advertisement

Sati Peeth: ৫১ সতীপীঠের মধ্যে একটি রয়েছে পাতিরামে, বিগ্রহহীন মন্দিরে বিদ্যেশ্বরীর বাস বেদিতে! বিশেষ পুজোয় তিনদিনের মহাযজ্ঞ, ভক্তের ঢল

Last Updated:
Sati Peeth: ৫১ সতীপীঠের অন্যতম পাতিরামের বিদ্যেশ্বরী মন্দির। সতীর বাম পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুল পড়েছিল এখানে। মন্দিরে দেবীর কোন মূর্তি নেই। বেদিতে পূজিত হন দেবী বিদ্যেশ্বরী।
1/5
৫১ সতীপীঠের একটি রয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাটে। বালুরঘাট ব্লকের পতিরাম অঞ্চলে অবস্থিত বিদ্যেশ্বরী মন্দির। সতীর দেহাংশ যখন পৃথিবীর বুকে ছড়িয়ে পড়েছিল তখন এই স্থানে দেবীর বাম পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুল পতিত হয়েছিল। এই মন্দিরের বিশেষত্ব হল, এখানে কোন পাথরের মূর্তি কিংবা বিগ্রহ নেই। দেবী এখানে বেদি রূপে পূজিত হন। যা সর্বদা একটি লালপাড় সাদা শাড়ি দিয়ে ঢাকা থাকে।
৫১ সতীপীঠের একটি রয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাটে। বালুরঘাট ব্লকের পতিরাম অঞ্চলে অবস্থিত বিদ্যেশ্বরী মন্দির। সতীর দেহাংশ যখন পৃথিবীর বুকে ছড়িয়ে পড়েছিল তখন এই স্থানে দেবীর বাম পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুল পতিত হয়েছিল। এই মন্দিরের বিশেষত্ব হল, এখানে কোন পাথরের মূর্তি কিংবা বিগ্রহ নেই। দেবী এখানে বেদি রূপে পূজিত হন। যা সর্বদা একটি লালপাড় সাদা শাড়ি দিয়ে ঢাকা থাকে।
advertisement
2/5
মন্দিরে দেবীর কোন মূর্তি না থাকায় ভক্তরা শাড়ি চড়িয়ে নিজেদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে প্রতিদিন শয়ে শয়ে শাড়ি বেদিতে চড়ানো হলেও বেদির উচ্চতা কখনও বাড়ে না। ভক্তদের বিশ্বাস, বেদিতেই দেবী বিদ্যেশ্বরী বিরাজমান।
মন্দিরে দেবীর কোন মূর্তি না থাকায় ভক্তরা বেদিতে শাড়ি চড়িয়ে নিজেদের শ্রদ্ধা দেবীর কাছে নিবেদন করেন। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে প্রতিদিন শয়ে শয়ে শাড়ি বেদিতে চড়ানো হলেও বেদির উচ্চতা কখনও বাড়ে না। ভক্তদের বিশ্বাস, বেদিতেই দেবী বিদ্যেশ্বরী বিরাজমান।
advertisement
3/5
প্রতি বছর পৌষ মাসের বকুল অমাবস্যা তিথিতে বিশাল বাৎসরিক পুজো ও তিন দিনব্যাপী মহাযজ্ঞের আয়োজন করা হয়। পুজোর আগে ৫১ জন কুমারী লাল শাড়িতে সেজে আত্রেয়ী নদী থেকে পবিত্র জল এনে মায়ের অভিষেক করে। বিপুল ভক্তের সামাগম ঘটে এই সময়ে। দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসেন ভক্তরা।
প্রতি বছর পৌষ মাসের বকুল অমাবস্যা তিথিতে বিশাল বাৎসরিক পুজো ও তিন দিনব্যাপী মহাযজ্ঞের আয়োজন করা হয়। পুজোর আগে ৫১ জন কুমারী লাল, সাদা শাড়িতে সেজে আত্রেয়ী নদী থেকে পবিত্র জল এনে মায়ের অভিষেক করে। বিপুল ভক্তের সামাগম ঘটে এই সময়ে। দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসেন ভক্তরা।
advertisement
4/5
বকুল অমাবস্যায় মন্দিরে ভক্তদের জন্য খিচুড়ি ভোগের আয়োজন করা হয়। তিন দিনব্যাপী পুজো চলাকালীন হাজার হাজার ভক্ত প্রসাদ গ্রহণ করেন। এছাড়া মন্দিরে প্রতিদিন দেবী বিদ্যেশ্বরীকে অন্নভোগ নিবেদন করা হয়। কালী মন্দিরের প্রাচীন রীতি মেনে প্রতি অমাবস্যা তিথিতে দেবীকে মাছ ভোগও দেওয়া হয়।
বকুল অমাবস্যায় মন্দিরে ভক্তদের জন্য খিচুড়ি ভোগের আয়োজন করা হয়। তিন দিনব্যাপী পুজো চলাকালীন হাজার হাজার ভক্ত প্রসাদ গ্রহণ করেন। এছাড়া মন্দিরে প্রতিদিন দেবী বিদ্যেশ্বরীকে অন্নভোগ নিবেদন করা হয়। কালী মন্দিরের প্রাচীন রীতি মেনে প্রতি অমাবস্যা তিথিতে দেবীকে মাছ ভোগও দেওয়া হয়।
advertisement
5/5
ভাবছেন কীভাবে যাবেন পাতিরামের বিদ্যেশ্বরী মন্দির? বালুরঘাট শহর থেকে মন্দিরের দূরত্ব প্রায় ১১-১৫ কিলোমিটার। ভক্তরা বালুরঘাট থেকে বাস বা অটো করে সরাসরি পতিরাম চৌরাস্তায় নেমে মন্দিরে পৌঁছাতে পারেন
ভাবছেন কীভাবে যাবেন পাতিরামের বিদ্যেশ্বরী মন্দির? বালুরঘাট শহর থেকে মন্দিরের দূরত্ব প্রায় ১১-১৫ কিলোমিটার। ভক্তরা বালুরঘাট থেকে বাস বা অটো করে সরাসরি পতিরাম চৌরাস্তায় নেমে মন্দিরে পৌঁছাতে পারেন।
advertisement
advertisement
advertisement