Migratory Bird: মহানন্দা ব্যারেজে হাজার হাজার বিদেশি অতিথি, ফুলবাড়িতে রঙের মেলা! গণনায় উঠে এল চমকে দেওয়া তথ্য

Last Updated:
Siliguri Migratory Bird: এ বছর ৫০টিরও বেশি প্রজাতির পাখির আগমন হয়েছে এবং মোট পাখির সংখ্যা প্রায় সাড়ে ছয় হাজারের কাছাকাছি।
1/5
জাঁকিয়ে শীত পড়তেই পরিযায়ী পাখির কলরবে ফের মুখর হয়ে উঠল ফুলবাড়ীর মহানন্দা ব্যারেজ এলাকা। প্রতি বছর শীতের মরশুমে দেশি ও বিদেশি নানা প্রজাতির জলজ পাখির আগমনে এই জলাভূমি হয়ে ওঠে উত্তরবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পাখি আশ্রয়স্থল। চলতি বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। শীতের শুরুতেই পাখির উপস্থিতি কতটা এবং কোন কোন প্রজাতির আগমন ঘটেছে, তা জানতে বার্ষিক জলজ পাখি গণনার আয়োজন করল কার্শিয়াং বন বিভাগ। (ছবি ও তথ্য - ঋত্বিক ভট্টাচার্য)
জাঁকিয়ে শীত পড়তেই পরিযায়ী পাখির কলরবে ফের মুখর হয়ে উঠল ফুলবাড়ীর মহানন্দা ব্যারেজ এলাকা। প্রতি বছর শীতের মরশুমে দেশি ও বিদেশি নানা প্রজাতির জলজ পাখির আগমনে এই জলাভূমি হয়ে ওঠে উত্তরবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পাখি আশ্রয়স্থল। চলতি বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। শীতের শুরুতেই পাখির উপস্থিতি কতটা এবং কোন কোন প্রজাতির আগমন ঘটেছে, তা জানতে বার্ষিক জলজ পাখি গণনার আয়োজন করল কার্শিয়াং বন বিভাগ। (ছবি ও তথ্য - ঋত্বিক ভট্টাচার্য)
advertisement
2/5
কার্শিয়াং বন বিভাগের উদ্যোগে বাগডোগরা–ঘোষপুকুর রেঞ্জের বনকর্মীদের সঙ্গে এই গণনায় অংশ নেন একাধিক পরিবেশপ্রেমী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, পাশাপাশি বিজ্ঞান মঞ্চের প্রতিনিধিরাও। সকাল সাতটা থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে এই পর্যবেক্ষণ ও গণনার কাজ। শীতের সকালের কুয়াশা ভেদ করে পাখির গতিবিধি ও প্রজাতি চিহ্নিত করতে ব্যস্ত ছিলেন অংশগ্রহণকারীরা।
কার্শিয়াং বন বিভাগের উদ্যোগে বাগডোগরা–ঘোষপুকুর রেঞ্জের বনকর্মীদের সঙ্গে এই গণনায় অংশ নেন একাধিক পরিবেশপ্রেমী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, পাশাপাশি বিজ্ঞান মঞ্চের প্রতিনিধিরাও। সকাল সাতটা থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে এই পর্যবেক্ষণ ও গণনার কাজ। শীতের সকালের কুয়াশা ভেদ করে পাখির গতিবিধি ও প্রজাতি চিহ্নিত করতে ব্যস্ত ছিলেন অংশগ্রহণকারীরা।
advertisement
3/5
কার্শিয়াং বন বিভাগের ডিএফও দেবেশ পান্ডে জানান, এ বছরের পাখি গণনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। তাঁর কথায়, “বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী ও পরিবেশপ্রেমী সংগঠনের সহযোগিতায় আমরা সফলভাবে গণনা করতে পেরেছি। প্রাথমিকভাবে দেখা যাচ্ছে, এ বছর এখানে ৫০টিরও বেশি প্রজাতির পাখির আগমন হয়েছে এবং মোট পাখির সংখ্যা প্রায় সাড়ে ছয় হাজারের কাছাকাছি।”
