advertisement

Inspirational Story: ৭ বছরের দিলবর, ও হাঁটতেই পারে না, কিন্তু মনের জোরকে কুর্নিশ, দু'হাতে দৌড়ে কামাল

Last Updated:
পুরাতন মালদহের মহিষবাথানি গ্রামে বাড়ি তার। বাবা জামির হোসেন পেশায় একজন পরিযায়ী শ্রমিক, মা দিলজান খাতুন গৃহবধূ। জন্ম থেকেই হাঁটা চলার ক্ষেত্রে সমস্যা তার।
1/6
বয়স মাত্র ৭ বছর, তবে স্বপ্ন যেন আকাশ ছোঁয়ার। হাঁটতে না পারলেও হাতের ভরে দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে নজর কাড়ল মালদহের বিশেষভাবে সক্ষম এক খুদে। কোন সিনেমার ছবি বা ইমোশনাল রিলস নয়, মালদহের এই বাস্তব চিত্র জেলা স্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
বয়স মাত্র ৭ বছর, তবে স্বপ্ন যেন আকাশ ছোঁয়ার। হাঁটতে না পারলেও হাতের ভরে দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে নজর কাড়ল মালদহের বিশেষভাবে সক্ষম এক খুদে। কোন সিনেমার ছবি বা ইমোশনাল রিলস নয়, মালদহের এই বাস্তব চিত্র জেলা স্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
2/6
এদিন মালদহে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জেলা স্তরের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে অংশ নেয় জেলার বিভিন্ন প্রান্তের বিশেষভাবে সক্ষম খুদেরা। বিভিন্ন বিভাগে ভাগ করে মোট ১৮ টি ইভেন্টে খেলা অনুষ্ঠিত হয়। তবে সবগুলোই ছিল দৌড় প্রতিযোগিতা।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
এদিন মালদহে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জেলা স্তরের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে অংশ নেয় জেলার বিভিন্ন প্রান্তের বিশেষভাবে সক্ষম খুদেরা। বিভিন্ন বিভাগে ভাগ করে মোট ১৮ টি ইভেন্টে খেলা অনুষ্ঠিত হয়। তবে সবগুলোই ছিল দৌড় প্রতিযোগিতা।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
3/6
সেখানেই অংশ নেয় বিশেষভাবে সক্ষম দিলবার হোসেন। অন্যান্য প্রতিযোগীরা হাঁটতে ও দৌড়াতে সক্ষম হলেও। একমাত্র প্রতিযোগী দিলবার হোসেন যে হাতকে ভর করে ট্র্যাকে এগিয়ে যায়। মালদহের মহিষবাথানি প্রাথমিক স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্র দিলবার হোসেন (৭)। পুরাতন মালদহের মহিষবাথানি গ্রামে বাড়ি তার। বাবা জামির হোসেন পেশায় একজন পরিযায়ী শ্রমিক, মা দিলজান খাতুন গৃহবধূ। জন্ম থেকেই হাঁটা চলার ক্ষেত্রে পায়ের সমস্যা দিলবারের।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
সেখানেই অংশ নেয় বিশেষভাবে সক্ষম দিলবার হোসেন। অন্যান্য প্রতিযোগীরা হাঁটতে ও দৌড়াতে সক্ষম হলেও। একমাত্র প্রতিযোগী দিলবার হোসেন যে হাতকে ভর করে ট্র্যাকে এগিয়ে যায়। মালদহের মহিষবাথানি প্রাথমিক স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্র দিলবার হোসেন (৭)। পুরাতন মালদহের মহিষবাথানি গ্রামে বাড়ি তার। বাবা জামির হোসেন পেশায় একজন পরিযায়ী শ্রমিক, মা দিলজান খাতুন গৃহবধূ। জন্ম থেকেই হাঁটা চলার ক্ষেত্রে পায়ের সমস্যা দিলবারের।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
4/6
দৌড় প্রতিযোগিতায় স্থান অধিকার করতে না পারলেও। তার ইচ্ছা শক্তি নজর কাড়ে সকলের। হার না মেনে ফিনিশিং লাইন পর্যন্ত দৌড় দেয় দিলবার। তার এমনই লড়াই দেখে হতবাক হয়ে পড়েন সকলে। প্রথমে কেউ বুঝতে না পারলেও। ফিনিশিং লাইন শেষ করার পর তাকে কোলে তুলে নেন সমগ্র শিক্ষা মিশনের জেলা কোঅর্ডিনেটর পঙ্কজ কুমার দাস।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
দৌড় প্রতিযোগিতায় স্থান অধিকার করতে না পারলেও। তার ইচ্ছা শক্তি নজর কাড়ে সকলের। হার না মেনে ফিনিশিং লাইন পর্যন্ত দৌড় দেয় দিলবার। তার এমনই লড়াই দেখে হতবাক হয়ে পড়েন সকলে। প্রথমে কেউ বুঝতে না পারলেও। ফিনিশিং লাইন শেষ করার পর তাকে কোলে তুলে নেন সমগ্র শিক্ষা মিশনের জেলা কোঅর্ডিনেটর পঙ্কজ কুমার দাস।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
5/6
জেলা কোঅর্ডিনেটর পঙ্কজ কুমার দাস জানান,
জেলা কোঅর্ডিনেটর পঙ্কজ কুমার দাস জানান, "এমন চিত্র খুব কমই ধরা পড়ে। হাঁটাচলা না করতে পারলেও দৌড় প্রতিযোগিতায় তার এমন অংশগ্রহণ সত্যি প্রশংসনীয়। তার ইচ্ছা শক্তি এবং আগামীতে এগিয়ে যাওয়ার লড়াই দেখে খুব ভাল লাগল। ক্রীড়া ক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয় সাহায্যে আমরা পাশে থাকব।"(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
6/6
ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করাতে নিয়ে আসা দিলবারের মা দিলজান বিবি জানান,
ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করাতে নিয়ে আসা দিলবারের মা দিলজান বিবি জানান, "ছেলের ইচ্ছে খেলাধুলা করার। তাই নিয়ে এসেছি। আমাদের একমাত্র ছেলে। এইভাবেই হাঁটাচলা করে। স্থান অধিকার না করতে পারলেও। দৌড়ে অংশগ্রহণ করেছে সে। ছেলের এমন ইচ্ছা শক্তি দেখে খুব ভাল লাগল।"(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
advertisement
advertisement