advertisement

Ganga Pollution Update: গঙ্গাকে নিয়ে বিরাট সুখবর! কাটছে দূষণ, বাড়ছে ডলফিন, নতুন আশার আলো দেখছে প্রশাসন

Last Updated:
Ganga Pollution Update: গঙ্গায় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে গাঙ্গেয় ডলফিনের সংখ্যা। এক সময়ের বিলুপ্তপ্রায় এই স্তন্যপায়ী প্রাণী এখন গঙ্গার বিভিন্ন গতিপথে বারবার দেখা দিচ্ছে, যা পরিবেশের জন্য এক বড় সুখবর। মনে করা হচ্ছে গঙ্গার দূষণ কমেছে অনেকটাই। এই সংক্রান্ত আপডেট রইল এই প্রতিবেদনে।
1/5
গঙ্গা নদীর জলপথে ঘন ঘন গাঙ্গেয় ডলফিনের দেখা মিলছে, যা নদীর জলের মানোন্নয়নের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। ইতিমধ্যেই প্রজেক্ট ডলফিনে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত ডলফিনের গণনা হওয়ার কথা। (ছবি ও তথ্য: নবাব মল্লিক)
গঙ্গা নদীর জলপথে ঘন ঘন গাঙ্গেয় ডলফিনের দেখা মিলছে, যা নদীর জলের মানোন্নয়নের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। ইতিমধ্যেই প্রজেক্ট ডলফিনে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত ডলফিনের গণনা হওয়ার কথা। (ছবি ও তথ্য: নবাব মল্লিক)
advertisement
2/5
রাজ্য সরকারের দাবি, 'স্টেট মিশন ফর ক্লিন গঙ্গা' প্রকল্পের অধীনে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলেই এই ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে। শেষ পাঁচ বছরে অতিরিক্ত ৫৫৪ মিলিয়ন লিটার প্রতিদিন শোধন ক্ষমতাসম্পন্ন ৩২টি পয়ঃশোধনাগার (সিউয়েজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট) চালু হয়েছে।
রাজ্য সরকারের দাবি, 'স্টেট মিশন ফর ক্লিন গঙ্গা' প্রকল্পের অধীনে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলেই এই ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে। শেষ পাঁচ বছরে অতিরিক্ত ৫৫৪ মিলিয়ন লিটার প্রতিদিন শোধন ক্ষমতাসম্পন্ন ৩২টি পয়ঃশোধনাগার (সিউয়েজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট) চালু হয়েছে।
advertisement
3/5
নদীর জৈব-রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা মাত্রা ৩ মিলিগ্রাম/লিটার-এর নিচে নেমে এসেছে। ২০১৮ সালে যেখানে ছিল ১২ মিলিগ্রাম/লিটার এবং ২০২২ সালে ৮ মিলিগ্রাম/লিটার। ফলে জল আরও পরিষ্কার হয়েছে বলে তথ্যে উঠে এসেছে।
নদীর জৈব-রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা মাত্রা ৩ মিলিগ্রাম/লিটার-এর নিচে নেমে এসেছে। ২০১৮ সালে যেখানে ছিল ১২ মিলিগ্রাম/লিটার এবং ২০২২ সালে ৮ মিলিগ্রাম/লিটার। ফলে জল আরও পরিষ্কার হয়েছে বলে তথ্যে উঠে এসেছে।
advertisement
4/5
বর্তমানে ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলা, মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ ও জঙ্গিপুর এবং উত্তর ২৪ পরগনার উত্তর ব্যারাকপুরে চারটি নতুন এসটিপি কাজ করছে। ফলে ফারাক্কা থেকে ডায়মন্ড হারবার পর্যন্ত হুগলি নদীর পুরো অংশ 'সবচেয়ে কম দূষিত' শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছে।
বর্তমানে ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলা, মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ ও জঙ্গিপুর এবং উত্তর ২৪ পরগনার উত্তর ব্যারাকপুরে চারটি নতুন এসটিপি কাজ করছে। ফলে ফারাক্কা থেকে ডায়মন্ড হারবার পর্যন্ত হুগলি নদীর পুরো অংশ 'সবচেয়ে কম দূষিত' শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছে।
advertisement
5/5
এছাড়াও কাজ করছে হুগলির বৈদ্যবাটির আঞ্চলিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র। এর ফলে গঙ্গায় ফিকাল কলিফর্মের মাত্রা কমাবে। গাঙ্গেয় ডলফিনের সংখ্যা বৃদ্ধি শুধু পরিবেশের পক্ষে শুভ সংকেতই নয়, পাশাপাশি নদীকেন্দ্রিক পর্যটনের সম্ভাবনাও বাড়িয়ে তুলবে এবার। (ছবি ও তথ্য: নবাব মল্লিক)
এছাড়াও কাজ করছে হুগলির বৈদ্যবাটির আঞ্চলিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র। এর ফলে গঙ্গায় ফিকাল কলিফর্মের মাত্রা কমাবে। গাঙ্গেয় ডলফিনের সংখ্যা বৃদ্ধি শুধু পরিবেশের পক্ষে শুভ সংকেতই নয়, পাশাপাশি নদীকেন্দ্রিক পর্যটনের সম্ভাবনাও বাড়িয়ে তুলবে এবার। (ছবি ও তথ্য: নবাব মল্লিক)
advertisement
advertisement
advertisement