কার্শিয়াং বন বিভাগের ডিএফও দেবেশ পান্ডে জানান, এ বছরের পাখি গণনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। তাঁর কথায়, “বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী ও পরিবেশপ্রেমী সংগঠনের সহযোগিতায় আমরা সফলভাবে গণনা করতে পেরেছি। প্রাথমিকভাবে দেখা যাচ্ছে, এ বছর এখানে ৫০টিরও বেশি প্রজাতির পাখির আগমন হয়েছে এবং মোট পাখির সংখ্যা প্রায় সাড়ে ছয় হাজারের কাছাকাছি।”
advertisement
4/5
বন বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বছর মহানন্দা ব্যারেজ এলাকায় রেড ক্রেস্টেড পোচার্ড, নর্দান শভেলার, রাডি শেলডাক, অস্প্রে, রেড ওয়াটলড ল্যাপউইং, লিটল রিংড ল্যাপউইং, কমন পোচার্ড, গ্রিনস্যান্ড পাইপারসহ একাধিক পরিচিত জলজ পাখির দেখা মিলেছে। পরিবেশপ্রেমী সংগঠন ‘ন্যাফ’-এর কো-অর্ডিনেটর অনিমেষ বসু জানান, প্রতি বছর যে প্রজাতির পাখিরা এই জলাভূমিতে আসে, এ বছরও সেগুলির উপস্থিতি রয়েছে। নতুন কোনো প্রজাতি না এলেও পাখির সংখ্যা আগের কয়েক বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বছর মহানন্দা ব্যারেজ এলাকায় রেড ক্রেস্টেড পোচার্ড, নর্দান শভেলার, রাডি শেলডাক, অস্প্রে, রেড ওয়াটলড ল্যাপউইং, লিটল রিংড ল্যাপউইং, কমন পোচার্ড, গ্রিনস্যান্ড পাইপারসহ একাধিক পরিচিত জলজ পাখির দেখা মিলেছে। পরিবেশপ্রেমী সংগঠন ‘ন্যাফ’-এর কো-অর্ডিনেটর অনিমেষ বসু জানান, প্রতি বছর যে প্রজাতির পাখিরা এই জলাভূমিতে আসে, এ বছরও সেগুলির উপস্থিতি রয়েছে। নতুন কোনো প্রজাতি না এলেও পাখির সংখ্যা আগের কয়েক বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
advertisement
5/5
এদিকে ঘোষপুকুর রেঞ্জ অফিসার সম্ব্রত সাধু জানান, পাখির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক দিক। তাঁর মতে, নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে যদি দেখা যায় কোনও নির্দিষ্ট প্রজাতির পাখি হঠাৎ করে এই এলাকা এড়িয়ে চলেছে, তাহলে তার কারণ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সব মিলিয়ে, মহানন্দা ব্যারেজের জলাভূমিতে পরিযায়ী পাখির বাড়তি উপস্থিতি পরিবেশের সুস্থতারই ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। (ছবি ও তথ্য : ঋত্বিক ভট্টাচার্য)
এদিকে ঘোষপুকুর রেঞ্জ অফিসার সম্ব্রত সাধু জানান, পাখির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক দিক। তাঁর মতে, নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে যদি দেখা যায় কোনও নির্দিষ্ট প্রজাতির পাখি হঠাৎ করে এই এলাকা এড়িয়ে চলেছে, তাহলে তার কারণ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সব মিলিয়ে, মহানন্দা ব্যারেজের জলাভূমিতে পরিযায়ী পাখির বাড়তি উপস্থিতি পরিবেশের সুস্থতারই ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। (ছবি ও তথ্য : ঋত্বিক ভট্টাচার্য)
advertisement
advertisement
advertisement