WB Assembly Election 2026: ভোটের প্রচারে এবার কমিশনের নয়া নির্দেশ! ‘সবুজ’ কড়াকড়িতে চিন্তা বাড়ছে দলগুলির, কোথায় থেকে আসবে টাকা
- Reported by:Souvik Roy
- Published by:Madhab Das
Last Updated:
West Bengal Assembly Election 2026: পরিবেশ বাঁচাতে এবার ভোট প্রচারে কড়া নজর নির্বাচন কমিশনের। সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিক ও ফ্লেক্স নিষিদ্ধ হওয়ায় বিকল্প উপায়ের সন্ধানে প্রার্থীরা। কিন্তু আকাশছোঁয়া খরচের টাকা আসবে কোথা থেকে? তা নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।
খাতায় কলমে আর মাত্র ৩০ দিনেরও কম সময়ের অপেক্ষা। এরপরেই ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছেন দুই দফায় বিধানসভা নির্বাচন হবে। প্রথম দফায় নির্বাচন ২৩ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন ২৯ এপ্রিল। বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে নির্বাচনের সময় জাতীয় নির্বাচন কমিশন ভোট প্রচারে পরিবেশবান্ধব প্রচার উপকরণ ব্যবহার করার জন্য কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। (ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়)
advertisement
তবে সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে পকেটে। মূলত আর্থিক সামর্থ্য এবং নিজের মনের মধ্যে সদিচ্ছা না থাকলে সেই নির্দেশ কতটা কার্যকর হবে, সংশয় রয়েছে যথেষ্ট। জেলা নির্বাচন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কমিশন স্পষ্ট করেছে পরিবেশ রক্ষা কোনও একজন ব্যক্তির কাজ নয়। পরিবেশ আমাদের সকলের জন্য প্রয়োজনীয়। আর সেই কারণে এই পরিবেশ রক্ষা সকলের মিলিত দায়িত্ব। মূলত যে কোনও ধরনের নির্বাচনের সময় বিভিন্ন ধরনের ব্যানার, পোস্টার বানানো হয়ে থাকে।
advertisement
আর এই বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের জন্য ব্যানার-পোস্টার তৈরিতে প্লাস্টিক বা অপচনশীল উপকরণের ব্যবহার পরিবেশ রক্ষার কথা ভেবে না করা উচিত। নির্বাচনের জন্য এমন উপকরণ ব্যবহার করা প্রয়োজন যা খুব সহজেই মাটিতে মিশে যেতে পারে। প্রসঙ্গত ভোটের দিনক্ষণ এবং প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরে জোরকদমে প্রচার শুরু করতে মাঠে নেমে পড়েছে সমস্ত রাজনৈতিক দল।
advertisement
তবে এই বিধানসভা নির্বাচনে ভোট প্রচারে কমিশনের নির্দেশকে মেনে চলা নিয়ে দোটানায় রয়েছে সমস্ত দলের প্রার্থীরা। কারণ শুধুমাত্র দেওয়াল লিখন ছাড়া পোস্টার হোক অথবা ব্যানার সবকিছুই প্লাস্টিকের তৈরি। তবে এগুলোর বিকল্প রাস্তা কী? সেটাই ভাবাচ্ছে সমস্ত রাজনৈতিক দলকে। কারণ দিন দিন প্লাস্টিকের ব্যবহার কমার থেকে বেশি বেড়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের তরফ থেকে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়ার পরেও এই প্লাস্টিকের ব্যবহার কমছে না। আর সেটা নিয়েই চিন্তাই রয়েছে পরিবেশবিদরা।
advertisement
প্রসঙ্গত বীরভূম জেলার বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণ দেখলে বা জানলে যেটা বোঝা যায়। বীরভূম জেলায় মোট ১১ টি বিধানসভা, সেই বিধানসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কমপক্ষে আসনে চারজন করে মূল ধারার রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা থাকতে পারেন। সেই হিসাব করলে দাঁড়ায় মোট ৪৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বী। তাহলে প্লাস্টিকের ব্যবহার না করে কম খরচে প্রচার হবে কোন পথে? বিকল্প পথ ব্যবহারের জন্য আর্থিক ক্ষমতা সদিচ্ছা এবং বিকল্প উপকরণ থাকতে হবে বলে জানান বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। (ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়)







