advertisement

Cancer Alert: ছোট মনে হলেও বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে এই স্বাস্থ্য সমস্যা! জানুন সতর্কবার্তা

Last Updated:
ক্যান্সারের উপসর্গ সহজে চেনা যায় না—এটাই বড় সমস্যা। অনেক সময় এগুলো সাধারণ শারীরিক অসুস্থতার লক্ষণের মতোই দেখায়, তাই শুরুতে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় না। কিন্তু যদি এই ধরনের উপসর্গ কয়েক দিন বা তার বেশি সময় ধরে স্থায়ী থাকে, তাহলে অবশ্যই সতর্ক হওয়া দরকার। শরীর বারবার ইঙ্গিত দিচ্ছে মানে কিছু একটা গড়বড় আছে—এটা বুঝে সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ সিদ্ধান্ত।
1/10
ক্যান্সার একটি প্রাণঘাতী রোগ। বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম বড় কারণ এটি। তবে এই রোগ হঠাৎ করেই আক্রমণ করে না। শুরু থেকেই শরীরে কিছু নির্দিষ্ট সংকেত দেখা দিতে পারে। সেই লক্ষণগুলো সচেতনভাবে লক্ষ্য করলে বড় বিপদ এড়ানোর সুযোগ থাকে।সমস্যা হলো, ক্যান্সারের উপসর্গ অনেক সময় সহজে বোঝা যায় না। কারণ, অন্যান্য সাধারণ শারীরিক সমস্যার মতোই অনেক লক্ষণ এতে দেখা যায়। তাই শুরুতে বিষয়টি ততটা গুরুত্ব পায় না।

তবে যদি কিছু নির্দিষ্ট উপসর্গ টানা কয়েক দিন বা সপ্তাহ ধরে চলতে থাকে, তাহলে অবশ্যই সতর্ক হওয়া জরুরি। এখন জেনে নেওয়া যাক—সেই লক্ষণগুলো কী কী।
ক্যান্সার একটি প্রাণঘাতী রোগ। বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম বড় কারণ এটি। তবে এই রোগ হঠাৎ করেই আক্রমণ করে না। শুরু থেকেই শরীরে কিছু নির্দিষ্ট সংকেত দেখা দিতে পারে। সেই লক্ষণগুলো সচেতনভাবে লক্ষ্য করলে বড় বিপদ এড়ানোর সুযোগ থাকে। সমস্যা হলো, ক্যান্সারের উপসর্গ অনেক সময় সহজে বোঝা যায় না। কারণ, অন্যান্য সাধারণ শারীরিক সমস্যার মতোই অনেক লক্ষণ এতে দেখা যায়। তাই শুরুতে বিষয়টি ততটা গুরুত্ব পায় না। তবে যদি কিছু নির্দিষ্ট উপসর্গ টানা কয়েক দিন বা সপ্তাহ ধরে চলতে থাকে, তাহলে অবশ্যই সতর্ক হওয়া জরুরি। এখন জেনে নেওয়া যাক—সেই লক্ষণগুলো কী কী।
advertisement
2/10
শরীর সবসময় অবসন্ন লাগছে? পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার পরও বা পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পরও যদি শক্তি না ফেরে, তাহলে বিষয়টা হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়।দীর্ঘদিন ধরে এমন অস্বাভাবিক ক্লান্তি চলতে থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কারণ, এটি কখনও কখনও লিউকেমিয়ার মতো রক্তজনিত ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।

