advertisement

Book Fair: মাত্র ১০ টাকায় মিলছে এন্ট্রির সুযোগ, চার হাজার টাকার বই কিনলেই বড় উপহার! মেলায় উপচে পড়া ভিড়

Last Updated:
East Bardhaman Book Fair: মেলায় বই কেনার আগ্রহ আরও বাড়াতে বড় উদ্যোগ। যেসব ক্রেতা চার হাজার টাকার বেশি বই কিনবেন, তাঁদের মেলার শেষ দিনে বিশেষভাবে সম্মানিত করা হবে। মেলায় শুধু বই নয়, রসনাতৃপ্তির দিক থেকেও রয়েছে একাধিক আকর্ষণ।
1/5
শুরু হয়ে গেল ৩৪তম কাটোয়া বইমেলা। কাটোয়া শহরের কাশীরাম দাস বিদ্যায়তনের মাঠ জুড়ে ইতিমধ্যেই জমে উঠেছে এই বইয়ের উৎসব। মাত্র ১০ টাকার প্রবেশমূল্যে সাধারণ মানুষ সহজেই মেলায় প্রবেশ করতে পারছেন। পাশাপাশি পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। যা দর্শকদের জন্য বাড়তি সুবিধা এনে দিয়েছে। (তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
শুরু হয়ে গেল ৩৪তম কাটোয়া বইমেলা। কাটোয়া শহরের কাশীরাম দাস বিদ্যায়তনের মাঠ জুড়ে ইতিমধ্যেই জমে উঠেছে এই বইয়ের উৎসব। মাত্র ১০ টাকার প্রবেশমূল্যে সাধারণ মানুষ সহজেই মেলায় প্রবেশ করতে পারছেন। পাশাপাশি পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। যা দর্শকদের জন্য বাড়তি সুবিধা এনে দিয়েছে। (তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
advertisement
2/5
এবারের বইমেলায় স্টলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বাংলা বইয়ের পাশাপাশি ইংরেজি, অনুবাদ এবং পুরনো বইয়ের বিশাল সংগ্রহ নজর কাড়ছে পাঠকদের। বইপ্রেমীরা নিজেদের পছন্দের বই খুঁজে পেতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এক স্টল থেকে অন্য স্টলে, ফলে মেলায় তৈরি হয়েছে এক প্রাণবন্ত পরিবেশ।
এবারের বইমেলায় স্টলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বাংলা বইয়ের পাশাপাশি ইংরেজি, অনুবাদ এবং পুরনো বইয়ের বিশাল সংগ্রহ নজর কাড়ছে পাঠকদের। বইপ্রেমীরা নিজেদের পছন্দের বই খুঁজে পেতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এক স্টল থেকে অন্য স্টলে, ফলে মেলায় তৈরি হয়েছে এক প্রাণবন্ত পরিবেশ।
advertisement
3/5
মেলায় আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক আবহও বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রামকৃষ্ণ আশ্রমের স্টলের পাশাপাশি এবছর ইসকনের একটি বড় স্টল বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে, প্রতিদিন বিকেল থেকে মঞ্চে গান, আবৃত্তি ও নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা দর্শকদের আরও বেশি করে টানছে মেলা প্রাঙ্গণে।
মেলায় আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক আবহও বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রামকৃষ্ণ আশ্রমের স্টলের পাশাপাশি এবছর ইসকনের একটি বড় স্টল বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে, প্রতিদিন বিকেল থেকে মঞ্চে গান, আবৃত্তি ও নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা দর্শকদের আরও বেশি করে টানছে মেলা প্রাঙ্গণে।
advertisement
4/5
শুধু বই নয়, রসনাতৃপ্তির দিক থেকেও মেলায় রয়েছে একাধিক আকর্ষণ। মেলা প্রাঙ্গনের ভিতরে ও বাইরে নানা ধরনের খাবারের স্টল বসেছে, যেখানে ভিড় জমাচ্ছেন দর্শনার্থীরা। স্থানীয় বাসিন্দা সঞ্জয় ঘোষ বলেন, “এবারে সত্যিই অনেক স্টল এসেছে, যেখানে বিভিন্ন বই রয়েছে। অনেক পুরনো বইয়ের স্টকও রয়েছে। আমরা যারা পড়তে ভালবাসি, তারা সারাবছর এই বইমেলার জন্য অপেক্ষা করি।
শুধু বই নয়, রসনাতৃপ্তির দিক থেকেও মেলায় রয়েছে একাধিক আকর্ষণ। মেলা প্রাঙ্গনের ভিতরে ও বাইরে নানা ধরনের খাবারের স্টল বসেছে, যেখানে ভিড় জমাচ্ছেন দর্শনার্থীরা। স্থানীয় বাসিন্দা সঞ্জয় ঘোষ বলেন, “এবারে সত্যিই অনেক স্টল এসেছে, যেখানে বিভিন্ন বই রয়েছে। অনেক পুরনো বইয়ের স্টকও রয়েছে। আমরা যারা পড়তে ভালবাসি, তারা সারাবছর এই বইমেলার জন্য অপেক্ষা করি।
advertisement
5/5
আগামী ২৩ মার্চ পর্যন্ত সাতদিন ধরে চলবে এই বইমেলা। এবারের অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে রাখা হয়েছে ‘ক্রেতা সম্মাননা’ কর্মসূচি। যেসব ক্রেতা চার হাজার টাকার বেশি বই কিনবেন, তাঁদের মেলার শেষ দিনে বিশেষভাবে সম্মানিত করা হবে। এই উদ্যোগে বই কেনার আগ্রহ আরও বাড়বে বলেই আশা করছেন আয়োজকেরা। (তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
আগামী ২৩ মার্চ পর্যন্ত সাতদিন ধরে চলবে এই বইমেলা। এবারের অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে রাখা হয়েছে ‘ক্রেতা সম্মাননা’ কর্মসূচি। যেসব ক্রেতা চার হাজার টাকার বেশি বই কিনবেন, তাঁদের মেলার শেষ দিনে বিশেষভাবে সম্মানিত করা হবে। এই উদ্যোগে বই কেনার আগ্রহ আরও বাড়বে বলেই আশা করছেন আয়োজকেরা। (তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
advertisement
advertisement
advertisement