IPAC Case: 'এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা!' মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলতেই জোর সওয়াল কপিল সিব্বালের! কী হবে এবার সুপ্রিম কোর্টে?
- Reported by:Maitreyee Bhattacharjee
- news18 bangla
- Published by:Suman Biswas
Last Updated:
IPAC Case: তুষার মেহেতার বক্তব্য, একজন উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক কীভাবে উর্দি পরে সেদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তল্লাশির মাঝে ঢুকেছিলেন?''
নয়াদিল্লি: I-PAC কাণ্ডে ইডি-র মামলায় সুপ্রিম কোর্টে শুনানিতে দু-পক্ষেরই জোর সওয়াল। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্তে বাধা, ফাইল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছে ইডি। কেবল মুখ্যমন্ত্রী নয়, সিপি, ডিজি-র বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ তোলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির এজলাসে এই মামলার শুনানি চলছে।
advertisement
সওয়াল জবাবের শুরুতেই ইডি-র তরফে আদালতে আবেদন জানানো হয়, যখনই তদন্ত চলছে, মুখ্যমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করছেন। এ ক্ষেত্রে আগের একাধিক ঘটনা উল্লেখ করে ইডি। শুরুতেই সলিসেটর জেনারেল তুষার মেহেতা একেবারে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে ডিজি রাজীব কুমার ও অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে সওয়াল করেন, যাঁরা সেদিন উপস্থিত ছিলেন।
advertisement
তুষার মেহেতার বক্তব্য, একজন উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক কীভাবে উর্দি পরে সেদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তল্লাশির মাঝে ঢুকেছিলেন? ফাইল যখন খতিয়ে দেখছিল ইডি, তিনি কীভাবে সেটা সেখান থেকে নিয়ে আসেন? এসজি বলেন, ''তল্লাশি চলাকালীন আমরা আমাদের ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কোন নথি সংগ্রহ করিনি। তদন্তের প্রয়োজনে নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।''
advertisement
বিচারপতি মিশ্র এরপর বলেন, ''আপনাদের যাঁরা গিয়েছিলেন তাঁদের অথোরাইজেশন লেটার ছিল?'' এসজি উত্তরে বলেন, ''একেবারেই ছিল। থানাকে জানানো হয়েছিল, এমনকি বিল্ডিংয়েও ঢোকার সময় দেখানো হয়েছিল। কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ‍্য ছিল না অভিযানের। মুখ‍্যমন্ত্রী কেন এতটা আশঙ্কিত হয়ে গেলেন এবং বার্জইন করলেন ডিজিপি পুলিশ সহ শীর্ষ কর্তাদের নিয়ে।''
advertisement
এরপরই বিচারপতি মিশ্র বলেন, ''অত‍্যন্ত সিরিয়াস ঘটনা। আমরা এই মামলা শুনব। আমরা নোটিস জারি করছি।'' এরপরই বিরোধী পক্ষের আইনজীবী কপিল সিব্বাল বলেন, ''আমি চেয়ারপার্সনের হয়ে সওয়াল করছি। এই মামলা হাইকোর্টে শোনা হোক। আমাদের আবেদন সেটাই। ওরা প‍্যারারাল প্রসিডিংস চাইছে। ওরা ৯ তারিখের ঘটনা তুলছে। সেদিন সত‍্যিই রাকাস হয়েছিল। কিন্তু হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নির্দেশের পর আগামীকাল শুনানি হয়েছে।''
advertisement
আরেক আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি বলেন, ''গতকালও ওঁরা সুপ্রিম কোর্টের কথা বলেই স্থগিতাদেশ চেয়েছে হাইকোর্টে।'' সেই সময়ই সিব্বাল বলেন, ''আইপ‍্যাক কারা, সেটা ইডি জানে। সেখানে পার্টির একাধিক নথি, তথ‍্য সব রাখা থাকে। প্রশ্ন হল, নির্বাচনের মুখে সেখানে যাওয়ার প্রয়োজন কেন পড়ল? ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেষ কয়লা মামলার আবেদন হয়েছে। এতদিন ওরা কী করছিল?সব নথি কম্পিউটারে থাকে। সেটা ওরা নিয়ে গেলে দল নির্বাচনে লড়বে কীভাবে?
advertisement
সিব্বালের সংযোজন, ''ইডি সকাল ৬টায় গিয়েছে। বেলা ১২টায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গিয়েছিলেন। চেয়ারম্যান হিসেবে ওঁর যাওয়ার অধিকার আছে। দলের নথি রক্ষা করতে। আমরাও অত‍্যন্ত ডিসটার্বড। কেন ইডি দু বছর অপেক্ষা করে এমন একটা যায়গায় যাবে, যেখানে নির্বাচন সংক্রান্ত দলীয় নথি রয়েছে। সব নথি নিয়ে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা।''
advertisement
সিব্বালের সংযোজন, ''সকাল ৬টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কোনও নথি সিজ করেনি? প্রতীক জৈনের ল‍্যাপটপ, একটা আইফোন এবং কিছু নথি নিয়ে এসেছেন তিনি। যেখানে দলের নথি থাকতে পারে। ইডি নিজের পঞ্চনামারই কন্ট্রাডিকটরি কথা বলছে। ওই অফিসে সব নথি রয়েছে, সেটা ভালোভাবে জেনেই নির্বাচন প্রক্রিয়া বিঘ্নিত করতে ইডি গিয়েছিল ওখানে।''







