Subhas Chandra Bose: সালটা ১৯৪০, এপ্রিলের তীব্র গরম...! বাঁকুড়ায় পা পড়েছিল নেতাজির, সুভাষচন্দ্রের জন্মজয়ন্তীতে জানুন সেই অজানা কাহিনী

Last Updated:
Subhas Chandra Bose: স্বাধীনতা আন্দোলনের উত্তাল সময়ে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বাঁকুড়া সফর জেলার ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায়। তাঁর উপস্থিতি ও আদর্শ বাঁকুড়াবাসীর মনে আজও দেশপ্রেমের অনুপ্রেরণা জোগায়।
1/6
ভারত মাতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ছিলেন আপোষহীন সংগ্রামের প্রতীক। ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে অদম্য সাহস ও দৃঢ় নেতৃত্বে তিনি লালমুখো গোরাদের ভিত কাঁপিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। এমন এক বিপ্লবী নেতার সঙ্গে বাঁকুড়ার ইতিহাসের যোগ আজও গর্বের সঙ্গে স্মরণ করে জেলার মানুষ। সেই স্মৃতিকে সামনে রেখে এবার নেতাজিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে গান রচিত হল বাঁকুড়ায়, যা নতুন করে আলোচনায় এনেছে জেলার স্বাধীনতা সংগ্রামের গৌরবময় অধ্যায়। (ছবি ও তথ্য নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
ভারত মাতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ছিলেন আপোষহীন সংগ্রামের প্রতীক। ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে অদম্য সাহস ও দৃঢ় নেতৃত্বে তিনি লালমুখো গোরাদের ভিত কাঁপিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। এমন এক বিপ্লবী নেতার সঙ্গে বাঁকুড়ার ইতিহাসের যোগ আজও গর্বের সঙ্গে স্মরণ করে জেলার মানুষ। সেই স্মৃতিকে সামনে রেখে এবার নেতাজিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে গান রচিত হল বাঁকুড়ায়, যা নতুন করে আলোচনায় এনেছে জেলার স্বাধীনতা সংগ্রামের গৌরবময় অধ্যায়। (ছবি ও তথ্য নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
advertisement
2/6
ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে জানা যায়, সালটা ছিল ১৯৪০, তারিখ ২৮ এপ্রিল। প্রখর গ্রীষ্মের মধ্যেই সুভাষচন্দ্র বসু বাঁকুড়া জেলার গঙ্গাজলঘাটিতে সভা করতে এসেছিলেন। এই তথ্যের উল্লেখ রয়েছে দীপক কুমার অগ্নিহোত্রীর লেখা গ্রন্থ ‘গোবিন্দ দর্পণ’-এ। বইটির ১২৬ নম্বর পৃষ্ঠায় স্পষ্টভাবে লেখা আছে, ১৯২২ সালে গোবিন্দপ্রসাদ সিংহ ও নেতাজির প্রথম সাক্ষাৎ ঘটে এবং পরবর্তী সময়ে তাঁদের মধ্যে গড়ে ওঠে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।
ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে জানা যায়, সালটা ছিল ১৯৪০, তারিখ ২৮ এপ্রিল। প্রখর গ্রীষ্মের মধ্যেই সুভাষচন্দ্র বসু বাঁকুড়া জেলার গঙ্গাজলঘাটিতে সভা করতে এসেছিলেন। এই তথ্যের উল্লেখ রয়েছে দীপক কুমার অগ্নিহোত্রীর লেখা গ্রন্থ ‘গোবিন্দ দর্পণ’-এ। বইটির ১২৬ নম্বর পৃষ্ঠায় স্পষ্টভাবে লেখা আছে, ১৯২২ সালে গোবিন্দপ্রসাদ সিংহ ও নেতাজির প্রথম সাক্ষাৎ ঘটে এবং পরবর্তী সময়ে তাঁদের মধ্যে গড়ে ওঠে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।
advertisement
3/6
‘গোবিন্দ দর্পণ’-এর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৪০ সালের ২৮ এপ্রিল বেলা প্রায় ১১টা নাগাদ নেতাজি দেশবন্ধু বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের স্মৃতিরক্ষা ও বিদ্যালয়ের পুনর্গঠন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। তাঁর কথায় উঠে আসে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেশ ও দশের কল্যাণের আশা এবং দেশবন্ধুর আদর্শকে সাফল্যমণ্ডিত করার প্রত্যয়। এই বক্তব্য আজও বাঁকুড়ার ইতিহাসে এক মূল্যবান দলিল হিসেবে বিবেচিত।
‘গোবিন্দ দর্পণ’-এর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৪০ সালের ২৮ এপ্রিল বেলা প্রায় ১১টা নাগাদ নেতাজি দেশবন্ধু বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের স্মৃতিরক্ষা ও বিদ্যালয়ের পুনর্গঠন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। তাঁর কথায় উঠে আসে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেশ ও দশের কল্যাণের আশা এবং দেশবন্ধুর আদর্শকে সাফল্যমণ্ডিত করার প্রত্যয়। এই বক্তব্য আজও বাঁকুড়ার ইতিহাসে এক মূল্যবান দলিল হিসেবে বিবেচিত।
