Digha Special Train: দিঘা যাওয়া 'নো টেনশন'! বড় সুখবর রেলের, ফের বাড়ল দিঘা-পাঁশকুড়া স্পেশ্যাল ট্রেনের সময়সীমা

Last Updated:
Digha Special Train: সময়সীমা বাড়ল দিঘা-পাঁশকুড়া স্পেশ্যাল ট্রেনের, নতুন বছরের পর্যটকদের জন্য বড় খবর দক্ষিণ-পূর্ব রেলের।
1/6
দিঘায় ঘুরতে আসা পর্যটকদের জন্য বড় সুখবর দিল দক্ষিণ-পূর্ব রেল। আবারও দিঘা–পাঁশকুড়া স্পেশ্যাল ট্রেনের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। রেলের সিদ্ধান্তে খুশি যাত্রীরা। চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই বিশেষ ট্রেন। দিঘার জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের সময় যাত্রীদের সুবিধার কথা ভেবে ট্রেনটি চালু করা হয়েছিল। এই বিশেষ ট্রেন চালুতে পর্যটকদের যাতায়াত অনেকটাই সহজ হয়েছে। (তথ্য ও ছবি : মদন মাইতি)
দিঘায় ঘুরতে আসা পর্যটকদের জন্য বড় সুখবর দিল দক্ষিণ-পূর্ব রেল। আবারও দিঘা–পাঁশকুড়া স্পেশ্যাল ট্রেনের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। রেলের সিদ্ধান্তে খুশি যাত্রীরা। চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই বিশেষ ট্রেন। দিঘার জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের সময় যাত্রীদের সুবিধার কথা ভেবে ট্রেনটি চালু করা হয়েছিল। এই বিশেষ ট্রেন চালুতে পর্যটকদের যাতায়াত অনেকটাই সহজ হয়েছে। (তথ্য ও ছবি : মদন মাইতি)
advertisement
2/6
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, যাত্রী সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে শীতের মরশুমে দিঘায় পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে যায়। সেই কারণেই ট্রেনটির সময়সীমা ১৬ জানুয়ারি থেকে বাড়িয়ে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে দিঘাগামী পর্যটকরা অনেকটাই উপকৃত হবেন। খুশি জেলার রেল যাত্রীরাও।
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, যাত্রী সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে শীতের মরশুমে দিঘায় পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে যায়। সেই কারণেই ট্রেনটির সময়সীমা ১৬ জানুয়ারি থেকে বাড়িয়ে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে দিঘাগামী পর্যটকরা অনেকটাই উপকৃত হবেন। খুশি জেলার রেল যাত্রীরাও।
advertisement
3/6
০৮১১৭ আপ স্পেশ্যাল ট্রেনটি প্রতিদিন সকাল ৭টায় পাঁশকুড়া স্টেশন থেকে ছাড়ে। এই ট্রেনটি সকাল ৯টা ২০ মিনিটে দিঘায় পৌঁছায়। সকালবেলার যাত্রীদের কাছে এই সময়সূচি বেশ সুবিধাজনক। অফিসযাত্রী ও পর্যটক দুই পক্ষই এই ট্রেনে যাতায়াত করছেন। নির্দিষ্ট সময়ে ট্রেন চলায় যাত্রার পরিকল্পনা করা সহজ হচ্ছে। তাই ট্রেনটির চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে।
০৮১১৭ আপ স্পেশ্যাল ট্রেনটি প্রতিদিন সকাল ৭টায় পাঁশকুড়া স্টেশন থেকে ছাড়ে। এই ট্রেনটি সকাল ৯টা ২০ মিনিটে দিঘায় পৌঁছায়। সকালবেলার যাত্রীদের কাছে এই সময়সূচি বেশ সুবিধাজনক। অফিসযাত্রী ও পর্যটক দুই পক্ষই এই ট্রেনে যাতায়াত করছেন। নির্দিষ্ট সময়ে ট্রেন চলায় যাত্রার পরিকল্পনা করা সহজ হচ্ছে। তাই ট্রেনটির চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে।
