Siliguri News : কালিয়াচক কাণ্ডে বড় সাফল্য! মূল অভিযুক্ত মোফাক্কেরুল ইসলাম ছাড়াও গ্রেফতার সহযোগী আক্রামুল বাগানি
- Reported by:Ricktik Bhattacharjee
- Published by:Rachana Majumder
Last Updated:
বুধবার রাতে এই AIMIM নেতাকে দেখা গিয়েছিল মালদহের কালিয়াচকের ২ ব্লকের অফিসের বাইরে জোটবদ্ধ জনতার সামনে ভাষণ দিতে। একটি গাড়ির বনেটে উঠে তিনি যে ভাষণ দিচ্ছিলেন। যেটি উস্কানিমূলক ছিল বলেই মত অধিকাংশের। এই উস্কানির জেরেই বিক্ষুব্ধ মানুষ ৭ বিচার বিভাগীয় আধিকারিককে ঘেরাও করেছিলেন বলে অভিযোগ।
কালিয়াচকের বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখার ঘটনায় উত্তাল গোটা রাজ্য। তারই মাঝে তদন্তে বড় সাফল্য পেল পুলিশ ও তদন্তকারী সংস্থা। শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে এই ঘটনার সাথে জড়িত মূল অভিযুক্ত মোফাক্কেরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হল বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে। একইসঙ্গে তাঁর সহযোগী আক্রামুল বাগানিকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
advertisement
পুলিশ সূত্রে খবর গ্রেফতার এড়াতে মোফাক্কেরুল ইসলাম বিমানপথে বেঙ্গালুরু পালানোর ছক করেছিলেন। শুক্রবার সকাল ১১ টা ৪০ মিনিটে ইন্ডিগোর বিমানে উঠার কথা ছিল তাঁর। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে আগে থেকেই বিমানবন্দর এলাকায় সাদা পোশাকে মোতায়ন ছিল পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা। বিমানে ওঠার আগেই তাঁকে আটক করা হয়।
advertisement
জানা গিয়েছে কলকাতা থেকে বিমানে করে বাগডোগরায় পৌঁছানোর পরেই তার গতিবিধির উপর নজরদারি শুরু করা হয় এবং সঠিক সময় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাগডোগরা থানায় নিয়ে যাওয়া হয় মোফাক্কেরুল ইসলাম ও আক্রামুল বাগানিকে। সেখান থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে মালদহে নিয়ে গিয়ে জেরা করা হবে বলে সূত্রের খবর।
advertisement
ধৃত মোফাক্কেরুল ইসলাম অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মিথ্যে বলে দাবি করেছেন। তাঁর দাবি, তিনি একটি মামলার কাজে উত্তরবঙ্গে যাচ্ছিলেন এবং আন্দোলনের প্রতি নৈতিক সমর্থন থাকলেও বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনায় কোন ভূমিকা নেই তাঁর। ঘটনাস্থলের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বক্তব্য রেখেছিলেন মাত্র। সূত্রের খবর সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশের পরই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একটি বিশেষ দল মালদহে পৌঁছানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিচারকদের আটকে রাখার পেছনে কোন ষড়যন্ত্র ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে। কৃতদের মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণ করেও গুরুত্বপূর্ণ সূত্র পাওয়ার আশায় রয়েছে তদন্তকারীরা।
advertisement
এদিকে এই মামলায় তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী আক্রামুল বাগানিকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান ধৃতদের জেরা করেই এই ঘটনার নেপথ্যে থাকা মূল বিষয়বস্তু ও সম্ভাব্য মাস্টারমাইন্ডদের খুঁজে বের করা সম্ভব হবে।প্রশাসনিক মহলের মতে এই জোড়া গ্রেফতারি তদন্তে গতি আনলেও এখনো অনেক প্রশ্নের উত্তর অজানা। সামনে আরো গ্রেফতার হতে পারে কিনা সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।





