advertisement

Indian Railways: বড় সুখবর! মেন ও কর্ড লাইনের মেলবন্ধন! বর্ধমান থেকে তারকেশ্বর যাওয়া এবার হবে আরও সহজ, নতুন রেলপথে বাঁচবে সময় ও টাকা

Last Updated:
Indian Railways: হাওড়া-বর্ধমান মেন ও কর্ড লাইনের মেলবন্ধনে শুরু হচ্ছে রসুলপুর-তারকেশ্বর নতুন রেলপথের সমীক্ষা। এই পথ চালু হলে বর্ধমান ও বাঁকুড়া থেকে তারকেশ্বর যাওয়ার দূরত্ব একধাক্কায় অনেক কমে যাবে
1/5
অবশেষে এলাকাবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে শুরু হতে চলেছে রসুলপুর থেকে তারকেশ্বর পর্যন্ত নতুন রেলপথের সমীক্ষার কাজ। এবার হাওড়া বর্ধমান মেন লাইনের সঙ্গে যুক্ত হবে হওড়া বর্ধমান কর্ড লাইন। ইতিমধ্যে এসেছে নতুন রেলপথের প্রস্তাব। এই রেলপথ চালু হলে বর্ধমান-বাঁকুড়া থেকে তারকেশ্বর যেতে হবে না ঘুর পথে। এটি হাওড়া-বর্ধমান মেন শাখার রসুলপুর থেকে শুরু হয়ে পাল্লা রোডে কর্ড লাইনে সংযুক্তি হবে এবং মশাগ্রামে মিলিত হবে মশাগ্রাম বাঁকুড়া রেলপথের সঙ্গে। এর ফলে একদিকে যেমন উপকৃত হবেন নিত্যযাত্রীরা ঠিক তেমনই কৃষি পণ্য সরবরাহ থেকে ব্যবসার ক্ষেত্রেও হবে সুবিধা। (তথ্য: সায়নী সরকার)
অবশেষে এলাকাবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে শুরু হতে চলেছে রসুলপুর থেকে তারকেশ্বর পর্যন্ত নতুন রেলপথের সমীক্ষার কাজ। এবার হাওড়া বর্ধমান মেন লাইনের সঙ্গে যুক্ত হবে হওড়া বর্ধমান কর্ড লাইন। ইতিমধ্যে এসেছে নতুন রেলপথের প্রস্তাব। এই রেলপথ চালু হলে বর্ধমান-বাঁকুড়া থেকে তারকেশ্বর যেতে হবে না ঘুর পথে। এটি হাওড়া-বর্ধমান মেন শাখার রসুলপুর থেকে শুরু হয়ে পাল্লা রোডে কর্ড লাইনে সংযুক্তি হবে এবং মশাগ্রামে মিলিত হবে মশাগ্রাম বাঁকুড়া রেলপথের সঙ্গে। এর ফলে একদিকে যেমন উপকৃত হবেন নিত্যযাত্রীরা ঠিক তেমনই কৃষি পণ্য সরবরাহ থেকে ব্যবসার ক্ষেত্রেও হবে সুবিধা। (তথ্য: সায়নী সরকার)
advertisement
2/5
বর্তমানে হাওড়া-বর্ধমান মেন লাইনের সঙ্গে কর্ড লাইনের সরাসরি কোনও যোগাযোগ নেই।বর্ধমান বা বাঁকুড়া থেকে হুগলির তারকেশ্বরে যেতে গেলে অনেক ঘুরপথে যাতায়াত করতে হয়।গত বছরই হাওড়া-বর্ধমান কর্ড শাখার মশাগ্রাম স্টেশন যুক্ত হয়েছে বিডিআর লাইনের সঙ্গে।
বর্তমানে হাওড়া-বর্ধমান মেন লাইনের সঙ্গে কর্ড লাইনের সরাসরি কোনও যোগাযোগ নেই।বর্ধমান বা বাঁকুড়া থেকে হুগলির তারকেশ্বরে যেতে গেলে অনেক ঘুরপথে যাতায়াত করতে হয়।গত বছরই হাওড়া-বর্ধমান কর্ড শাখার মশাগ্রাম স্টেশন যুক্ত হয়েছে বিডিআর লাইনের সঙ্গে।
advertisement
3/5
এবার কর্ড এবং মেন লাইন জুড়ে গেলে সরাসরি কমসময়ে তারকেশ্বর যাওয়ার যেমন সুবিধা হবে,তেমনি এই রেলপথ যেহেতু মশাগ্রামে বিডিআর রেলপথের সাথে যুক্ত হবে সেহেতু বাঁকুড়াও সরাসরি রেলপথেই যাওয়া যাবে। এতে সময়ও কম লাগবে আর অর্থও বাঁচবে। রসুলপুর,পাল্লা রোড কিংবা মশাগ্রামের বাসিন্দারা মনে করছেন, এই পথ তৈরি হলে মেন ও কর্ডের মধ্যে সংযোগ তৈরি হবে। অনেকটা পথ ঘুরে মেন বা কর্ড লাইনের ট্রেন ধরতে হবে না। তেমনি বাঁকুড়া, তারকেশ্বরও অনেক কাছে হয়ে যাবে।
