Birbhum News: খয়রাশোলে ভয়াবহ দাবানল! সমাজসেবীর তৎপরতায় রক্ষা পেল গোটা গ্রাম, অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা
- Reported by:Sudipta Garain
- Published by:Madhab Das
Last Updated:
Birbhum News: খয়রাশোলে জঙ্গলের আগুন লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়ার আগেই রুখে দিলেন স্থানীয় সমাজসেবী। তারই তৎপরতায় খবর পায় প্রশাসন। আর তারপরেই শুরু হয় আগুন নেভানোর তৎপরতা। বীরভূমের এই রোমহর্ষক ঘটনার কাহিনি রইল আমাদের প্রতিবেদনে।
খয়রাশোল আইটিআই সংলগ্ন জঙ্গলে বিধ্বংসী আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেল কলেজ ও সংলগ্ন এলাকা। চৈত্র-বৈশাখের শুরুতেই তীব্র দাবদাহে পুড়ছে জেলা। এর মধ্যেই খয়রাশোল আইটিআই কলেজ সংলগ্ন জঙ্গলে আগুন লেগে ছড়িয়ে পড়ল তীব্র আতঙ্ক। রবিবার দুপুরে লোকপুর থানার অন্তর্গত নাকড়াকোন্দা থেকে সারসা মোড়গামী রাস্তার ধারে তিতিক্ষাপুর গ্রাম সংলগ্ন এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। (ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই)
advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রীষ্মের তাপে বনাঞ্চল ও রাস্তার ধারের আগাছা শুকিয়ে ঝরঝরে হয়ে রয়েছে। এদিন দুপুরে হঠাৎই সেই শুকনো পাতায় আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পাওয়া যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের অনুমান, কেউ বা কারা নিছক 'আনন্দ' উপভোগ করার জন্য বা অসাবধানতাবশত আগুন জ্বালিয়ে পালিয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে সেই আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং খয়রাশোল আইটিআই কলেজ সংলগ্ন জঙ্গলে ছড়িয়ে পড়ে।
advertisement
রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় আগুনের ভয়াবহতা নজরে আসে সমাজসেবী কাঞ্চন দে-র। তিনি সময় নষ্ট না করে তৎক্ষণাৎ লোকপুর থানা, দুবরাজপুর অগ্নিনির্বাপক কেন্দ্র এবং খয়রাশোল ফরেস্ট অফিসে খবর দেন। খবর দেওয়ার পাশাপাশি তিনি স্থানীয় বাসিন্দা ও কর্তব্যরত সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়ে গাছের ডালপালা দিয়ে আগুন নেভানোর প্রাথমিক চেষ্টা শুরু করেন।
advertisement
বাতাসের গতিবেগ বেশি থাকায় আগুন দ্রুত ছড়াতে শুরু করায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে খবর পেয়ে দুবরাজপুর দমকল কেন্দ্রের একটি ইঞ্জিন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। দমকল কর্মীদের বেশ কিছুক্ষণের প্রচেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে। সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নেওয়ায় আইটিআই কলেজ বা তিতিক্ষাপুর গ্রামের বড়সড় ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া গিয়েছে।
advertisement
উল্লেখ্য, সরকারিভাবে মাঠে নাড়া পোড়ানো বা জঙ্গলে আগুন লাগানোর ব্যাপারে কঠোর বিধিনিষেধ ও সচেতনতার বার্তা দেওয়া হলেও একশ্রেণীর মানুষ এখনও এই অবিবেচকের মতো কাজ করে চলেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সামান্য আনন্দের বশে লাগানো এই আগুন যেকোন সময় বড়সড় দুর্ঘটনা বা প্রাণহানির কারণ হতে পারে। (ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই)