তবে মনে রাখবেন, ক্লান্তি মানেই ক্যান্সার নয়—স্ট্রেস, অ্যানিমিয়া, হরমোনজনিত সমস্যা সহ নানা কারণেও এমন হতে পারে। তাই আতঙ্ক নয়, সচেতন হওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
শরীর সবসময় অবসন্ন লাগছে? পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার পরও বা পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পরও যদি শক্তি না ফেরে, তাহলে বিষয়টা হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। দীর্ঘদিন ধরে এমন অস্বাভাবিক ক্লান্তি চলতে থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কারণ, এটি কখনও কখনও লিউকেমিয়ার মতো রক্তজনিত ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। তবে মনে রাখবেন, ক্লান্তি মানেই ক্যান্সার নয়—স্ট্রেস, অ্যানিমিয়া, হরমোনজনিত সমস্যা সহ নানা কারণেও এমন হতে পারে। তাই আতঙ্ক নয়, সচেতন হওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
advertisement
3/10
কোনও ডায়েট না মেনে, বাড়তি ব্যায়াম না করেও যদি হঠাৎ করে ওজন কমতে থাকে, তাহলে বিষয়টি একেবারেই হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়।বিশেষ করে অল্প সময়ের মধ্যে যদি ৫ থেকে ১০ কেজি ওজন অনায়াসে কমে যায়, তাহলে তা সতর্কবার্তা হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে এটি পাকস্থলী, খাদ্যনালী (ইসোফ্যাগাস), ফুসফুস বা অগ্ন্যাশয়ের মতো অঙ্গের ক্যান্সারের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

তবে আবারও মনে রাখবেন—হঠাৎ ওজন কমার পেছনে থাইরয়েড সমস্যা, ডায়াবেটিস বা হজমজনিত অসুখের মতো অন্য কারণও থাকতে পারে। তাই দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
কোনও ডায়েট না মেনে, বাড়তি ব্যায়াম না করেও যদি হঠাৎ করে ওজন কমতে থাকে, তাহলে বিষয়টি একেবারেই হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে অল্প সময়ের মধ্যে যদি ৫ থেকে ১০ কেজি ওজন অনায়াসে কমে যায়, তাহলে তা সতর্কবার্তা হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে এটি পাকস্থলী, খাদ্যনালী (ইসোফ্যাগাস), ফুসফুস বা অগ্ন্যাশয়ের মতো অঙ্গের ক্যান্সারের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। তবে আবারও মনে রাখবেন—হঠাৎ ওজন কমার পেছনে থাইরয়েড সমস্যা, ডায়াবেটিস বা হজমজনিত অসুখের মতো অন্য কারণও থাকতে পারে। তাই দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
advertisement
4/10
দীর্ঘদিন ধরে ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য থাকা, মলের সঙ্গে রক্ত আসা, প্রস্রাবে রক্ত দেখা যাওয়া বা জ্বালাপোড়া হওয়া—এই লক্ষণগুলোকে কখনওই অবহেলা করা উচিত নয়।এগুলো কিছু ক্ষেত্রে প্রোস্টেট, বৃহদান্ত্র (কোলন) বা মূত্রথলির ক্যান্সারের সতর্ক সংকেত হতে পারে। যদি এমন উপসর্গ বারবার বা দীর্ঘ সময় ধরে দেখা যায়, তাহলে বুঝতে হবে হজমতন্ত্র বা মূত্রনালিতে কোনও গুরুতর সমস্যা থাকতে পারে।

ভয় না পেয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পদক্ষেপ।
দীর্ঘদিন ধরে ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য থাকা, মলের সঙ্গে রক্ত আসা, প্রস্রাবে রক্ত দেখা যাওয়া বা জ্বালাপোড়া হওয়া—এই লক্ষণগুলোকে কখনওই অবহেলা করা উচিত নয়। এগুলো কিছু ক্ষেত্রে প্রোস্টেট, বৃহদান্ত্র (কোলন) বা মূত্রথলির ক্যান্সারের সতর্ক সংকেত হতে পারে। যদি এমন উপসর্গ বারবার বা দীর্ঘ সময় ধরে দেখা যায়, তাহলে বুঝতে হবে হজমতন্ত্র বা মূত্রনালিতে কোনও গুরুতর সমস্যা থাকতে পারে। ভয় না পেয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পদক্ষেপ।
advertisement
5/10
গিলতে অসুবিধাকখনও কখনও সামান্য খাবার বা এমনকি তরল পদার্থ গিলতেও অসুবিধা হতে পারে। খাবার খাওয়ার পর নিয়মিত বুক জ্বালা, অম্বল বা হজমের সমস্যা দেখা দিলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার।

