার্ল্ড কাপ জয় করেছে। ক্রিকেটার হিসেবেও ভারতের দুটি আইসিসি ট্রফিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন গম্ভীর। প্রসঙ্গত, ২০০৭ এবং ২০১১ সালের ফাইনালে ম্যাচ জয়ের ইনিংস খেলেছিলেন এই প্রাক্তন ওপেনার। তবে ২০১১ বিশ্বকাপ হওয়ার মাত্র দুই বছর পরেই তাঁকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় নির্বাচকদের সিদ্ধান্তে গম্ভীর যারপরনাই অসন্তুষ্টই হয়েছিলেন। (Photo: PTI)
সম্প্রতি কোচ গৌতম গম্ভীরের প্রশিক্ষণে ভারত দ্বিতীয় বারের মতো আইসিসি ট্রফি জিতেছে। ২০২৫ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর গত ৮ মার্চ ভারত টি-টোয়েন্টি ওয়ার্ল্ড কাপ জয় করেছে। ক্রিকেটার হিসেবেও ভারতের দুটি আইসিসি ট্রফিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন গম্ভীর। প্রসঙ্গত, ২০০৭ এবং ২০১১ সালের ফাইনালে ম্যাচ জয়ের ইনিংস খেলেছিলেন এই প্রাক্তন ওপেনার। তবে ২০১১ বিশ্বকাপ হওয়ার মাত্র দুই বছর পরেই তাঁকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় নির্বাচকদের সিদ্ধান্তে গম্ভীর যারপরনাই অসন্তুষ্টই হয়েছিলেন। (Photo: PTI)
advertisement
2/7
তৎকালীন প্রধান নির্বাচক সন্দীপ পাটিল এই বিষয়ে খোলাখুলি কথা বলেছেন। গম্ভীরকে দল থেকে বাদ দেওয়ার পর কীভাবে গম্ভীরের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নষ্ট হয়ে গিয়েছিল, সেটা নিজেই জানিয়েছেন তিনি। সন্দীপ পাটিল জানালেন যে, ২০১৩ সালে দল থেকে বাদ পড়ার পর থেকেই গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক খারাপ হয়ে গিয়েছে। তিনি আরও জানান যে, ২০১৩ সালে গম্ভীরকে ভারতের টেস্ট এবং ওয়ান ডে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়। অন্যদিকে সেই সময় গম্ভীরের জায়গায় শিখর ধওয়ানকে দলে নেওয়া হয়। যার জেরে পাটিল এবং গম্ভীরের সম্পর্কে চিড় ধরে।
তৎকালীন প্রধান নির্বাচক সন্দীপ পাটিল এই বিষয়ে খোলাখুলি কথা বলেছেন। গম্ভীরকে দল থেকে বাদ দেওয়ার পর কীভাবে গম্ভীরের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নষ্ট হয়ে গিয়েছিল, সেটা নিজেই জানিয়েছেন তিনি। সন্দীপ পাটিল জানালেন যে, ২০১৩ সালে দল থেকে বাদ পড়ার পর থেকেই গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক খারাপ হয়ে গিয়েছে। তিনি আরও জানান যে, ২০১৩ সালে গম্ভীরকে ভারতের টেস্ট এবং ওয়ান ডে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়। অন্যদিকে সেই সময় গম্ভীরের জায়গায় শিখর ধওয়ানকে দলে নেওয়া হয়। যার জেরে পাটিল এবং গম্ভীরের সম্পর্কে চিড় ধরে।
advertisement
3/7
ইউটিউব চ্যানেল ‘দ্য ভিকি লালওয়ানি শো’-তে সন্দীপ পাটিল বলেন যে, “একই টিভি শোতে গিয়ে অনেক বার দেখা হয়েছে। সেখানে গৌতম গম্ভীরও রয়েছেন, আর আমিও রয়েছি। কিন্তু গৌতম গম্ভীর কখনও আমার দিকে তাকাননি পর্যন্ত। একবারের জন্যও না। অনেকবার আমি ‘হ্যালো’ বলেছি, কিন্তু আমি ওঁর দিক থেকে কোনওরকম সাড়াটুকুও পাইনি।”
ইউটিউব চ্যানেল ‘দ্য ভিকি লালওয়ানি শো’-তে সন্দীপ পাটিল বলেন যে, “একই টিভি শোতে গিয়ে অনেক বার দেখা হয়েছে। সেখানে গৌতম গম্ভীরও রয়েছেন, আর আমিও রয়েছি। কিন্তু গৌতম গম্ভীর কখনও আমার দিকে তাকাননি পর্যন্ত। একবারের জন্যও না। অনেকবার আমি ‘হ্যালো’ বলেছি, কিন্তু আমি ওঁর দিক থেকে কোনওরকম সাড়াটুকুও পাইনি।”
advertisement
4/7
পাটিল আরও জানান যে, অতীতে তাঁদের সম্পর্ক ভালই ছিল। কয়েক বছর আগে যখন পাটিলকে ভারতীয় দলের কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়, তখন গম্ভীর তাঁর খোঁজখবর নিতে তাঁকে ফোন করেছিলেন। তবে ২০১৩ সালে গম্ভীরকে দল থেকে বাদ দেওয়ার করার পরে তাঁদের সম্পর্কেও বড় ধরনের ফাটল দেখা দেয়। যদিও পাটিল এ-ও জানালেন যে, সম্পর্কে চিড় সত্ত্বেও তিনি এখনও গম্ভীরকে যথেষ্ট সম্মান করেন।
