National School Games Result: দিঘায় 'ন্যাশনাল স্কুল গেমস' যোগাসন প্রতিযোগিতায় বাংলার জয়জয়কার! ৮টির মধ্যে ৭টি সোনা জিতে বাজিমাত রাজ্যের
- Reported by:Madan Maity
- hyperlocal
- Published by:Madhab Das
Last Updated:
National School Games Result: দিঘায় আয়োজিত জাতীয় যোগাসন প্রতিযোগিতায় অভাবনীয় সাফল্য বাংলার। মোট আটটি ইভেন্টের মধ্যে সাতটিতেই সোনা জিতে সেরার শিরোপা ছিনিয়ে নিল রাজ্যের প্রতিযোগীরা।
দিঘায় অনুষ্ঠিত ৬৯তম জাতীয় স্কুল যোগাসন প্রতিযোগিতায় সব রাজ্যকে পেছনে ফেলে বড় সাফল্য পেল বাংলা। আটটি বিভাগের মধ্যে সাতটি সোনা জিতে নজির গড়ল বাংলা। স্কুল গেমস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার উদ্যোগে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিদ্যালয় শিক্ষা দফতরের শারীরশিক্ষা ও ক্রীড়া শাখার পরিচালনায় এই প্রথম দিঘায় জাতীয় স্তরের যোগাসন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হল। বাংলার এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত ক্রীড়ামহল।
advertisement
অনূর্ধ্ব ১৪ বছর বালিকা বিভাগে বাংলার দাপট। আটটি সোনার মধ্যে সাতটিই জিতে নেয় বাংলার ছেলে-মেয়েরা। ব্যক্তিগত আর্টিস্টিক যোগাসন বিভাগে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ঐশানী বেরা অসাধারণ পারফরম্যান্স করে। অন্যান্য রাজ্যকে পিছনে ফেলে প্রথম স্থান অর্জন করে সে। একক ঐতিহ্যবাহী ট্রেডিশনাল যোগাসন প্রতিযোগিতাতেও ঐশিনী সোনা জিতে জোড়া সাফল্য পায়।
advertisement
আর্টিস্টিক যোগাসনের দ্বৈত বিভাগে নদিয়া জেলার সোনাক্ষি বিজলী ও পূরবী সাহা দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে সোনা জয় করে। তাদের সমন্বয় ও দক্ষতা বিচারকদের মুগ্ধ করে। দ্বৈত রিদমিক যোগাসন প্রতিযোগিতায় শালিনী দে ও শ্রেয়া মালো স্বর্ণপদক অর্জন করে। এই বিভাগেও বাংলার ধারাবাহিক সাফল্য বজায় থাকে। দিঘার যোগাসনের মঞ্চে সব রাজ্যকে পেছনে ফেলে বাংলার আধিপত্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
advertisement
অনূর্ধ্ব ১৪ বছর বালক বিভাগেও বাংলার সাফল্য। আর্টিস্টিক যোগাসনের দ্বৈত বিভাগে কৌশান মণ্ডল ও প্রিয়তোষ কুইতি স্বর্ণপদক লাভ করে। একই জুটি দ্বৈত রিদমিক যোগাসন প্রতিযোগিতাতেও সোনা জেতে। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী ট্রেডিশনাল যোগা প্রতিযোগিতায় সমৃদ্ধ মুখার্জী প্রথম স্থান অর্জন করেন। সব মিলিয়ে আটটির মধ্যে সাতটি সোনা জিতে বাংলার শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
advertisement
advertisement
৬৯তম জাতীয় স্কুল গেমস যোগাসনের কনভেনার বিজন সরকার বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষা দফতরের উদ্যোগে এই প্রতিযোগিতা দিঘায় আয়োজন করা হয়েছে। এখানে ৩৫টি রাজ্য ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে। পড়াশোনার পাশাপাশি ক্রীড়াক্ষেত্রেও বাংলা এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলার ছেলেমেয়েদের এই সাফল্য সেই অগ্রগতির স্পষ্ট প্রমাণ।









