টোল ফ্রি নম্বর ১০২-এ ফোন করলেই ২৫ মিনিটের মধ্যে রোগীর দোরগোড়ায় অ্যাম্বুলেন্স!
- Reported by:Tanmoy Nandi
- hyperlocal
- Published by:Aishwarya Purkait
Last Updated:
ঝাড়গ্রাম জেলায় এই ধরনের মোট ২০টি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। টোল ফ্রি নম্বর ১০২-এ ফোন করলেই ২৫ মিনিটের মধ্যে অ্যাম্বুলেন্স এসে হাজির হবে রোগীর বাড়ির দোরগোড়ায়।
<strong>ঝাড়গ্রাম, তন্ময় নন্দীঃ</strong> আর চিকিৎসার অভাবে ভুগতে হবে না জঙ্গলমহলের মানুষকে। কোনও স্থানে দুর্ঘটনা ঘটলে ১০২ নম্বরে ফোন করলেই সেই স্থানে হাজির হবে 'নিশ্চয় যান'। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২০১১ সালে এই প্রকল্পের সূচনা করে। কম খরচে সরকারি এই পরিষেবা পাবেন আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্যবাসী। এছাড়াও প্রসূতি মায়েদের হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার জন্য রয়েছে মাতৃযান প্রকল্প।
advertisement
আমাদের রাজ্যে এমন অসংখ্য প্রত্যন্ত এলাকা রয়েছে যেখানে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে করতেই রোগীর ভাল-মন্দ যা কিছুই হয়ে যেতে পারে। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন একযোগে তাই রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চল-সহ জঙ্গলমহলের ঝাড়গ্রাম জেলাতেও চালু করেছে এই জরুরি পরিবহন পরিষেবা। (ছবি ও তথ্য - তন্ময় নন্দী)
advertisement
advertisement
ঝাড়গ্রাম জেলায় এই ধরনের মোট ২০টি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে পরিষেবা পৌঁছে দিতে জেলা স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে বিভিন্ন হাসপাতালে রাখা হয়েছে এই অ্যাম্বুলেন্স। টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করলেই ২৫ মিনিটের মধ্যে অ্যাম্বুলেন্স এসে হাজির হবে রোগীর বাড়ির দোরগোড়ায়। (ছবি ও তথ্য - তন্ময় নন্দী)
advertisement
জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ভুবন চন্দ্র হাঁসদা বলেন, রাজ্যের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ ২০১১ সালে মাতৃযান প্রকল্পের সূচনা করেছিল। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল রাজ্যের প্রত্যেক প্রসূতি মহিলাকে প্রসবের আগে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া এবং ডেলিভারির পর হাসপাতাল থেকে ফেরার জন্য বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা দেওয়া। এছাড়াও শিশুর ২৮ দিন বয়স পর্যন্ত মা ও সদ্যজাতকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হলেও নিখরচায় ‘মাতৃযান’ পাওয়া যায়। (ছবি ও তথ্য - তন্ময় নন্দী)
advertisement
টোল ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর ‘১০২’এ ফোন করলেই জেলায় মাতৃযান বা নিশ্চয় যান পরিষেবা সম্পর্কে জানা যাবে। দু’ধরনের অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করা হবে এই প্রকল্পে। বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স বা বিএলএস এবং অ্যাডভান্সড লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স বা এএলএস। বিশেষত সরকারি হাসপাতালগুলোতেই এই অ্যাম্বুলেন্স থাকবে। রোগীর ফোন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা পৌঁছে যাবে নির্দিষ্ট স্থানে। (ছবি ও তথ্য - তন্ময় নন্দী)





