advertisement

Digha: সমুদ্রের অতন্দ্র প্রহরী! নিজের জীবন বাজি রেখে পর্যটকদের প্রাণ বাঁচান যাঁরা, চিনে নিন দিঘার প্রকৃত নায়কদের

Last Updated:
উত্তাল সমুদ্রের ঢেউয়ের মাঝে পর্যটকদের অতন্দ্র প্রহরী দিঘার নুলিয়ারা। ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে কীভাবে তাঁরা নিজেদের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে অন্যের প্রাণ বাঁচান, জানুন সেই বীরত্বগাথা
1/6
সমুদ্রের ধারে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন। কারও হাতে মাইক। কারও চোখ সারাক্ষণ জলের দিকে। দূরে ঢেউয়ের গর্জন। কখনও শান্ত, কখনও হঠাৎই ভয়ংকর রূপ নেয় সমুদ্র। ঠিক তখনই নিঃশব্দে সক্রিয় হয়ে ওঠেন এঁরা। পর্যটকরা আনন্দে উল্লাসে ব্যস্ত থাকলেও, এদের চোখে ঘুম নেই। কারণ এক মুহূর্তের অসতর্কতা মানেই বড় বিপদ। (তথ্য ও ছবি: মদন মাইতি)
সমুদ্রের ধারে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন। কারও হাতে মাইক। কারও চোখ সারাক্ষণ জলের দিকে। দূরে ঢেউয়ের গর্জন। কখনও শান্ত, কখনও হঠাৎই ভয়ংকর রূপ নেয় সমুদ্র। ঠিক তখনই নিঃশব্দে সক্রিয় হয়ে ওঠেন এঁরা। পর্যটকরা আনন্দে উল্লাসে ব্যস্ত থাকলেও, এদের চোখে ঘুম নেই। কারণ এক মুহূর্তের অসতর্কতা মানেই বড় বিপদ। (তথ্য ও ছবি: মদন মাইতি)
advertisement
2/6
ঝড় হোক বা বৃষ্টি, রোদ হোক বা কুয়াশা—এরা সমুদ্রের ধারে থাকা যেন অলিখিত নিয়ম। পর্যটকদের বিপদ দেখলেই নিজের জীবনে ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রে ঝাঁপিয়ে পড়ে এরা। কিন্তু প্রশ্ন হল, কারা এরা? কেনই বা সব বিপদের মুখে নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে সবার আগে দাঁড়িয়ে যায় এঁরা?
ঝড় হোক বা বৃষ্টি, রোদ হোক বা কুয়াশা—এরা সমুদ্রের ধারে থাকা যেন অলিখিত নিয়ম। পর্যটকদের বিপদ দেখলেই নিজের জীবনে ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রে ঝাঁপিয়ে পড়ে এরা। কিন্তু প্রশ্ন হল, কারা এরা? কেনই বা সব বিপদের মুখে নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে সবার আগে দাঁড়িয়ে যায় এঁরা?
