advertisement

'রানিনগর' স্টেশনে দাঁড়াবে দু-দুটি এক্সপ্রেস ট্রেন...! কোন দুই ট্রেন দাঁড়াবে এবার? যাত্রীদের জন্য এল দারুণ সুসংবাদ

Last Updated:
  বছর পর যেন প্রাণ ফিরে পেতে চলেছে রানিনগর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকার জনজীবন ও ব্যবসা-বাণিজ্য। একই সঙ্গে শিলিগুড়ি ও কলকাতার সঙ্গে সাধারণ মানুষের যাতায়াতও হতে চলেছে অনেক বেশি সহজ। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর রানিনগর স্টেশনে পুনরায় দাঁড়ান শুরু করল তিস্তা–তোর্সা এক্সপ্রেস এবং বঙ্গাইগাঁও–শিলিগুড়ি ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস।
1/5
থমকে ছিল বহু বছর,ক্রমেই ফের গতি ফিরল এই স্টেশনে! এবার থেকে আবারও যাতায়াত হবে সহজ। রাণীনগরে আবারও থামল তিস্তা–তোর্সা ও ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসের চাকা। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবশেষে অবসান!
থমকে ছিল বহু বছর,ক্রমেই ফের গতি ফিরল এই স্টেশনে! এবার থেকে আবারও যাতায়াত হবে সহজ। রাণীনগরে আবারও থামল তিস্তা–তোর্সা ও ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসের চাকা। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবশেষে অবসান!
advertisement
2/5
বহু বছর পর যেন প্রাণ ফিরে পেতে চলেছে রানীনগর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকার জনজীবন ও ব্যবসা-বাণিজ্য। একই সঙ্গে শিলিগুড়ি ও কলকাতার সঙ্গে সাধারণ মানুষের যাতায়াতও হতে চলেছে অনেক বেশি সহজ। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর রানীনগর স্টেশনে পুনরায় দাঁড়ানো শুরু করল তিস্তা–তোর্সা এক্সপ্রেস এবং বঙ্গাইগাঁও–শিলিগুড়ি ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস।
বহু বছর পর যেন প্রাণ ফিরে পেতে চলেছে রানীনগর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকার জনজীবন ও ব্যবসা-বাণিজ্য। একই সঙ্গে শিলিগুড়ি ও কলকাতার সঙ্গে সাধারণ মানুষের যাতায়াতও হতে চলেছে অনেক বেশি সহজ। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর রানীনগর স্টেশনে পুনরায় দাঁড়ানো শুরু করল তিস্তা–তোর্সা এক্সপ্রেস এবং বঙ্গাইগাঁও–শিলিগুড়ি ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস।
advertisement
3/5
উল্লেখ্য, কয়েক বছর আগে এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন রানীনগর স্টেশনে স্টপেজ বাতিল হওয়ায় চরম সমস্যায় পড়েন এলাকার মানুষ। শিলিগুড়ি বা কলকাতায় যাতায়াত করতে বাধ্য হয়ে দূরের স্টেশনের উপর নির্ভর করতে হতো যাত্রীদের। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে। স্টেশন ঘিরে গড়ে ওঠা ছোট দোকান, হোটেল ও পরিবহণ ব্যবসা কার্যত ধুঁকতে শুরু করে। ধীরে ধীরে থমকে যায় এলাকার অর্থনৈতিক গতি।
উল্লেখ্য, কয়েক বছর আগে এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন রানীনগর স্টেশনে স্টপেজ বাতিল হওয়ায় চরম সমস্যায় পড়েন এলাকার মানুষ। শিলিগুড়ি বা কলকাতায় যাতায়াত করতে বাধ্য হয়ে দূরের স্টেশনের উপর নির্ভর করতে হতো যাত্রীদের। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে। স্টেশন ঘিরে গড়ে ওঠা ছোট দোকান, হোটেল ও পরিবহণ ব্যবসা কার্যত ধুঁকতে শুরু করে। ধীরে ধীরে থমকে যায় এলাকার অর্থনৈতিক গতি।
advertisement
4/5
অবশেষে জলপাইগুড়ির সাংসদ ডঃ জয়ন্ত কুমার রায়ের উদ্যোগে ফের চালু হল এই দুটি ট্রেনের স্টপেজ। রেল সূত্রে জানা গেছে, শিয়ালদা থেকে আলিপুরদুয়ারগামী তিস্তা–তোর্সা এক্সপ্রেস রানীনগর স্টেশনে রাত ৩টা ১ মিনিটে পৌঁছবে এবং ৩টা ৩ মিনিটে ছাড়বে—অর্থাৎ দু’মিনিটের স্টপেজ থাকবে।
অবশেষে জলপাইগুড়ির সাংসদ ডঃ জয়ন্ত কুমার রায়ের উদ্যোগে ফের চালু হল এই দুটি ট্রেনের স্টপেজ। রেল সূত্রে জানা গেছে, শিয়ালদা থেকে আলিপুরদুয়ারগামী তিস্তা–তোর্সা এক্সপ্রেস রানীনগর স্টেশনে রাত ৩টা ১ মিনিটে পৌঁছবে এবং ৩টা ৩ মিনিটে ছাড়বে—অর্থাৎ দু’মিনিটের স্টপেজ থাকবে।
advertisement
5/5
অন্যদিকে, নিউ জলপাইগুড়ি থেকে বঙ্গাইগাঁওগামী ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস সকাল ৭টা ৩৫ মিনিটে রানীনগর স্টেশনে পৌঁছবে এবং এক মিনিটের জন্য দাঁড়াবে। এই খবরে খুশি এলাকাবাসী। তাঁদের আশা, ট্রেন পরিষেবা ফের চালু হওয়ায় যাত্রী পরিষেবার পাশাপাশি রানীনগর স্টেশন ঘিরে আবারও ফিরবে ব্যবসা-বাণিজ্যের গতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ।
অন্যদিকে, নিউ জলপাইগুড়ি থেকে বঙ্গাইগাঁওগামী ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস সকাল ৭টা ৩৫ মিনিটে রানীনগর স্টেশনে পৌঁছবে এবং এক মিনিটের জন্য দাঁড়াবে।এই খবরে খুশি এলাকাবাসী। তাঁদের আশা, ট্রেন পরিষেবা ফের চালু হওয়ায় যাত্রী পরিষেবার পাশাপাশি রানীনগর স্টেশন ঘিরে আবারও ফিরবে ব্যবসা-বাণিজ্যের গতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ।
advertisement
advertisement
advertisement