advertisement
4/6
নেতাজির বাঁকুড়া সফর শুধু গঙ্গাজলঘাটিতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি অমরকানন, দেশুরিয়া-সহ জেলার একাধিক স্থানে গিয়েছিলেন। সেই সময় ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে বাংলা ক্রমশ উত্তাল হয়ে উঠছিল। বাঁকুড়া জেলার নরমপন্থী বিপ্লবী নেতা গোবিন্দপ্রসাদ সিংহের সঙ্গে নেতাজির সখ্যতা ছিল গভীর। স্বাধীনতা সংগ্রামে বাঁকুড়া যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল, তা বহুক্ষেত্রেই ইতিহাসের মূল আলোচনায় উঠে আসেনি।
নেতাজির বাঁকুড়া সফর শুধু গঙ্গাজলঘাটিতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি অমরকানন, দেশুরিয়া-সহ জেলার একাধিক স্থানে গিয়েছিলেন। সেই সময় ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে বাংলা ক্রমশ উত্তাল হয়ে উঠছিল। বাঁকুড়া জেলার নরমপন্থী বিপ্লবী নেতা গোবিন্দপ্রসাদ সিংহের সঙ্গে নেতাজির সখ্যতা ছিল গভীর। স্বাধীনতা সংগ্রামে বাঁকুড়া যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল, তা বহুক্ষেত্রেই ইতিহাসের মূল আলোচনায় উঠে আসেনি।
advertisement
5/6
আজও বাঁকুড়াবাসী গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এই মহান বিপ্লবীকে। তাঁর স্মৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়। নেতাজি জয়ন্তীর দিন প্রতিবছরই এইভাবে তাঁর বাঁকুড়া সফর, আদর্শ ও স্বাধীনতা সংগ্রামে অবদানকে তুলে ধরা হয় স্মরণানুষ্ঠান ও আলোচনা সভার মাধ্যমে। এই প্রয়াস ইতিহাসচর্চা ও জাতীয় চেতনাকে আরও দৃঢ় করে তোলে।
আজও বাঁকুড়াবাসী গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এই মহান বিপ্লবীকে। তাঁর স্মৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়। নেতাজি জয়ন্তীর দিন প্রতিবছরই এইভাবে তাঁর বাঁকুড়া সফর, আদর্শ ও স্বাধীনতা সংগ্রামে অবদানকে তুলে ধরা হয় স্মরণানুষ্ঠান ও আলোচনা সভার মাধ্যমে। এই প্রয়াস ইতিহাসচর্চা ও জাতীয় চেতনাকে আরও দৃঢ় করে তোলে।
advertisement
6/6
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ও বাঁকুড়ার সম্পর্ক ইতিহাসের এক গর্বিত অধ্যায়। স্বাধীনতা সংগ্রামের উত্তাল সময়ে তিনি বাঁকুড়ার মাটি স্পর্শ করেছিলেন, গঙ্গাজলঘাটি, অমরকানন ও আশপাশের এলাকায় তাঁর উপস্থিতি জেলার মানুষকে নতুন করে আন্দোলিত করেছিল। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে যখন বাংলা ক্রমশ তীব্র হয়ে উঠছিল, তখন নেতাজির দৃঢ় কণ্ঠ ও আদর্শ বাঁকুড়াবাসীর মনে সাহস ও আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছিল। স্বাধীনতা সংগ্রামে বাঁকুড়ার অবদান বহুক্ষেত্রেই ইতিহাসের মূল স্রোতে উপেক্ষিত হলেও, নেতাজির পদচিহ্ন এই জেলাকে জাতীয় আন্দোলনের মানচিত্রে এক বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। (ছবি ও তথ্য নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ও বাঁকুড়ার সম্পর্ক ইতিহাসের এক গর্বিত অধ্যায়। স্বাধীনতা সংগ্রামের উত্তাল সময়ে তিনি বাঁকুড়ার মাটি স্পর্শ করেছিলেন, গঙ্গাজলঘাটি, অমরকানন ও আশপাশের এলাকায় তাঁর উপস্থিতি জেলার মানুষকে নতুন করে আন্দোলিত করেছিল। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে যখন বাংলা ক্রমশ তীব্র হয়ে উঠছিল, তখন নেতাজির দৃঢ় কণ্ঠ ও আদর্শ বাঁকুড়াবাসীর মনে সাহস ও আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছিল। স্বাধীনতা সংগ্রামে বাঁকুড়ার অবদান বহুক্ষেত্রেই ইতিহাসের মূল স্রোতে উপেক্ষিত হলেও, নেতাজির পদচিহ্ন এই জেলাকে জাতীয় আন্দোলনের মানচিত্রে এক বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। (ছবি ও তথ্য নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
advertisement
advertisement
advertisement