advertisement
3/6
পর্যটকদের কেউ সমুদ্রে তলিয়ে গেলে বা বিপদে পড়লে এক মুহূর্তও দেরি করেন না এরা। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন উত্তাল সমুদ্রে। ঢেউয়ের তোয়াক্কা না করে ছুটে যান সাহায্যের জন্য। মাইক হাতে পর্যটকদের সতর্ক করেন, বেশি গভীরে যাবেন না। সমুদ্র খারাপ থাকলে স্নান নিষেধ বলে বারবার মাইকিং করেন। কখনও আবার স্পিডবোটে চেপে সমুদ্রে নামেন। লক্ষ্য একটাই, পর্যটকদের নিরাপদ রাখা। পরিবারের কথা, নিজের জীবনের কথা তখন গৌণ হয়ে যায়। অন্যের জীবনটাই হয়ে ওঠে আসল।
পর্যটকদের কেউ সমুদ্রে তলিয়ে গেলে বা বিপদে পড়লে এক মুহূর্তও দেরি করেন না এরা। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন উত্তাল সমুদ্রে। ঢেউয়ের তোয়াক্কা না করে ছুটে যান সাহায্যের জন্য। মাইক হাতে পর্যটকদের সতর্ক করেন, বেশি গভীরে যাবেন না। সমুদ্র খারাপ থাকলে স্নান নিষেধ বলে বারবার মাইকিং করেন। কখনও আবার স্পিডবোটে চেপে সমুদ্রে নামেন। লক্ষ্য একটাই, পর্যটকদের নিরাপদ রাখা। পরিবারের কথা, নিজের জীবনের কথা তখন গৌণ হয়ে যায়। অন্যের জীবনটাই হয়ে ওঠে আসল।
advertisement
4/6
দিঘার এই রিয়েল হিরোদের বলা হয় নুলিয়া। ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট ও সিভিল ডিফেন্স কর্মী হিসেবেও পরিচিত তাঁরা। বছরের পর বছর ধরে কত পর্যটকের জীবন যে এরা বাঁচিয়েছেন, তার হিসেব নেই। ২০১৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বর উত্তাল সমুদ্রে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্নান করতে নেমেছিলেন এক পর্যটক। বিপদ বুঝে ঝাঁপিয়ে পড়েন এক নুলিয়া। নিজের জীবন বাজি রেখে তাঁকে উদ্ধার করেন তিনি। আবার ২০২১ সালের ৪ মার্চ, দিঘায় পর্যটককে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারান এক নুলিয়া।
দিঘার এই রিয়েল হিরোদের বলা হয় নুলিয়া। ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট ও সিভিল ডিফেন্স কর্মী হিসেবেও পরিচিত তাঁরা। বছরের পর বছর ধরে কত পর্যটকের জীবন যে এরা বাঁচিয়েছেন, তার হিসেব নেই। ২০১৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বর উত্তাল সমুদ্রে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্নান করতে নেমেছিলেন এক পর্যটক। বিপদ বুঝে ঝাঁপিয়ে পড়েন এক নুলিয়া। নিজের জীবন বাজি রেখে তাঁকে উদ্ধার করেন তিনি। আবার ২০২১ সালের ৪ মার্চ, দিঘায় পর্যটককে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারান এক নুলিয়া।
advertisement
5/6
ঘটনার তালিকা এখানেই শেষ নয়। ২০২৫ সালের ২৪ মে, আচমকাই ধেয়ে আসে বিশাল ঢেউ। মুহূর্তের মধ্যে নিখোঁজ হয়ে যান এক পর্যটক। চারদিকে আতঙ্ক। ঠিক তখনই আবার ঝাঁপ দেন এক নুলিয়া।
ঘটনার তালিকা এখানেই শেষ নয়। ২০২৫ সালের ২৪ মে, আচমকাই ধেয়ে আসে বিশাল ঢেউ। মুহূর্তের মধ্যে নিখোঁজ হয়ে যান এক পর্যটক। চারদিকে আতঙ্ক। ঠিক তখনই আবার ঝাঁপ দেন এক নুলিয়া।
advertisement
6/6
প্রবল স্রোতের সঙ্গে লড়াই করে বহু চেষ্টার পর উদ্ধার করা হয় বিপন্ন পর্যটককে। এমন উদাহরণ দিঘায় অসংখ্য। ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে, নিজের পরিবারকে পিছনে রেখে এরা প্রতিদিন দাঁড়িয়ে থাকেন সমুদ্রের ধারে। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায়—দিঘার রিয়েল হিরো কারা এই নুলিয়ারাই। (তথ্য ও ছবি: মদন মাইতি)
প্রবল স্রোতের সঙ্গে লড়াই করে বহু চেষ্টার পর উদ্ধার করা হয় বিপন্ন পর্যটককে। এমন উদাহরণ দিঘায় অসংখ্য। ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে, নিজের পরিবারকে পিছনে রেখে এরা প্রতিদিন দাঁড়িয়ে থাকেন সমুদ্রের ধারে। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায়—দিঘার রিয়েল হিরো কারা এই নুলিয়ারাই। (তথ্য ও ছবি: মদন মাইতি)
advertisement
advertisement
advertisement