এবার কর্ড এবং মেন লাইন জুড়ে গেলে সরাসরি কমসময়ে তারকেশ্বর যাওয়ার যেমন সুবিধা হবে,তেমনি এই রেলপথ যেহেতু মশাগ্রামে বিডিআর রেলপথের সাথে যুক্ত হবে সেহেতু বাঁকুড়াও সরাসরি রেলপথেই যাওয়া যাবে। এতে সময়ও কম লাগবে আর অর্থও বাঁচবে। রসুলপুর,পাল্লা রোড কিংবা মশাগ্রামের বাসিন্দারা মনে করছেন, এই পথ তৈরি হলে মেন ও কর্ডের মধ্যে সংযোগ তৈরি হবে। অনেকটা পথ ঘুরে মেন বা কর্ড লাইনের ট্রেন ধরতে হবে না। তেমনি বাঁকুড়া, তারকেশ্বরও অনেক কাছে হয়ে যাবে।
advertisement
4/5
কিন্তু কী কী পরিকল্পনা রয়েছে রেলের? রেলের প্রস্তাব, হাওড়া-বর্ধমান মেন লাইনের সঙ্গে পাল্লারোডে কর্ড লাইনের সংযোগ করা হবে। সে কারণে মেন লাইনের রসুলপুর থেকে পাল্লারোড পর্যন্ত ৭-৮ কিলোমিটারের নতুন রেলপথ তৈরি করবে রেল। মসাগ্রামে কর্ড লাইন আর বাঁকুড়া লাইনের মধ্যে ক্রশিং করার জন্যে ‘রেল ওভার রেল ব্রিজ’ বা আরওআর তৈরি হবে। যেখানে একই স্টেশনের জন্যে উপরে ও নীচে দু’টি প্লাটফর্ম থাকবে। মশাগ্রাম-বাঁকুড়া লাইনের মাঠনসিপুর স্টেশনটি হল্ট, সেই স্টেশনকেও উন্নীত করা হবে। মাঠনসিপুর থেকে হুগলির জঙ্গলপাড়া পর্যন্ত নতুন লাইন বসানো হবে।
কিন্তু কী কী পরিকল্পনা রয়েছে রেলের? রেলের প্রস্তাব, হাওড়া-বর্ধমান মেন লাইনের সঙ্গে পাল্লারোডে কর্ড লাইনের সংযোগ করা হবে। সে কারণে মেন লাইনের রসুলপুর থেকে পাল্লারোড পর্যন্ত ৭-৮ কিলোমিটারের নতুন রেলপথ তৈরি করবে রেল। মসাগ্রামে কর্ড লাইন আর বাঁকুড়া লাইনের মধ্যে ক্রশিং করার জন্যে ‘রেল ওভার রেল ব্রিজ’ বা আরওআর তৈরি হবে। যেখানে একই স্টেশনের জন্যে উপরে ও নীচে দু’টি প্লাটফর্ম থাকবে। মশাগ্রাম-বাঁকুড়া লাইনের মাঠনসিপুর স্টেশনটি হল্ট, সেই স্টেশনকেও উন্নীত করা হবে। মাঠনসিপুর থেকে হুগলির জঙ্গলপাড়া পর্যন্ত নতুন লাইন বসানো হবে।
advertisement
5/5
সম্প্রতি রেল বোর্ড মেমারির রসুলপুর থেকে পাল্লা রোড-মসাগ্রাম-মাঠনসিপুর হয়ে জঙ্গলপাড়া পর্যন্ত ৭৮ কিলোমিটার রেল পথের সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে।রেল সূত্রে জানা যায়, চূড়ান্ত সমীক্ষার পরে বিস্তারিত রিপোর্ট (ডিপিআর) তৈরি করে রেল বোর্ডে জমা দেওয়া হবে। যদিও হাওড়া ডিভিশনের রেলের উপদেষ্টা কমিটির (ডিআরইউসিসি) অন্যতম সদস্য, বর্ধমান চালকল মালিকদের সংগঠনের সভাপতি আব্দুল মালেক বলেন,প্রকল্প বাস্তবায়িত হতে হয়ত সময় লাগবে কিন্ত একটা নতুন রেলপথ চালু হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা বাড়লে বাণিজ্য-পর্যটনও বাড়বে। (তথ্য: সায়নী সরকার)
সম্প্রতি রেল বোর্ড মেমারির রসুলপুর থেকে পাল্লা রোড-মসাগ্রাম-মাঠনসিপুর হয়ে জঙ্গলপাড়া পর্যন্ত ৭৮ কিলোমিটার রেল পথের সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে।রেল সূত্রে জানা যায়, চূড়ান্ত সমীক্ষার পরে বিস্তারিত রিপোর্ট (ডিপিআর) তৈরি করে রেল বোর্ডে জমা দেওয়া হবে। যদিও হাওড়া ডিভিশনের রেলের উপদেষ্টা কমিটির (ডিআরইউসিসি) অন্যতম সদস্য, বর্ধমান চালকল মালিকদের সংগঠনের সভাপতি আব্দুল মালেক বলেন,প্রকল্প বাস্তবায়িত হতে হয়ত সময় লাগবে কিন্ত একটা নতুন রেলপথ চালু হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা বাড়লে বাণিজ্য-পর্যটনও বাড়বে। (তথ্য: সায়নী সরকার)
advertisement
advertisement
advertisement