advertisement
4/6
অন্যদিকে, ০৮১১৮ ডাউন স্পেশ্যাল ট্রেনটি সকাল সাড়ে ৯টায় দিঘা থেকে যাত্রা শুরু করে। এই ট্রেনটি সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে পাঁশকুড়া স্টেশনে পৌঁছায়। ফেরার সময়েও যাত্রীদের জন্য সময়সূচি যথেষ্ট সুবিধাজনক। সকালবেলায় সমুদ্র দর্শন করে সহজেই ফেরা যায়। তাই পর্যটকদের মধ্যে এই ট্রেনের জনপ্রিয়তা চোখে পড়ার মতো। নিয়মিত যাত্রী সংখ্যাও বাড়ছে বলে জানা গিয়েছে।
অন্যদিকে, ০৮১১৮ ডাউন স্পেশ্যাল ট্রেনটি সকাল সাড়ে ৯টায় দিঘা থেকে যাত্রা শুরু করে। এই ট্রেনটি সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে পাঁশকুড়া স্টেশনে পৌঁছায়। ফেরার সময়েও যাত্রীদের জন্য সময়সূচি যথেষ্ট সুবিধাজনক। সকালবেলায় সমুদ্র দর্শন করে সহজেই ফেরা যায়। তাই পর্যটকদের মধ্যে এই ট্রেনের জনপ্রিয়তা চোখে পড়ার মতো। নিয়মিত যাত্রী সংখ্যাও বাড়ছে বলে জানা গিয়েছে।
advertisement
5/6
এই স্পেশ্যাল ট্রেনটি যাত্রাপথে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে দাঁড়ায়। তমলুক, নন্দকুমার, নাচিন্দা, কাঁথি ও রামনগর স্টেশনে থামে ট্রেনটি। ফলে শুধু দিঘা নয়, মন্দারমণি ও তাজপুরগামী পর্যটকরাও সুবিধা পাচ্ছেন। উপকূলবর্তী বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত সহজ হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদেরও যাত্রার সুবিধা বেড়েছে।
এই স্পেশ্যাল ট্রেনটি যাত্রাপথে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে দাঁড়ায়। তমলুক, নন্দকুমার, নাচিন্দা, কাঁথি ও রামনগর স্টেশনে থামে ট্রেনটি। ফলে শুধু দিঘা নয়, মন্দারমণি ও তাজপুরগামী পর্যটকরাও সুবিধা পাচ্ছেন। উপকূলবর্তী বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত সহজ হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদেরও যাত্রার সুবিধা বেড়েছে।
advertisement
6/6
পাঁশকুড়া–হলদিয়া–দিঘা সাউথ ইস্টার্ন রেলওয়ে প্যাসেঞ্জারস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সরোজ কুমার ঘড়া জানান, রেলের এই সিদ্ধান্তে তাঁরা খুবই খুশি। দিঘায় পর্যটকের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বছর শেষ, বছরের শুরু কিংবা উৎসবের মরশুমে দিঘাই থাকে রাজ্যবাসীর প্রথম পছন্দ। সেই কারণেই রেল কর্তৃপক্ষ সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মত সংশ্লিষ্ট মহলের। (তথ্য ও ছবি : মদন মাইতি)
পাঁশকুড়া–হলদিয়া–দিঘা সাউথ ইস্টার্ন রেলওয়ে প্যাসেঞ্জারস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সরোজ কুমার ঘড়া জানান, রেলের এই সিদ্ধান্তে তাঁরা খুবই খুশি। দিঘায় পর্যটকের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বছর শেষ, বছরের শুরু কিংবা উৎসবের মরশুমে দিঘাই থাকে রাজ্যবাসীর প্রথম পছন্দ। সেই কারণেই রেল কর্তৃপক্ষ সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মত সংশ্লিষ্ট মহলের। (তথ্য ও ছবি : মদন মাইতি)
advertisement
advertisement
advertisement