Digha Jagannath Mandir: ছাপিয়ে গেল সব রেকর্ড! বছরের প্রথম দিনেই দিঘা জগন্নাথ মন্দিরে ঠাসা ভিড়, সংখ্যা শুনলে চোখ কপালে উঠবে

Last Updated:
উৎসবের আনন্দ কাটতে না কাটতেই বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই জগন্নাথ মন্দিরে ভিড় জমতে শুরু করে। সকাল পাঁচটা থেকেই জগন্নাথ, বলরাম ও শুভদ্রার দর্শনের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ান ভক্তরা। অনেক পর্যটক আগে সমুদ্রতীরে গিয়ে বছরের প্রথম সূর্যোদয় উপভোগ করেন। সূর্যপ্রণাম সেরে অধিকাংশ পর্যটক সোজা চলে আসেন মন্দিরে।
1/6
নতুন বছরের প্রথম দিনেই দিঘা জগন্নাথ মন্দিরে ভক্তের ঢল চোখ কপালে তোলার মত। জানেন বছরের প্রথম দিনে কত ভক্ত মন্দিরে ভিড় জমিয়েছিলেন? মাত্র একদিনেই বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর উপস্থিতি দিঘার ইতিহাসে নতুন নজির গড়েছে। বছরের শুরুটা জগন্নাথদেবের দর্শনের মাধ্যমে করতে ভোর থেকেই মন্দির চত্বরে উপচে পড়েন ভক্তরা। মন্দির কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, একদিনেই এক লক্ষের বেশি ভক্ত পুজো দিয়ে আশীর্বাদ প্রার্থনা করেছেন। (তথ্য ও ছবি : মদন মাইতি)
নতুন বছরের প্রথম দিনেই দিঘা জগন্নাথ মন্দিরে ভক্তের ঢল চোখ কপালে তোলার মতো। জানেন বছরের প্রথম দিনে কত ভক্ত মন্দিরে ভিড় জমিয়েছিলেন? মাত্র একদিনেই বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর উপস্থিতি দিঘার ইতিহাসে নতুন নজির গড়েছে। বছরের শুরুটা জগন্নাথদেবের দর্শনের মাধ্যমে করতে ভোর থেকেই মন্দির চত্বরে উপচে পড়েন ভক্তরা। মন্দির কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, একদিনেই এক লক্ষের বেশি ভক্ত পুজো দিয়ে আশীর্বাদ প্রার্থনা করেছেন। (তথ্য ও ছবি : মদন মাইতি)
advertisement
2/6
এতদিন দিঘা মানেই ছিল সমুদ্রস্নান, পর্যটন আর বিনোদনের শহর। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে গড়ে ওঠা জগন্নাথধাম সেই চেনা পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত করেছে আধ্যাত্মিকতার নতুন অধ্যায়। এবার সমুদ্রের টানকে ছাপিয়ে পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে দিঘার জগন্নাথ মন্দির। বছরের প্রথম দিনের বিপুল ভিড়ই তার জ্বলন্ত প্রমাণ। পর্যটন শহর দিঘা পেয়েছে এক নতুন ধর্মীয় মাত্রা।
এতদিন দিঘা মানেই ছিল সমুদ্রস্নান, পর্যটন আর বিনোদনের শহর। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে গড়ে ওঠা জগন্নাথধাম সেই চেনা পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত করেছে আধ্যাত্মিকতার নতুন অধ্যায়। এবার সমুদ্রের টানকে ছাপিয়ে পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে দিঘার জগন্নাথ মন্দির। বছরের প্রথম দিনের বিপুল ভিড়ই তার জ্বলন্ত প্রমাণ। পর্যটন শহর দিঘা পেয়েছে এক নতুন ধর্মীয় মাত্রা।
advertisement
3/6
২০২৬ সালকে স্বাগত জানাতে বুধবার রাত থেকেই ওল্ড দিঘা ও নিউ দিঘার রাজপথ রঙিন আলোয় সেজে ওঠে। সুরের মূর্ছনায় মেতে ওঠেন হাজার হাজার পর্যটক। গভীর রাত পর্যন্ত চলে বর্ষবরণের উৎসব। ঠিক রাত বারোটা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই আতশবাজির ঝলকানিতে আলোকিত হয়ে ওঠে গোটা দিঘা। উৎসবের সেই মুহূর্তে আনন্দে মেতে ওঠেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। দিঘাজুড়ে তৈরি হয় উৎসবের আবহ।
