শিলিগুড়ির এবারের সেরা পুজো ও মন্ডপসজ্জা দেখুন একনজরে

Bangla Digital Desk | News18 Bangla | 12:39:39 PM IST Oct 13, 2021

ভাস্কর চক্রবর্তী, শিলিগুড়ি: ৫৩ নয় ২৩ হল তাদের সংখ্যা! কী বোঝা গেল না তো? আদতেও সেই কথাই বলছে শিলিগুড়ির মহিলা দ্বারা পরিচালিত অন্যতম পুজো তরুণ সংঘ। তাদের আয়োজন এবার ২৩তম বর্ষে পদার্পণ করল। কিন্তু আদৌও এই পুজো ৫৩তম বর্ষের পুজো। ১৯৬৮ সালে শহরের সুভাষপল্লীর অশোক ভট্টাচার্যের বাড়ির মোড়ে এলাকার বয়জ্যোষ্ঠরা মিলে মাতৃবন্দনায় ব্রতী হন। সেসময় এই পুজোর আয়োজনের সর্বেসর্বা ছিল পুরুষেরাই। কিন্তু ১৯৯৮ সালে এই কৌলিন্য প্রথায় আঘাত হানে বাড়ির মহিলারা। 'মায়েরা নামেন মায়ের পুজোর আয়োজনে।' দীর্ঘ এই ২৩ বছরে মা এখানে পূজিত হন সাবেকি ও রাজকীয় রূপেই। অন্যদিকে, শিলিগুড়ির সুভাষপল্লীস্থিত ভিবজিওর ক্লাবের পুজো এবার ১১তম বর্ষে পদার্পণ করল। এবারে তাদের ভাবনা 'বর্ণালী'। পাশাপাশি, নতুনত্বের ভাবনা সবসময়ই শহরের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভক্তিনগর এলাকার অগ্রণী সংঘের প্রথম লক্ষ্য থাকে। এবারেও তাই, বাজেট বড় না হলেও থিম কিন্তু অনন্য এই পুজো উদ্যোক্তাদের। 'বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে' এই ভাবনায় সেজে উঠেছে এবারে শিলিগুড়ির অগ্রণী সংঘের মণ্ডপসজ্জা। ১৯৫৮ সালে গুটিকয়েক সদস্যদের নিয়ে পথ চলা শুরু করে অগ্রণী সংঘ। এবার ৬৪ তম বর্ষে পুজো উদ্যোক্তারা করোনার কথা কিন্তু ভুলে যায়নি। তাই খোলা মণ্ডপেই মাতৃ আরাধনায় ব্রতী অগ্রণীর সদস্যবৃন্দরা। অগ্রণী সংঘের পুজো কমিটির সম্পাদক গণেশ দাস নিউজ ১৮ লোকালকে (News 18 Local) বলেন, 'করোনা আমাদের ছেড়ে যাননি। ফলে বড় আয়োজনে আমরা গতবারের মতো এবারও যাচ্ছি না। তবে এবার একটু অভিনবত্ব রয়েছে। বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে এই আমাদের এবারের ভাবনা।' সেইসঙ্গে, শহরের দেশবন্ধু পাড়া এলাকায় অবস্থিত দাদাভাই স্পোটিং প্রতিবারই নিত্যনতুন থিম দর্শনার্থীদের উপহার দিয়ে থাকে। ১৯৮১ সালে গুটিকয়েক সদস্যদের নিয়ে পথ চলতে শুরু করে শহরের এই ক্লাব। ৪০ তম বর্ষে 'অ-সময়ের পুজো' -এর থিমে সেজে উঠেছে পুজো মণ্ডপ। শিলিগুড়ির সংঘশ্রী ক্লাবের সন্ধ্যা আরতি মন্ত্রমুগ্ধ করল দর্শনার্থীদের।

লেটেস্ট ভিডিও