Anandapur Fire Incident: ওইখানটায় বাইক, সাইকেল রেখে কাল গুদামে ঢুকেছিলেন হয়ত, আজ আর ওঁরা ‘নেই’! ২৪ ঘণ্টায় আনন্দপুরে...সব শেষ
- Published by:Satabdi Adhikary
- news18 bangla
Last Updated:
সাধারণত, খাদ্য পানীয় সরবরাহের জন্যই ছিল ওই গুদাম ঘর৷ মজুত ছিল প্রচুর পরিমাণে খাদ্য সরবরাহকারী প্লাস্টিকের পাত্র, ঠান্ডা পানীয়ের বোতল৷ অনেক কর্মীই সেখানে রাতের বেলা থেকে যেতেন৷ মেসের মতো থাকা-খাওয়ার জন্য ব্যবহার করা হতো আনন্দপুরের এই দুই গুদাম৷ সম্ভবত, তাঁদের রান্নার কোনও সিলিন্ডার বিস্ফোরণেই এই অগ্নিকাণ্ড বলে মনে করা হচ্ছে৷
আনন্দপুর: ভিতরে তখনও দেখা যাচ্ছে আগুনের আভা৷ চতুর্দিকে ছড়িয়ে কালো ছাইয়ের কাদা৷ ঠান্ডা পানীয়ের ক্যানগুলো সব থরে থরে সাজিয়ে রাখা৷ কোথায় যে ঝলসানো মৃতদেহ পড়ে রয়েছে, খুঁজে বের করা কঠিন৷ আলাদা করা যাচ্ছে না কিছুই৷ এই ধ্বংস চিহ্নের ঠিক পাশেই নিথর হয়ে যাওয়া প্রাণের অতীত চিহ্ন হয়ে একলা দাঁড়িয়ে রয়েছে ওগুলো৷
advertisement
সোমবার ভোর রাত ৩টে নাগাদ আগুন লাগে আনন্দপুরের নাজিরাবাদের শুকনো খাবারের গুদামে৷ আনন্দপুরের গুদামের বাইরে পার্ক করে রাখা একটা মোটরবাইক৷ সেই মোটরবাইকের ঠিক পাশেই সার সার দেওয়া কিছু বাইসাইকেল৷ গতকালই হয়ত কোথাও ডেলিভারি সেরে গুদামের বাইরে এই ভাবে সাইকেল মোটরবাইক রেখেছিলেন ওরা৷ আজ তাঁরা হঠাৎ করেই ‘নেই’ হয়ে গেলেন৷ মালিকহীন জড়বস্তুগুলো দাঁড়িয়ে রইল ঘটনার ভয়াবহতার সাক্ষী হয়ে৷
advertisement
advertisement
সাধারণত, খাদ্য পানীয় সরবরাহের জন্যই ছিল ওই গুদাম ঘর৷ মজুত ছিল প্রচুর পরিমাণে খাদ্য সরবরাহকারী প্লাস্টিকের পাত্র, ঠান্ডা পানীয়ের বোতল৷ অনেক কর্মীই সেখানে রাতের বেলা থেকে যেতেন৷ মেসের মতো থাকা-খাওয়ার জন্য ব্যবহার করা হতো আনন্দপুরের এই দুই গুদাম৷ সম্ভবত, তাঁদের রান্নার কোনও সিলিন্ডার বিস্ফোরণেই এই অগ্নিকাণ্ড বলে মনে করা হচ্ছে৷
advertisement
মেদিনীপুর পিংলাতে বাড়ি ছিল কৃষ্ণেন্দু ধারার। পরিবারে আরেকটু সাচ্ছন্দ্য ফেরাতে কলকাতায় পাড়ি দিয়েছিলেন। বছর দেড়েক আগে কাজ নেন আনন্দপুরের এই ডেকোরেটর্সে। পিংলার তিন বন্ধুর সঙ্গে এসেছিলেন। আরও অনেকের সঙ্গে এই গোডাউনের মধ্যেই রান্না করে খাওয়া হত এবং মেস করে থাকতেন বলে পরিবার জানিয়েছে। কখনও সাত দিন কখনো ১৫ দিন পর বাড়ি ফিরতেন। রবিবারও রাত ন'টায় নিয়ম করেই ফোন করেছিলেন প্রিয়জনদের সঙ্গে কথা বলতে। সেটাই শেষ কথা..... খবর পেয়ে পিংলা থেকে ছুটে এসেছেন আত্মীয়রা আধার কার্ড বুকে নিয়ে অধীর অপেক্ষায়। যদি একটু শেষ দেখা হয়।
advertisement
advertisement







