advertisement

Sanju Samson: 'বেঞ্চে বসে ১০০ ম্যাচ দেখেছি..'! ম্যাচ উইনিং ঐতিহাসিক ইনিংস খেলেই বড় ঘোষণা সঞ্জুর

Last Updated:
Sanju Samson: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ২০২৬ টি২০ বিশ্বকাপের ভার্চুয়াল কোয়ার্টারফাইনালে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ হওয়ার পর আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন সঞ্জু স্যামসন।
1/5
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ২০২৬ টি২০ বিশ্বকাপের ভার্চুয়াল কোয়ার্টারফাইনালে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ হওয়ার পর আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন সঞ্জু স্যামসন। রবিবার কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ডানহাতি এই ওপেনার ৫০ বলে অপরাজিত ৯৭ রান করেন, যেখানে ছিল ১২টি চার ও ৪টি ছক্কা। তার এই দুর্দান্ত ইনিংসের জোরে ভারত ১৯৬ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করে সেমিফাইনালে পৌছে গেল।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ২০২৬ টি২০ বিশ্বকাপের ভার্চুয়াল কোয়ার্টারফাইনালে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ হওয়ার পর আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন সঞ্জু স্যামসন। রবিবার কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ডানহাতি এই ওপেনার ৫০ বলে অপরাজিত ৯৭ রান করেন, যেখানে ছিল ১২টি চার ও ৪টি ছক্কা। তার এই দুর্দান্ত ইনিংসের জোরে ভারত ১৯৬ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করে সেমিফাইনালে পৌছে গেল।
advertisement
2/5
এদিন বিশেষ করে নজর কেড়েছে তার ব্যাটিংয়ের ধরন। স্যামসনের ইনিংস ছিল প্রায় নিখুঁত—ভুল খুব কম, ভাগ্যের সাহায্য প্রায় নেই, বরং ছিল পরিপক্বতা, ধৈর্য ও দক্ষতা। শুরু থেকেই তিনি দ্রুত গতিতে রান তুলেছেন এবং অপর প্রান্তে উইকেট পড়লেও নিয়মিত বাউন্ডারি মেরে দলের গতি বজায় রেখেছেন। শুধু চার-ছয়ে ভরসা না করে, প্রয়োজন মত সিঙ্গেল রান নিয়েছেন।
এদিন বিশেষ করে নজর কেড়েছে তার ব্যাটিংয়ের ধরন। স্যামসনের ইনিংস ছিল প্রায় নিখুঁত—ভুল খুব কম, ভাগ্যের সাহায্য প্রায় নেই, বরং ছিল পরিপক্বতা, ধৈর্য ও দক্ষতা। শুরু থেকেই তিনি দ্রুত গতিতে রান তুলেছেন এবং অপর প্রান্তে উইকেট পড়লেও নিয়মিত বাউন্ডারি মেরে দলের গতি বজায় রেখেছেন। শুধু চার-ছয়ে ভরসা না করে, প্রয়োজন মত সিঙ্গেল রান নিয়েছেন।
advertisement
3/5
এমন ইনিংসের পর অনেক ক্রিকেটার আত্মবিশ্বাস নিয়ে বড় বড় কথা বলে থাকেন, কিন্তু স্যামসন উল্টো নিজের মানসিক লড়াইয়ের কথাই স্বীকার করেন। পুরস্কার নেওয়ার সময় তিনি বলেন, “দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখা শুরু করার দিন থেকেই আমি এই দিনের অপেক্ষায় ছিলাম। আমি খুব কৃতজ্ঞ। আমার যাত্রা ছিল অনেক ওঠানামায় ভরা। আমি নিজেকেই প্রশ্ন করেছি—আমি কি পারব? তবু বিশ্বাস রেখেছিলাম, আর ঈশ্বরকে ধন্যবাদ আজকের জন্য।”
এমন ইনিংসের পর অনেক ক্রিকেটার আত্মবিশ্বাস নিয়ে বড় বড় কথা বলে থাকেন, কিন্তু স্যামসন উল্টো নিজের মানসিক লড়াইয়ের কথাই স্বীকার করেন। পুরস্কার নেওয়ার সময় তিনি বলেন, “দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখা শুরু করার দিন থেকেই আমি এই দিনের অপেক্ষায় ছিলাম। আমি খুব কৃতজ্ঞ। আমার যাত্রা ছিল অনেক ওঠানামায় ভরা। আমি নিজেকেই প্রশ্ন করেছি—আমি কি পারব? তবু বিশ্বাস রেখেছিলাম, আর ঈশ্বরকে ধন্যবাদ আজকের জন্য।”
advertisement
4/5
তিনি আরও জানান, মাঠের বাইরে কাটানো সময় তাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। বেঞ্চে বসে প্রায় ১০০ ম্যাচ দেখার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা-র মতো মহান খেলোয়াড়দের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছেন—কীভাবে ম্যাচ শেষ করতে হয় এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলার ধরন বদলাতে হয়।
তিনি আরও জানান, মাঠের বাইরে কাটানো সময় তাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। বেঞ্চে বসে প্রায় ১০০ ম্যাচ দেখার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা-র মতো মহান খেলোয়াড়দের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছেন—কীভাবে ম্যাচ শেষ করতে হয় এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলার ধরন বদলাতে হয়।
advertisement
5/5
শেষে স্যামসন বলেন, “আমি কখনও ভাবিনি এমন বিশেষ কিছু করতে পারব। আমি শুধু নিজের ভূমিকা ও এক বল করে খেলায় মন দিয়েছিলাম। আজকের দিনটা আমার জীবনের অন্যতম সেরা দিন।”
শেষে স্যামসন বলেন, “আমি কখনও ভাবিনি এমন বিশেষ কিছু করতে পারব। আমি শুধু নিজের ভূমিকা ও এক বল করে খেলায় মন দিয়েছিলাম। আজকের দিনটা আমার জীবনের অন্যতম সেরা দিন।”
advertisement
advertisement
advertisement