২০২৬ সালকে স্বাগত জানাতে বুধবার রাত থেকেই ওল্ড দিঘা ও নিউ দিঘার রাজপথ রঙিন আলোয় সেজে ওঠে। সুরের মূর্ছনায় মেতে ওঠেন হাজার হাজার পর্যটক। গভীর রাত পর্যন্ত চলে বর্ষবরণের উৎসব। ঠিক রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই আতশবাজির ঝলকানিতে আলোকিত হয়ে ওঠে গোটা দিঘা। উৎসবের সেই মুহূর্তে আনন্দে মেতে ওঠেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। দিঘাজুড়ে তৈরি হয় উৎসবের আবহ।
advertisement
4/6
উৎসবের আনন্দ কাটতে না কাটতেই বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই জগন্নাথ মন্দিরে ভিড় জমতে শুরু করে। সকাল পাঁচটা থেকেই জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার দর্শনের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ান ভক্তরা। অনেক পর্যটক আগে সমুদ্রতীরে গিয়ে বছরের প্রথম সূর্যোদয় উপভোগ করেন। সূর্যপ্রণাম সেরে অধিকাংশ পর্রযটক সোজা চলে আসেন মন্দিরে।
উৎসবের আনন্দ কাটতে না কাটতেই বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই জগন্নাথ মন্দিরে ভিড় জমতে শুরু করে। সকাল পাঁচটা থেকেই জগন্নাথ, বলরাম ও শুভদ্রার দর্শনের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ান ভক্তরা। অনেক পর্যটক আগে সমুদ্রতীরে গিয়ে বছরের প্রথম সূর্যোদয় উপভোগ করেন। সূর্যপ্রণাম সেরে অধিকাংশ পর্যটক সোজা চলে আসেন মন্দিরে।
advertisement
5/6
সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ভক্তের সংখ্যা আরও বাড়তে থাকে। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, বিকেল চারটে পর্যন্ত এক লক্ষ দর্শনার্থী দর্শন করেছেন। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ফুট কাউন্ট মেশিনে সেই সংখ্যা নথিভুক্ত হয়েছে। উদ্বোধনের মাত্র আট মাসের মধ্যেই জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছেছে দিঘার এই জগন্নাথধাম। ইতিমধ্যেই দর্শনার্থীর সংখ্যা এক কোটি ছাড়িয়েছে। মন্দিরের আয়ও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ভক্তের সংখ্যা আরও বাড়তে থাকে। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, বিকেল ৪টে পর্যন্ত এক লক্ষ দর্শনার্থী দর্শন করেছেন। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ফুট কাউন্ট মেশিনে সেই সংখ্যা নথিভুক্ত হয়েছে। উদ্বোধনের মাত্র ৮ মাসের মধ্যেই জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছেছে দিঘার এই জগন্নাথধাম। ইতিমধ্যেই দর্শনার্থীর সংখ্যা এক কোটি ছাড়িয়েছে। মন্দিরের আয়ও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
advertisement
6/6
কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও দিঘা জগন্নাথ মন্দির ট্রাস্ট কমিটির অন্যতম রাধারমণ দাস জানান, বছরের প্রথম দিন বিকেল পর্যন্ত এক লক্ষ ভক্ত দর্শন সেরেছেন। তাঁর কথায়, বিশ্বের প্রায় ১৫০টি দেশ থেকে প্রায় ২৫ হাজার দর্শনার্থী ইতিমধ্যেই মন্দিরে এসেছেন। গত এক মাস ধরে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অন্নপ্রসাদের ব্যবস্থা রয়েছে। সেই প্রসাদ পেতেও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে অসংখ্য ভক্তকে। (তথ্য ও ছবি : মদন মাইতি)
কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও দিঘা জগন্নাথ মন্দির ট্রাস্ট কমিটির অন্যতম রাধারমণ দাস জানান, বছরের প্রথম দিন বিকেল পর্যন্ত এক লক্ষ ভক্ত দর্শন সেরেছেন। তাঁর কথায়, বিশ্বের প্রায় ১৫০টি দেশ থেকে প্রায় ২৫ হাজার দর্শনার্থী ইতিমধ্যেই মন্দিরে এসেছেন। গত এক মাস ধরে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অন্নপ্রসাদের ব্যবস্থা রয়েছে। সেই প্রসাদ পেতেও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে অসংখ্য ভক্তকে। (তথ্য ও ছবি : মদন মাইতি)
advertisement
advertisement
advertisement