Netaji Birth Anniversary: বর্ধমানের জনপ্রিয় এই মিষ্টির দোকান থেকে মিষ্টি খেয়েছিলেন নেতাজি! দেশনায়কের জন্মদিনে আজও লাড্ডু বিতরণ, অনেকেরই অজানা সেই ইতিহাস

Last Updated:
Netaji Birth Anniversary: ২৩ শে জানুয়ারি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৯'তম জন্মদিন। গত ৮৭ বছর ধরে নেতাজির স্মৃতি বহন করে চলেছে বর্ধমানের একটি মিষ্টির দোকান। প্রতিবছর দেশনায়কের জন্মদিনে সাজিয়ে তোলা হয় দোকান। করা হয় লাড্ডু বিতরণ।
1/9
২৩ শে জানুয়ারি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৯'তম জন্মদিন। গত ৮৭ বছর ধরে নেতাজির স্মৃতি বহন করে চলেছে বর্ধমানের একটি মিষ্টির দোকান। প্রতিবছর দেশনায়কের জন্মদিনে সাজিয়ে তোলা হয় এই দোকান। করা হয় লাড্ডু বিতরণ। (ছবি ও তথ্য: সায়নী সরকার)
এই বছর ২৩ শে জানুয়ারি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৯'তম জন্মদিন। গত ৮৭ বছর ধরে নেতাজির স্মৃতি বহন করে চলেছে বর্ধমানের একটি মিষ্টির দোকান। প্রতিবছর দেশনায়কের জন্মদিনে সাজিয়ে তোলা হয় এই দোকান। করা হয় লাড্ডু বিতরণ। (ছবি ও তথ্য: সায়নী সরকার)
advertisement
2/9
রাজ্যে তো বটেই, গোটা দেশেই নেতাজির নামে অসংখ্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে। পূর্ব বর্ধমানেও হয়ত রয়েছে নেতাজির নামে একাধিক প্রতিষ্ঠান কিন্তু বর্ধমান শহরের এই দোকানের গল্প সম্পূর্ণ আলাদা। এই দোকানে পদধূলি পড়েছিল স্বয়ং নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর, খেয়েছিলেন মিষ্টিও।
রাজ্যে তো বটেই, গোটা দেশেই নেতাজির নামে অসংখ্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে। পূর্ব বর্ধমানেও হয়ত রয়েছে নেতাজির নামে একাধিক প্রতিষ্ঠান কিন্তু বর্ধমান শহরের এই দোকানের গল্প সম্পূর্ণ আলাদা। এই দোকানে পদধূলি পড়েছিল স্বয়ং নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর, খেয়েছিলেন মিষ্টিও।
advertisement
3/9
আর সেই থেকেই বর্ধমানের বিসি রোডের এই দোকানের নাম হয় নেতাজি মিষ্টান্ন ভান্ডার। ৮৭ বছর ধরে দেশনায়ক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে শ্রদ্ধা জানাতে দোকানে পালন করা হয় তাঁর জন্মদিন।
আর সেই থেকেই বর্ধমানের বিসি রোডের এই দোকানের নাম হয় নেতাজি মিষ্টান্ন ভাণ্ডার। ৮৭ বছর ধরে দেশনায়ক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে শ্রদ্ধা জানাতে দোকানে পালন করা হয় তাঁর জন্মদিন।
advertisement
4/9
দোকানের বর্তমান কর্ণধার সৌমেন দাস বলেন, তাঁর মাতা-মহ গোবিন্দচন্দ্র নাগ এই দোকানের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। গোবিন্দবাবু ছিলেন নেতাজির অনুগামী। তখন দোকানটি ছিল ছোট ঘরের একচালা দোকান। ১৯৩৮ সালে বর্ধমান পৌরসভার একটি ভবন উদ্বোধন করতে বর্ধমানে এসেছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু।
দোকানের বর্তমান কর্ণধার সৌমেন দাস বলেন, তাঁর মাতা-মহ গোবিন্দচন্দ্র নাগ এই দোকানের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। গোবিন্দবাবু ছিলেন নেতাজির অনুগামী। তখন দোকানটি ছিল ছোট ঘরের একচালা দোকান। ১৯৩৮ সালে বর্ধমান পৌরসভার একটি ভবন উদ্বোধন করতে বর্ধমানে এসেছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু।
advertisement
5/9
