advertisement

৮৩ বছরের জন্মদিন আজ...! 'হাওড়া ব্রিজ' তৈরিতে কত টন 'ইস্পাত' লেগেছিল জানেন? চমকে দেবে 'উত্তর'!

Last Updated:
Howrah Bridge GK: বিশ্বজোড়া খ্যাতি হাওড়া ব্রিজের! আর কয়েক বছর পার হলেই ১০০ বছরে হাওড়া ব্রিজ, হাওড়া ব্রিজ কবে পথচলা শুরু করেছিল জানেন? বাংলা তথা দেশের গর্বের রবীন্দ্র সেতু নির্মাণে কতটা ইস্পাত ব্যবহার করা হয়েছিল?
1/7
বাংলা তথা দেশের গর্বের রবীন্দ্র সেতু, ৮৩ বছরে হাওড়া ব্রিজ! এই দিনেই ১৯৪৩ সালে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল হাওড়া কলকাতা যুক্তকারি ঐতিহ্যবাহী এই সেতু। এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত সেতু হিসেবে পরিচিত। ( ছবি ও তথ্য: রাকেশ মাইতি)
বাংলা তথা দেশের গর্বের রবীন্দ্র সেতু, ৮৩ বছরে হাওড়া ব্রিজ! এই দিনেই ১৯৪৩ সালে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল হাওড়া কলকাতা যুক্তকারি ঐতিহ্যবাহী এই সেতু। এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত সেতু হিসেবে পরিচিত। ( ছবি ও তথ্য: রাকেশ মাইতি)
advertisement
2/7
ঐতিহ্যবাহী হাওড়া ব্রিজ বা রবীন্দ্র সেতু। প্রতিদিন প্রায় এক লক্ষেরও বেশি যানবাহন যাতায়াত করে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ পায়ে হেঁটে ব্রিজ পার হয়।
ঐতিহ্যবাহী হাওড়া ব্রিজ বা রবীন্দ্র সেতু। প্রতিদিন প্রায় এক লক্ষেরও বেশি যানবাহন যাতায়াত করে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ পায়ে হেঁটে ব্রিজ পার হয়।
advertisement
3/7
ব্রিটিশ আমলে নির্মিত, এটি একটি ক্যান্টিলিভার ব্রিজ। বর্তমানে ব্রিজটি যে স্থানে রয়েছে হুগলি সেতুর উপর। ১৮৭৪ সালে এটি ভাসমান ব্রিজ অর্থাৎ হাওড়া কলকাতাকে যুক্ত করেছিল একটি কাঠের পুন্টন ব্রিজ।
ব্রিটিশ আমলে নির্মিত, এটি একটি ক্যান্টিলিভার ব্রিজ। বর্তমানে ব্রিজটি যে স্থানে রয়েছে হুগলি সেতুর উপর। ১৮৭৪ সালে এটি ভাসমান ব্রিজ অর্থাৎ হাওড়া কলকাতাকে যুক্ত করেছিল একটি কাঠের পুন্টন ব্রিজ।
advertisement
4/7
বর্তমানে হাওড়া ব্রিজ বা রবীন্দ্র সেতু একটি ক্যান্টিলিভার ব্রিজ, যা বিশ্ব বিখ্যাত। বিশাল আকৃতির এই ব্রিজটি তৈরি করা হয়েছে কোনও রকম নাট বল্টু ছাড়া। এই ব্রিজ তৈরিতে ২৬ হাজার টন ইস্পাত ব্যবহার করা হয়েছে।
বর্তমানে হাওড়া ব্রিজ বা রবীন্দ্র সেতু একটি ক্যান্টিলিভার ব্রিজ, যা বিশ্ব বিখ্যাত। বিশাল আকৃতির এই ব্রিজটি তৈরি করা হয়েছে কোনও রকম নাট বল্টু ছাড়া। এই ব্রিজ তৈরিতে ২৬ হাজার টন ইস্পাত ব্যবহার করা হয়েছে।
advertisement
5/7
তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, শুরুতে এই ব্রিজ নির্মাণে বিদেশ থেকে ইস্পাত আমদানি করা হলেও পরবর্তী সময় অর্থাৎ সিংহভাগ ইস্পাত প্রায় ২৩ হাজার টন ইস্পাত ভারতীয় টাটা গোষ্ঠী সরবরাহ করে।
তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, শুরুতে এই ব্রিজ নির্মাণে বিদেশ থেকে ইস্পাত আমদানি করা হলেও পরবর্তী সময় অর্থাৎ সিংহভাগ ইস্পাত প্রায় ২৩ হাজার টন ইস্পাত ভারতীয় টাটা গোষ্ঠী সরবরাহ করে।
advertisement
6/7
ক্যান্টিলিভার হাওড়া ব্রিজ তৈরীর পরিকল্পনা শুরু হয় ১৯৩০ সাল নাগাদ। ব্রিজ তৈরির কাজ সম্পন্ন হয় ১৯৪২ সালে। জনসাধারণের ব্যবহার অর্থাৎ যাতায়াতের জন্য খুলে দেওয়া হয় ১৯৪৩ সালের ৩ রা ফেব্রুয়ারি।
ক্যান্টিলিভার হাওড়া ব্রিজ তৈরীর পরিকল্পনা শুরু হয় ১৯৩০ সাল নাগাদ। ব্রিজ তৈরির কাজ সম্পন্ন হয় ১৯৪২ সালে। জনসাধারণের ব্যবহার অর্থাৎ যাতায়াতের জন্য খুলে দেওয়া হয় ১৯৪৩ সালের ৩ রা ফেব্রুয়ারি।
advertisement
7/7
এই ব্রিজ বাংলার অন্যতম ঐতিহ্য এবং সারা দেশ ও পৃথিবীর মানুষের আগ্রহের বিষয়বস্তু। একসময় বাংলার ঐতিহ্য ট্রামগাড়ি এই ব্রিজ দিয়ে চলাচল করত, ব্রিজে ট্রাম লাইন বর্তমান । ১৯৬৫ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সম্মান জানাতে এই ব্রিজের নামকরণ করা হয় ' রবীন্দ্র সেতু '। (ছবি ও তথ্য: রাকেশ মাইতি)
এই ব্রিজ বাংলার অন্যতম ঐতিহ্য এবং সারা দেশ ও পৃথিবীর মানুষের আগ্রহের বিষয়বস্তু। একসময় বাংলার ঐতিহ্য ট্রামগাড়ি এই ব্রিজ দিয়ে চলাচল করত, ব্রিজে ট্রাম লাইন বর্তমান । ১৯৬৫ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সম্মান জানাতে এই ব্রিজের নামকরণ করা হয় ' রবীন্দ্র সেতু '। (ছবি ও তথ্য: রাকেশ মাইতি)
advertisement
advertisement
advertisement