Viral Story: তিন মাস ধরে মা’কে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে যাচ্ছিল তার ১৫ বছরের মেয়ে...ঘুমিয়ে পড়়লেই শুরু হয়ে যেত কাজ
- Published by:Satabdi Adhikary
- news18 bangla
Last Updated:
মাস তিনেক পর থেকে হঠাৎ করেই মেয়েটির মায়ের স্বাস্থ্যের অবনতি হতে শুরু করে৷ পরিবারের সদস্যেরা ভয় পেয়ে তাঁকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান৷ তারপর ডাক্তারি পরীক্ষাতেই জানা যায় যে, তাঁর শরীরে অতিরিক্ত মাত্রায় ঘুমের ওষুধ রয়েছে।
ছেলে হোক কী মেয়ে৷ বয়ঃসন্ধিকাল খুব সংবেদনশীল একটা সময়৷ এই সময় হঠাৎ করেই তাঁদের শরীরে এবং মনে আসে অদ্ভুত পরিবর্তন৷ কারণে-অকারণে মা-বাবার সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে৷ আসে জেদ৷ বিদ্রোহী মনোভাব৷ একটু বেশিই যেন আবেগপ্রবণ এই বয়স৷ সামান্য এদিক থেকে ওদিক হলেই ঘটে যেতে পারে ভীষণ একটা বিপদ৷ তার উপর বদ সঙ্গে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তো রয়েইছে৷ Generated image
advertisement
কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে চরম পদক্ষেপ করার পিছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। আজকাল সোশ্যাল মিডিয়া এবং অনলাইন বন্ধুত্ব বাচ্চাদের সবচেয়ে দ্রুত প্রভাবিত করে। তারা প্রেম, বন্ধুত্ব অথবা স্বাধীনতার নামে ভুল পথে চলে যায়। লখনউয়ের একটি মেয়ে সম্প্রতি নিজের মায়েরা সঙ্গে দিনের পর দিন যা করেছে, তা শুনলে যে কেউ ভয় পেয়ে যাবে৷ Generated image
advertisement
advertisement
মাস তিনেক পর থেকে হঠাৎ করেই মেয়েটির মায়ের স্বাস্থ্যের অবনতি হতে শুরু করে৷ পরিবারের সদস্যেরা ভয় পেয়ে তাঁকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান৷ তারপর ডাক্তারি পরীক্ষাতেই জানা যায় যে, তাঁর শরীরে অতিরিক্ত মাত্রায় ঘুমের ওষুধ রয়েছে। অথচ, তিনি তো ঘুমের ওষুধ খানই না! তখনই সন্দেহ এসে পড়ে বাড়ির কিশোরী মেয়ের উপরে৷ Generated image
advertisement
advertisement
এই ঘটনার তদন্তে মেয়েটির কাছ থেকে ঘুমের ওষুধের পাশাপাশি বিষের একটি বোতলও উদ্ধার করা হয়েছে৷ সে স্বীকার করেছে যে, বিষের বোতলটা তার বয়ফ্রেন্ড তাকে দিয়েছিল। মেয়েটি আর তার বয়ফ্রেন্ড দু’জনে মিলে তার মাকে খুনের পরিকল্পনা করেছিল৷ কিন্তু, মাকে খুন করার সাহস না পাওয়ায়, তার খাবারে শুধু সে ঘুমের ওষুধই দিয়ে গিয়েছে৷ Generated image
advertisement
advertisement
এই বয়স এমনই হয়৷ এই সময় সন্তানরা ঠিক-ভুলের সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। জেদ করে৷ এই সময় তাই বাবা-মায়ের উচিত বকাঝকা না করে সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুর মতো আচরণ রা৷ তাদের বিশ্বাস ধরে রাখা৷ তাদের ঠিক এবং ভুলের মধ্যে পার্থক্য বোঝানো এবং তাদের বিশ্বাস করানো যে তার বাবা-মা প্রতিটি পরিস্থিতিতে তাদের পাশে আছে। যদি সন্তানরা তাদের মা-বাবাকে বন্ধু বলে মনে করে, তাহলে তাদের উপরে বাইরের লোকের প্রভাব কম পড়বে। Generated image
