advertisement

Birbhum News: বীরভূমের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় মরণফাঁদ! যেকোনও মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে কঙ্কালসার সেতু, বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা

Last Updated:
Birbhum News: বীরভূমের গুরুত্বপূর্ণ সেতুর কঙ্কালসার চেহারা বেরিয়ে এসেছে। ব্রিজের পলেস্তারা খসে গিয়েছে, বেরিয়ে এসেছে ভিতরের রড। যেকোনও সময় এই সেতু ভেঙে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
1/5
দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ইলামবাজার-পাড়ুই রাস্তার কাটনা গ্রামের কাছে সেচখালের উপরের সেতু এখন কঙ্কালসার হয়ে পড়েছে। সেতুর পলেস্তারা খসে বেরিয়ে এসেছে ভিতরের রড। শুধু তাই নয়, অনবরত ভারী যানবাহন চলাচলের ফলে সেতুর একটি অংশ বিপজ্জনকভাবে দেবে গিয়েছে। যেকোনও মুহূর্তে সেতুটি ভেঙে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটতে পারে বলে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। (ছবি ও তথ্যঃ সুদীপ্ত গড়াই)
দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ইলামবাজার-পাড়ুই রাস্তার কাটনা গ্রামের কাছে সেচখালের উপরের সেতু এখন কঙ্কালসার হয়ে পড়েছে। সেতুর পলেস্তারা খসে বেরিয়ে এসেছে ভিতরের রড। শুধু তাই নয়, অনবরত ভারী যানবাহন চলাচলের ফলে সেতুর একটি অংশ বিপজ্জনকভাবে দেবে গিয়েছে। যেকোনও মুহূর্তে সেতুটি ভেঙে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটতে পারে বলে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। (ছবি ও তথ্যঃ সুদীপ্ত গড়াই)
advertisement
2/5
বাম আমলে ময়ূরাক্ষী সেচ দফতরের উদ্যোগে নির্মিত এই সেতুটি এলাকার অন্যতম লাইফলাইন। প্রায় ৫০ ফুট লম্বা ও ১০ ফুট চওড়া এই সেতুটি ইলামবাজার ও পাড়ুইয়ের মধ্যে যোগাযোগের প্রধান ভরসা। এই পথ দিয়ে নানাসোল, বিলাতি, ধরমপুর, মঙ্গলডিহি ও অবিনাশপুর গ্রামের মানুষ অনায়াসে যাতায়াত করেন। এমনকি ইলামবাজার-পাড়ুই রুটের যাত্রীবাহী বাস যাতায়াতেরও এটিই মূল পথ।
বাম আমলে ময়ূরাক্ষী সেচ দফতরের উদ্যোগে নির্মিত এই সেতুটি এলাকার অন্যতম লাইফলাইন। প্রায় ৫০ ফুট লম্বা ও ১০ ফুট চওড়া এই সেতুটি ইলামবাজার ও পাড়ুইয়ের মধ্যে যোগাযোগের প্রধান ভরসা। এই পথ দিয়ে নানাসোল, বিলাতি, ধরমপুর, মঙ্গলডিহি ও অবিনাশপুর গ্রামের মানুষ অনায়াসে যাতায়াত করেন। এমনকি ইলামবাজার-পাড়ুই রুটের যাত্রীবাহী বাস যাতায়াতেরও এটিই মূল পথ।
advertisement
3/5
সেতুটির বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত করুণ। দু'ধারের রেলিং ভেঙে পড়েছে এবং সেতুর অধিকাংশ জায়গায় চওড়া ফাটল দেখা দিয়েছে। অতিরিক্ত পণ্যবাহী লরি চলাচলের চাপ নিতে না পেরে সেতুটি ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ছে। সংস্কারের অভাব প্রতিটি ইটে স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।
সেতুটির বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত করুণ। দু'ধারের রেলিং ভেঙে পড়েছে এবং সেতুর অধিকাংশ জায়গায় চওড়া ফাটল দেখা দিয়েছে। অতিরিক্ত পণ্যবাহী লরি চলাচলের চাপ নিতে না পেরে সেতুটি ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ছে। সংস্কারের অভাব প্রতিটি ইটে স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।
advertisement
4/5
ইলামবাজারের বিডিও অনির্বাণ মজুমদার জানিয়েছেন, ২০২৩ সাল থেকেই তাঁরা সেচ দফতরকে সেতুটির বিপজ্জনক অবস্থা সম্পর্কে বারবার অবহিত করেছেন। এমনকি পরিস্থিতি সামাল দিতে ওই রাস্তায় ভারী গাড়ি চলাচলের উপর প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়নি, ফলে পরিস্থিতির কোনও উন্নতিও ঘটেনি।
ইলামবাজারের বিডিও অনির্বাণ মজুমদার জানিয়েছেন, ২০২৩ সাল থেকেই তাঁরা সেচ দফতরকে সেতুটির বিপজ্জনক অবস্থা সম্পর্কে বারবার অবহিত করেছেন। এমনকি পরিস্থিতি সামাল দিতে ওই রাস্তায় ভারী গাড়ি চলাচলের উপর প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়নি, ফলে পরিস্থিতির কোনও উন্নতিও ঘটেনি।
advertisement
5/5
প্রশাসনের এই ঢিলেঢালা মনোভাবে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। তাঁদের দাবি, বারংবার জানানো সত্ত্বেও কেন সেচ দফতর মেরামতির কাজে হাত দিচ্ছে না? প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে বাস ও অন্য যানবাহন চলাচল করায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এখন তলানিতে। বড় কোনও বিপর্যয়ের আগেই দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা। (ছবি ও তথ্যঃ সুদীপ্ত গড়াই)
প্রশাসনের এই ঢিলেঢালা মনোভাবে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। তাঁদের দাবি, বারংবার জানানো সত্ত্বেও কেন সেচ দফতর মেরামতির কাজে হাত দিচ্ছে না? প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে বাস ও অন্য যানবাহন চলাচল করায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এখন তলানিতে। বড় কোনও বিপর্যয়ের আগেই দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা। (ছবি ও তথ্যঃ সুদীপ্ত গড়াই)
advertisement
advertisement
advertisement