advertisement

দোলের আগে 'আগুনে বাঁকুড়ায়' আসুন...! খেলা হবে 'দোল', শাল-পলাশের নেশায় রং উপুড় করে দেবে প্রকৃতি

Last Updated:
প্রকৃতির সঙ্গে হোলি খেলতে পারবেন, পাবেন অপার আনন্দ। রয়েছে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা। দোল তো খেলতে পারবেনই তার সঙ্গে খেলতে পারবেন প্রকৃতির সঙ্গে। নীল জল, আকাশি আকাশ, সবুজ গাছপালা এবং লাল মাটি, প্রকৃতি রং উজাড় করে দেবে আপনাকে। তবে কোথায় আসবেন তাও জেনে নিন।
1/6
এই বছর দোল রঙে, আবেগে এবং সোহাগে যদি কাটাতে চান তাহলে আপনাকে আসতে হবে লাল মাটির জেলায়। একটু নিরিবিলিতে পলাশের মাঝে দোল কাটাতে বাঁকুড়ার যে যে জায়গাগুলি আপনাকে টানবে সেই জায়গাগুলি দেখে নিন। থাকছে দোল খেলার ব্যবস্থাও, বাঁকুড়ার এসব পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে প্রতিবছর বহু পর্যটন দোল খেলেন।
এই বছর দোল রঙে, আবেগে এবং সোহাগে যদি কাটাতে চান তাহলে আপনাকে আসতে হবে লাল মাটির জেলায়। একটু নিরিবিলিতে পলাশের মাঝে দোল কাটাতে বাঁকুড়ার যে যে জায়গাগুলি আপনাকে টানবে সেই জায়গাগুলি দেখে নিন। থাকছে দোল খেলার ব্যবস্থাও, বাঁকুড়ার এসব পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে প্রতিবছর বহু পর্যটন দোল খেলেন।
advertisement
2/6
মুকুটমণিপুর যেন পুরোটাই একটা রঙের ক্যানভাস। আর এখানে আপনি আসলে দোল তো খেলতে পারবেনই তার সঙ্গে দোল খেলতে পারবেন প্রকৃতির সঙ্গে। নীল জল, আকাশি আকাশ ,সবুজ গাছপালা এবং লাল মাটি, প্রকৃতি রং উজাড় করে দেবে আপনাকে। তবে কোথায় আসবেন তাও জেনে নিন।
মুকুটমণিপুর যেন পুরোটাই একটা রঙের ক্যানভাস। আর এখানে আপনি আসলে দোল তো খেলতে পারবেনই তার সঙ্গে দোল খেলতে পারবেন প্রকৃতির সঙ্গে। নীল জল, আকাশি আকাশ, সবুজ গাছপালা এবং লাল মাটি, প্রকৃতি রং উজাড় করে দেবে আপনাকে। তবে কোথায় আসবেন তাও জেনে নিন।
advertisement
3/6
দোলের দিন বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুরের আলপনা রাস্তায় আসুন। এখানে জমা হোন পর্যটকেরা। এই রাস্তায় গাড়ি চলাচল করে না। গোটা রাস্তাটিতে করা রয়েছে আলপনা। তারপর নিজের মত কিনে নিন রং বা আবির। খেলুন দোল। পাশেই রয়েছে থাকার জায়গা এবং খাবার জায়গা। দুর্দান্ত সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন আলপনা রাস্তা।
দোলের দিন বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুরের আলপনা রাস্তায় আসুন। এখানে জমা হোন পর্যটকেরা। এই রাস্তায় গাড়ি চলাচল করে না। গোটা রাস্তাটিতে করা রয়েছে আলপনা। তারপর নিজের মত কিনে নিন রং বা আবির। খেলুন দোল। পাশেই রয়েছে থাকার জায়গা এবং খাবার জায়গা। দুর্দান্ত সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন আলপনা রাস্তা।
advertisement
4/6
