Bankura News: পটচিত্রে নতুন প্রাণের সন্ধান, লতাপাতার রঙে ফুটে উঠল জীবন্ত ছবি! সঙ্কট আর ভবিষ্যতের লড়াই এক ফ্রেমে
- Reported by:Nilanjan Banerjee
- hyperlocal
- Published by:Nayan Ghosh
Last Updated:
Bankura News: পটুয়া শিল্পীদের অংশগ্রহণে প্রাকৃতিক ও জৈব রঙ ব্যবহার করে লাইভ পটচিত্র অঙ্কনের আয়োজন করা হয়।
লোকশিল্প, স্বাস্থ্য ও মানবিক উদ্যোগকে কেন্দ্র করে বাঁকুড়া জেলার পটচিত্র শিল্পগ্রাম ভরতপুরে এক ব্যতিক্রমী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। লোকসংহিতা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে লোকঐতিহ্য সংরক্ষণ ও কমিউনিটি উন্নয়নের এক অনন্য দৃষ্টান্ত উঠে আসে। (ছবি ও তথ্য - নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
advertisement
এই উপলক্ষে ভরতপুরের পটচিত্র শিল্পীদের গ্রামে শিশু, মহিলা, নবীন ও প্রবীণ পটুয়া শিল্পীদের অংশগ্রহণে প্রাকৃতিক ও জৈব রঙ ব্যবহার করে লাইভ পটচিত্র অঙ্কনের আয়োজন করা হয়। শিল্পচর্চার মাধ্যমে লোকশিল্পের ঐতিহ্যকে সম্মান জানানো এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে এই শিল্পের প্রতি আগ্রহ ও শ্রদ্ধা গড়ে তোলাই ছিল এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
advertisement
এই কর্মযজ্ঞের মূল কান্ডারী সংহিতা মিত্র বলেন,"শিল্পচর্চার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয় একটি স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির। এই শিবিরে পটচিত্র শিল্পী ও স্থানীয় গ্রামবাসীরা প্রাথমিক চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণ করেন। পাশাপাশি পুষ্টিকর খাদ্য বিতরণ করা হয়, যা স্বাস্থ্য সচেতনতা ও সামগ্রিক কল্যাণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।"
advertisement
advertisement
ভরতপুরের পটচিত্র শিল্প শুধু একটি লোকশিল্প নয়, এটি বাংলার মাটির ইতিহাস ও মানুষের জীবনের কথা বলে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে পটুয়া শিল্পীরা রঙ ও রেখার ভাষায় সমাজ, সংস্কৃতি ও বিশ্বাসকে তুলে ধরেছেন। আজ এই শিল্প বিশ্ব সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়েও অস্তিত্বের সংকটে দাঁড়িয়ে। আধুনিকতার দাপটে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে হাতে আঁকা পটচিত্রের কদর। বাজারমুখী শিল্পের ভিড়ে লোকশিল্পের জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়ছে প্রতিদিন। ফলে বহু পটুয়া পরিবার জীবিকার অনিশ্চয়তার মুখে পড়ছেন।
advertisement
ভরতপুরের পটশিল্প আন্তর্জাতিক স্তরে পরিচিত হওয়ার যোগ্যতা রাখে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও প্রদর্শনীর মাধ্যমে বিশ্বদরবারে এই শিল্পকে তুলে ধরতে হবে।তাহলেই শিল্পীরা আত্মসম্মান নিয়ে বাঁচতে পারবেন। লোকশিল্প বাঁচানো মানে শুধু অতীত রক্ষা নয়। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার সংরক্ষণ। এই দায়িত্ব সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের। (ছবি ও তথ্য - নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)