পাটিল আরও জানান যে, অতীতে তাঁদের সম্পর্ক ভালই ছিল। কয়েক বছর আগে যখন পাটিলকে ভারতীয় দলের কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়, তখন গম্ভীর তাঁর খোঁজখবর নিতে তাঁকে ফোন করেছিলেন। তবে ২০১৩ সালে গম্ভীরকে দল থেকে বাদ দেওয়ার করার পরে তাঁদের সম্পর্কেও বড় ধরনের ফাটল দেখা দেয়। যদিও পাটিল এ-ও জানালেন যে, সম্পর্কে চিড় সত্ত্বেও তিনি এখনও গম্ভীরকে যথেষ্ট সম্মান করেন।
advertisement
5/7
তাঁর কথায়, “গম্ভীর আসলে কোনও কিছু সহজে ভুলতে এবং ক্ষমা করতে পারেন না। সেটা ঠিকই আছে। কিন্তু আমি এখনও ওঁকে সম্মান করি এবং পছন্দও করি।” তবে গম্ভীরের সঙ্গে তাঁর সেই সময়কার সম্পর্কের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে সন্দীপ পাটিল বলেন, “গম্ভীর খুবই ভাল মানুষ। সফরের সময় আমরা একসঙ্গে টেনিস খেলতাম এবং আমাদের মধ্যে একটা দারুণ সম্পর্কও ছিল। যখন আমাকে কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, গৌতম প্রায় প্রতি দুই সপ্তাহে আমাকে ফোন করে আমার খোঁজখবর নিতেন। এটাই গৌতম গম্ভীরের সহজাত গুণ।”
তাঁর কথায়, “গম্ভীর আসলে কোনও কিছু সহজে ভুলতে এবং ক্ষমা করতে পারেন না। সেটা ঠিকই আছে। কিন্তু আমি এখনও ওঁকে সম্মান করি এবং পছন্দও করি।”তবে গম্ভীরের সঙ্গে তাঁর সেই সময়কার সম্পর্কের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে সন্দীপ পাটিল বলেন, “গম্ভীর খুবই ভাল মানুষ। সফরের সময় আমরা একসঙ্গে টেনিস খেলতাম এবং আমাদের মধ্যে একটা দারুণ সম্পর্কও ছিল। যখন আমাকে কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, গৌতম প্রায় প্রতি দুই সপ্তাহে আমাকে ফোন করে আমার খোঁজখবর নিতেন। এটাই গৌতম গম্ভীরের সহজাত গুণ।”
advertisement
6/7
এখানেই শেষ নয়, সন্দীপ পাটিল আরও বলেন যে, গৌতম নিজের কেরিয়ার নিয়ে খুবই সিরিয়াস ছিলেন। ফলে সর্বদা নিজের ব্যাটিং এবং খেলার ধরনের উপরেই তাঁর সমস্ত মনোযোগ থাকতো। আর কোনও ক্রিকেটার যখন ভাল খেলেন, তখন সহজে ময়দান ছেড়ে যেতে চান না। আসলে কোনও খেলোয়াড়ই তো আর দল থেকে বাদ পড়তে চান না।
এখানেই শেষ নয়, সন্দীপ পাটিল আরও বলেন যে, গৌতম নিজের কেরিয়ার নিয়ে খুবই সিরিয়াস ছিলেন। ফলে সর্বদা নিজের ব্যাটিং এবং খেলার ধরনের উপরেই তাঁর সমস্ত মনোযোগ থাকতো। আর কোনও ক্রিকেটার যখন ভাল খেলেন, তখন সহজে ময়দান ছেড়ে যেতে চান না। আসলে কোনও খেলোয়াড়ই তো আর দল থেকে বাদ পড়তে চান না।
advertisement
7/7
অন্যদিকে ভিভিএস লক্ষ্মণ, রাহুল দ্রাবিড় এবং বীরেন্দ্র সেহওয়াগের নাম করে পাটিল বলেন, “লক্ষ্মণ এবং দ্রাবিড় নীরবেই ময়দান ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন।তবে বীরেন্দ্র সেহওয়াগ একটি যথাযথ বিদায়ী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিদায় নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেটাও তিনি পাননি। তাই আমি এই ব্যাপারটা বেশ বুঝতে পারি।”
অন্যদিকে ভিভিএস লক্ষ্মণ, রাহুল দ্রাবিড় এবং বীরেন্দ্র সেহওয়াগের নাম করে পাটিল বলেন, “লক্ষ্মণ এবং দ্রাবিড় নীরবেই ময়দান ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন।তবে বীরেন্দ্র সেহওয়াগ একটি যথাযথ বিদায়ী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিদায় নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেটাও তিনি পাননি। তাই আমি এই ব্যাপারটা বেশ বুঝতে পারি।”
advertisement
advertisement
advertisement