এই ধরনের উপসর্গ দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে তা গলা, খাদ্যনালী (ইসোফ্যাগাস) বা পাকস্থলীর গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

তবে মনে রাখবেন, মাঝেমধ্যে অম্বল বা গিলতে অসুবিধা হওয়া মানেই বড় রোগ নয়। কিন্তু যদি সমস্যা স্থায়ী হয় বা বাড়তে থাকে, তাহলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
গিলতে অসুবিধা কখনও কখনও সামান্য খাবার বা এমনকি তরল পদার্থ গিলতেও অসুবিধা হতে পারে। খাবার খাওয়ার পর নিয়মিত বুক জ্বালা, অম্বল বা হজমের সমস্যা দেখা দিলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। এই ধরনের উপসর্গ দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে তা গলা, খাদ্যনালী (ইসোফ্যাগাস) বা পাকস্থলীর গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। তবে মনে রাখবেন, মাঝেমধ্যে অম্বল বা গিলতে অসুবিধা হওয়া মানেই বড় রোগ নয়। কিন্তু যদি সমস্যা স্থায়ী হয় বা বাড়তে থাকে, তাহলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
advertisement
6/10
দীর্ঘদিনের কাশিসব সময় গলা শুকিয়ে যাওয়ার মতো অনুভূতি, টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে কাশি চলতে থাকা, বা কাশির সঙ্গে রক্ত বের হওয়া—এসব লক্ষণকে শুধু সাধারণ সংক্রমণ ভেবে উড়িয়ে দেওয়া ঠিক নয়।

এগুলো কখনও কখনও ফুসফুস, গলা বা থাইরয়েডের গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। গলায় তৈরি হওয়া কোনও গাঁট বা অস্বাভাবিক বৃদ্ধি কাশির কারণ হতে পারে এবং অস্বস্তি বাড়াতে পারে।

তবে আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই—সব কাশিই গুরুতর রোগের লক্ষণ নয়। কিন্তু যদি কাশি দীর্ঘদিন ধরে থাকে বা রক্ত দেখা যায়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
দীর্ঘদিনের কাশি সব সময় গলা শুকিয়ে যাওয়ার মতো অনুভূতি, টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে কাশি চলতে থাকা, বা কাশির সঙ্গে রক্ত বের হওয়া—এসব লক্ষণকে শুধু সাধারণ সংক্রমণ ভেবে উড়িয়ে দেওয়া ঠিক নয়। এগুলো কখনও কখনও ফুসফুস, গলা বা থাইরয়েডের গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। গলায় তৈরি হওয়া কোনও গাঁট বা অস্বাভাবিক বৃদ্ধি কাশির কারণ হতে পারে এবং অস্বস্তি বাড়াতে পারে। তবে আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই—সব কাশিই গুরুতর রোগের লক্ষণ নয়। কিন্তু যদি কাশি দীর্ঘদিন ধরে থাকে বা রক্ত দেখা যায়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
advertisement
7/10
অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণচামড়ায় হঠাৎ অস্বাভাবিক লালচে দাগ বা রক্তক্ষরণ, কাশির সঙ্গে রক্ত বের হওয়া, বমিতে রক্ত দেখা যাওয়া, প্রস্রাব বা মলের সঙ্গে রক্ত আসা—এসব লক্ষণকে কখনওই হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়।

এ ধরনের উপসর্গ কিছু ক্ষেত্রে পাকস্থলী, বৃহদান্ত্র, মূত্রাশয় বা ফুসফুসের গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