কার্জন গেট থেকে বিসি রোড ধরে একটি পদযাত্রা হয়। সেই পদযাত্রায় অন্য অনেকের সঙ্গে ছিলেন তরুণ গোবিন্দচন্দ্র নাগ। এ ছাড়া শৈলেন মুখোপাধ্যায়, সুবোধ মুখোপাধ্যায়, বামাপতি ভট্টাচার্য-সহ সে সময়ের স্বদেশি অনুরাগীরাও অংশ নিয়েছিলেন সেই মিছিলে।
কার্জন গেট থেকে বিসি রোড ধরে একটি পদযাত্রা হয়। সেই পদযাত্রায় অন্য অনেকের সঙ্গে ছিলেন তরুণ গোবিন্দচন্দ্র নাগ। এ ছাড়া শৈলেন মুখোপাধ্যায়, সুবোধ মুখোপাধ্যায়, বামাপতি ভট্টাচার্য-সহ সে সময়ের স্বদেশি অনুরাগীরাও অংশ নিয়েছিলেন সেই মিছিলে।
advertisement
6/9
বিসি রোড দিয়ে পদযাত্রা করে যাওয়ার সময় গোবিন্দচন্দ্র নাগ তার মিষ্টির দোকানটি দেখান নেতাজিকে। তখন তিনি গোবিন্দবাবুর দোকানে যান এবং সেখানে মিষ্টি খান। আর তারপর থেকেই গোবিন্দবাবু তার দোকানের নামকরণ করেন দেশনায়ক নেতাজির নামে।
বিসি রোড দিয়ে পদযাত্রা করে যাওয়ার সময় গোবিন্দচন্দ্র নাগ তার মিষ্টির দোকানটি দেখান নেতাজিকে। তখন তিনি গোবিন্দবাবুর দোকানে যান এবং সেখানে মিষ্টি খান। আর তারপর থেকেই গোবিন্দবাবু তার দোকানের নামকরণ করেন দেশনায়ক নেতাজির নামে।
advertisement
7/9
দোকানে ঢুকলেই দেখা যায় নেতাজির স্মৃতিচিহ্ন। সেই সময়ের পদযাত্রার সাদাকালো একটি ছবি। বর্তমানে নেতাজি মিষ্টান্ন ভান্ডারের দুটি শাখা রয়েছে। দুটি দোকানের নামই নেতাজী মিষ্টান্ন ভান্ডার। শুধু দোকান নয় তার বাড়িটির নামও নেতাজির নামেই।
দোকানে ঢুকলেই দেখা যায় নেতাজির স্মৃতিচিহ্ন। সেই সময়ের পদযাত্রার সাদাকালো একটি ছবি। বর্তমানে নেতাজি মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের দুটি শাখা রয়েছে। দুটি দোকানের নামই নেতাজী মিষ্টান্ন ভাণ্ডার। শুধু দোকান নয় তার বাড়িটির নামও নেতাজির নামেই।
advertisement
8/9
এমনকি সৌমেন বাবুর দাদুর শুরু করা প্রথা অনুযায়ী আজও প্রতিবছর নেতাজির জন্মদিন পালন করা হয়। ২৩ শে জানুয়ারি ফুল দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয় দোকান, মাল্যদান করা হয় নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তিতে। পাশাপাশি পথ চলতি সাধারন মানুষকে বিতরণ করা হয় লাড্ডু।
এমনকি সৌমেন বাবুর দাদুর শুরু করা প্রথা অনুযায়ী আজও প্রতিবছর নেতাজির জন্মদিন পালন করা হয়। ২৩ শে জানুয়ারি ফুল দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয় দোকান, মাল্যদান করা হয় নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তিতে। পাশাপাশি পথ চলতি সাধারন মানুষকে বিতরণ করা হয় লাড্ডু।
advertisement
9/9
প্রতিবছর নেতাজির জন্মদিন পালনের মধ্যে দিয়ে এভাবেই বর্ধমানের এই মিষ্টির দোকানটি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নেতাজির স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রেখেছে। বর্ধমান শহরের বুকে নেতাজি মিষ্টান্ন ভান্ডার শুধু একটি মিষ্টির দোকান নয়, এটি দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল নিদর্শন। (ছবি ও তথ্য: সায়নী সরকার)
প্রতিবছর নেতাজির জন্মদিন পালনের মধ্যে দিয়ে এভাবেই বর্ধমানের এই মিষ্টির দোকানটি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নেতাজির স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রেখেছে। বর্ধমান শহরের বুকে নেতাজি মিষ্টান্ন ভাণ্ডার শুধু একটি মিষ্টির দোকান নয়, এটি দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল নিদর্শন। (ছবি ও তথ্য: সায়নী সরকার)
advertisement
advertisement
advertisement