Jamui News: ‘রাখে হরি মারে কে’- গিয়েছিল লুঠতে, কিন্তু শেষমেশ এ কী হল, ভাবতেও পারবেন না...
- Reported by:Trending Desk
- local18
- Published by:Ananya Chakraborty
Last Updated:
Jamui News: ঠিক কী হয়েছিল? আসলে জামুই জেলার সদর ব্লক এলাকার বারুয়াট্টার বাসিন্দা দীপক কুমার। তাঁকেই কল করেছিল সাইবার জালিয়াত।
advertisement
advertisement
ঠিক কী হয়েছিল? আসলে জামুই জেলার সদর ব্লক এলাকার বারুয়াট্টার বাসিন্দা দীপক কুমার। তাঁকেই কল করেছিল সাইবার জালিয়াত। দীপকের কথায়, “হোয়াটসঅ্যাপে কল করেছিল সাইবার অপরাধী। সে বলে যে, ‘আপনি তো একটি মেয়ের সঙ্গে কথা বলেন। আর সেই মেয়েটি আত্মঘাতী হয়েছেন। এবার তো আপনার গ্রেফতারি কেউ আটকাতে পারবেন না। আপনি যদি গ্রেফতার হতে না চান, তাহলে আমাকে এখনও ১২ হাজার ৭০০ টাকা এখনও পাঠিয়ে দিন’।”
advertisement
এখানেই শেষ নয়, এরপর সেই অজ্ঞাতপরিচয় কলার দীপককে ভুয়ো এফআইআর এবং অন্যান্য নথিপত্র পাঠাতে থাকে। এর পাশাপাশি বেশ কিছু মানুষকে গ্রেফতার করার ভুয়ো ছবিও পাঠানো হয় ওই যুবককে। এভাবেই প্রতারণার জাল পেতেছিল ওই সাইবার অপরাধী। কিন্তু দীপক প্রতারকের কথার জালে না ফেঁসে বরং মাথা ঠান্ডা রাখতে পেরেছিলেন। সাইবার জালিয়াতকে উল্টে দীপক বলেন যে, তিনি কোথাও চাকরি করেন। কিন্তু এখনও তাঁর বেতন হয়নি। এই পরিস্থিতিতে সেই পরিমাণ জরিমানার টাকা দিতে গেলে তাঁকে ধার নিতে হবে।
advertisement
advertisement
advertisement
সাইবার অপরাধী সেই টাকা পাঠিয়েও দেন। কিন্তু প্রায় ঘণ্টাখানেক পর দীপক আবারও সাইবার অপরাধীকে কল করেন। বলেন, যাঁর থেকে টাকা নেওয়ার কথা ছিল, তিনি আগে থেকেই দীপকের কাছে ধার নিয়ে রেখেছিলেন। ফলে সেই টাকা না মেটালে নতুন করে আর তিনি টাকা দেবেন না। এই কথা শুনে দীপককে আবার ১০০০ টাকা পাঠায় ওই অপরাধী। এভাবে সাইবার অপরাধীর থেকে দীপক ১৫৫০ টাকা আদায় করে নেন।
advertisement
এই ধরনের সাইবার অপরাধের ঘটনা সামনে আসতেই থাকে। নতুন নতুন কায়দায় জাল পাতে অপরাধীরা। আর দীপক ঠান্ডা মাথায় সচেতন হয়ে এই প্রতারণা রুখতে পেরেছেন। যদি সাইবার প্রতারণার জন্য কেউ ফোন করে, তাহলে তাদের কথায় পাত্তা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এর পাশাপাশি ১৯৩০ নম্বরে কল করে সাইবার প্রতারণার অভিযোগও জানানো যেতে পারে।