তবে মনে রাখা জরুরি—রক্তক্ষরণের পেছনে আলসার, সংক্রমণ, পাইলস বা অন্যান্য অসুখও কারণ হতে পারে। তাই ভয় না পেয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে সঠিক পদক্ষেপ। সচেতন থাকুন, কিন্তু অযথা আতঙ্কিত হবেন না।
অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ চামড়ায় হঠাৎ অস্বাভাবিক লালচে দাগ বা রক্তক্ষরণ, কাশির সঙ্গে রক্ত বের হওয়া, বমিতে রক্ত দেখা যাওয়া, প্রস্রাব বা মলের সঙ্গে রক্ত আসা—এসব লক্ষণকে কখনওই হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। এ ধরনের উপসর্গ কিছু ক্ষেত্রে পাকস্থলী, বৃহদান্ত্র, মূত্রাশয় বা ফুসফুসের গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। তবে মনে রাখা জরুরি—রক্তক্ষরণের পেছনে আলসার, সংক্রমণ, পাইলস বা অন্যান্য অসুখও কারণ হতে পারে। তাই ভয় না পেয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে সঠিক পদক্ষেপ। সচেতন থাকুন, কিন্তু অযথা আতঙ্কিত হবেন না।
advertisement
8/10
ত্বকে পরিবর্তনত্বকের দিকে নজর রাখা খুবই জরুরি। অনেক সময় অজান্তেই ছোট ছোট ফোঁড়া, গাঁট বা উঁচু অংশ তৈরি হতে পারে। এগুলো ত্বকের রঙ বা আকার বদলে দিতে পারে, এমনকি চুলকানিও হতে পারে।

ঘাড়, বগল বা কুঁচকির মতো জায়গায় সাধারণত সংক্রমণ বা সামান্য ফোলাভাবের কারণে ছোট গাঁট দেখা যায়। তবে কখনও কখনও এগুলো শরীরে অস্বাভাবিক কোষ বৃদ্ধির ইঙ্গিতও হতে পারে।

বিশেষ করে যদি গাঁট শক্ত হয়ে যায়, ধীরে ধীরে আকারে বাড়তে থাকে বা দীর্ঘদিন না সারে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কিছু ক্ষেত্রে এটি স্তন, অণ্ডকোষ বা লিম্ফ-সম্পর্কিত গুরুতর সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ভয় না পেয়ে সচেতন থাকা। শরীরে অস্বাভাবিক কোনও পরিবর্তন দীর্ঘদিন থাকলে দেরি না করে পরীক্ষা করান।
ত্বকে পরিবর্তন ত্বকের দিকে নজর রাখা খুবই জরুরি। অনেক সময় অজান্তেই ছোট ছোট ফোঁড়া, গাঁট বা উঁচু অংশ তৈরি হতে পারে। এগুলো ত্বকের রঙ বা আকার বদলে দিতে পারে, এমনকি চুলকানিও হতে পারে। ঘাড়, বগল বা কুঁচকির মতো জায়গায় সাধারণত সংক্রমণ বা সামান্য ফোলাভাবের কারণে ছোট গাঁট দেখা যায়। তবে কখনও কখনও এগুলো শরীরে অস্বাভাবিক কোষ বৃদ্ধির ইঙ্গিতও হতে পারে। বিশেষ করে যদি গাঁট শক্ত হয়ে যায়, ধীরে ধীরে আকারে বাড়তে থাকে বা দীর্ঘদিন না সারে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কিছু ক্ষেত্রে এটি স্তন, অণ্ডকোষ বা লিম্ফ-সম্পর্কিত গুরুতর সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ভয় না পেয়ে সচেতন থাকা। শরীরে অস্বাভাবিক কোনও পরিবর্তন দীর্ঘদিন থাকলে দেরি না করে পরীক্ষা করান।
advertisement
9/10
শরীরের বিভিন্ন অংশে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথাকখনও কখনও হাড়, ডিম্বাশয়, অগ্ন্যাশয় বা অন্য অভ্যন্তরীণ অঙ্গে গুরুতর সমস্যা হলে পেট, পিঠ বা জয়েন্টে দীর্ঘদিন ধরে ব্যথা অনুভূত হতে পারে।