দোলের দিন অবশ্যই আসুন শিল্প, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অপূর্ব মিলনভূমি মন্দির নগরী বিষ্ণুপুরে। প্রাচীন টেরাকোটা মন্দিরের সূক্ষ্ম কারুকাজ, মল্লভূমের গৌরবময় ইতিহাস আর বসন্তের রঙিন আবহ এখানে উৎসবকে করে তোলে অনন্য। শহরজুড়ে আবিরের রঙ, কীর্তনের সুর, শঙ্খধ্বনি ও ভক্তির আবেশে মেতে ওঠে চারদিক। রাসমঞ্চ, জোরবাংলা ও মদনমোহন মন্দির প্রাঙ্গণে ভিড় জমান পর্যটক ও ভক্তরা। ঐতিহ্যবাহী সংগীত, স্থানীয় মিষ্টি আর মানুষের আন্তরিকতা মিলিয়ে দোলের বিষ্ণুপুর যেন রঙে, সুরে ও ইতিহাসে আঁকা এক জীবন্ত চিত্রপট।
দোলের দিন অবশ্যই আসুন শিল্প, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অপূর্ব মিলনভূমি মন্দির নগরী বিষ্ণুপুরে। প্রাচীন টেরাকোটা মন্দিরের সূক্ষ্ম কারুকাজ, মল্লভূমের গৌরবময় ইতিহাস আর বসন্তের রঙিন আবহ এখানে উৎসবকে করে তোলে অনন্য। শহরজুড়ে আবিরের রঙ, কীর্তনের সুর, শঙ্খধ্বনি ও ভক্তির আবেশে মেতে ওঠে চারদিক। রাসমঞ্চ, জোরবাংলা ও মদনমোহন মন্দির প্রাঙ্গণে ভিড় জমান পর্যটক ও ভক্তরা। ঐতিহ্যবাহী সংগীত, স্থানীয় মিষ্টি আর মানুষের আন্তরিকতা মিলিয়ে দোলের বিষ্ণুপুর যেন রঙে, সুরে ও ইতিহাসে আঁকা এক জীবন্ত চিত্রপট।
advertisement
5/6
কোলাহল ভাল লাগেনা? তাহলে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে এই জায়গা। সুতানের জঙ্গলে ঘুরে দেখার মূল আকর্ষণ হল বিস্তীর্ণ শালবন, নির্জন বনপথ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ। সকালে বা বিকেলের দিকে জঙ্গলের ভেতর হাঁটলে পাখির ডাক ও পাতার মচমচে শব্দে এক আলাদা অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। জঙ্গলের বিভিন্ন অংশ থেকে দেখা যায় দূরের পাহাড় ও টিলার দৃশ্য। শীতের সময় বুনো ফুল, লতাগুল্ম ও শুকনো পাতার সঙ্গে রোদের খেলায় ছবি তোলার আদর্শ পরিবেশ তৈরি হয়। অনেক পর্যটকই এখানে স্বল্প দূরত্বের ট্রেকিং বা প্রকৃতি পর্যবেক্ষণে আসেন।
কোলাহল ভাল লাগেনা? তাহলে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে এই জায়গা সুতানের জঙ্গলে ঘুরে দেখার মূল আকর্ষণ হল বিস্তীর্ণ শালবন, নির্জন বনপথ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ। সকালে বা বিকেলের দিকে জঙ্গলের ভেতর হাঁটলে পাখির ডাক ও পাতার মচমচে শব্দে এক আলাদা অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। জঙ্গলের বিভিন্ন অংশ থেকে দেখা যায় দূরের পাহাড় ও টিলার দৃশ্য। শীতের সময় বুনো ফুল, লতাগুল্ম ও শুকনো পাতার সঙ্গে রোদের খেলায় ছবি তোলার আদর্শ পরিবেশ তৈরি হয়। অনেক পর্যটকই এখানে স্বল্প দূরত্বের ট্রেকিং বা প্রকৃতি পর্যবেক্ষণে আসেন।
advertisement
6/6
প্রকৃতিপ্রেমী অভিজিৎ মন্ডল জানিয়েছেন,
প্রকৃতিপ্রেমী অভিজিৎ মন্ডল জানিয়েছেন, "সুদানের জঙ্গল একা কাটানোর জন্য একটা দারুণ জায়গা। ভুলে যাবেন ইন্টারনেট ভুলে যাবেন মোবাইল। দোলের দিন অবশ্যই আসা যেতে পারে।"
advertisement
advertisement
advertisement