এই ব্যথা সাধারণ ব্যথার মতো সহজে কমে না। বরং সময়ের সঙ্গে ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে বুঝতে হবে, শরীরের ভেতরে কোনও অস্বাভাবিক বৃদ্ধি বা চাপ তৈরি হচ্ছে।

তবে মনে রাখা জরুরি—সব ব্যথাই বড় রোগের লক্ষণ নয়। আর্থ্রাইটিস, পেশির টান, ভিটামিনের ঘাটতিসহ নানা কারণেও দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা হতে পারে। কিন্তু যদি ব্যথা অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকে বা দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী হয়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
শরীরের বিভিন্ন অংশে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা কখনও কখনও হাড়, ডিম্বাশয়, অগ্ন্যাশয় বা অন্য অভ্যন্তরীণ অঙ্গে গুরুতর সমস্যা হলে পেট, পিঠ বা জয়েন্টে দীর্ঘদিন ধরে ব্যথা অনুভূত হতে পারে। এই ব্যথা সাধারণ ব্যথার মতো সহজে কমে না। বরং সময়ের সঙ্গে ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে বুঝতে হবে, শরীরের ভেতরে কোনও অস্বাভাবিক বৃদ্ধি বা চাপ তৈরি হচ্ছে। তবে মনে রাখা জরুরি—সব ব্যথাই বড় রোগের লক্ষণ নয়। আর্থ্রাইটিস, পেশির টান, ভিটামিনের ঘাটতিসহ নানা কারণেও দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা হতে পারে। কিন্তু যদি ব্যথা অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকে বা দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী হয়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
advertisement
10/10
 রাতের ঘাম, জ্বর বা ঘনঘন সংক্রমণ রাতে অস্বাভাবিকভাবে ঘাম হওয়া, বারবার জ্বর আসা বা ঘনঘন সংক্রমণে ভোগা—এসব লক্ষণ দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ইঙ্গিত হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে লিম্ফোমা বা লিউকেমিয়ার মতো গুরুতর অসুখ ইমিউন সিস্টেমকে প্রভাবিত করে, যার ফলে শরীর সহজেই সংক্রমণের শিকার হয়। তবে শুধু এই উপসর্গ দেখেই বড় রোগ নির্ধারণ করা যায় না। এগুলো ভাইরাল ইনফেকশন, হরমোনের সমস্যা বা অন্যান্য কারণেও হতে পারে। কিন্তু যদি দীর্ঘদিন ধরে এমন লক্ষণ চলতে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে শরীরে কিছু একটা সমস্যা রয়েছে—এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
রাতের ঘাম, জ্বর বা ঘনঘন সংক্রমণ রাতে অস্বাভাবিকভাবে ঘাম হওয়া, বারবার জ্বর আসা বা ঘনঘন সংক্রমণে ভোগা—এসব লক্ষণ দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ইঙ্গিত হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে লিম্ফোমা বা লিউকেমিয়ার মতো গুরুতর অসুখ ইমিউন সিস্টেমকে প্রভাবিত করে, যার ফলে শরীর সহজেই সংক্রমণের শিকার হয়। তবে শুধু এই উপসর্গ দেখেই বড় রোগ নির্ধারণ করা যায় না। এগুলো ভাইরাল ইনফেকশন, হরমোনের সমস্যা বা অন্যান্য কারণেও হতে পারে। কিন্তু যদি দীর্ঘদিন ধরে এমন লক্ষণ চলতে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে শরীরে কিছু একটা সমস্যা রয়েছে—এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
advertisement
advertisement
advertisement