advertisement

GK: জানেন কি, কলকাতার এই মন্দিরে কেন প্রসাদ হিসেবে দেওয়া হয় 'চাইনিজ' খাবার? বলতে পারবেন না তো...!

Last Updated:
চিনা কালী মন্দিরে হিন্দু আচার মিশেছে চিনা রন্ধনপ্রণালীর সঙ্গে। কীভাবে নুডলস ও মোমো প্রসাদে পরিণত হল— সম্প্রীতির এই প্রতীকের সেই গল্প জানুন।
1/8
GK: Do You Know Why This Temple In Kolkata Offers Chinese Food As Prasad?
কলকাতা মানেই সংস্কৃতির সহাবস্থান— যেখানে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে নানা ভাষা, খাদ্যসংস্কৃতি আর সম্প্রদায় একসঙ্গে বসবাস করেছে। সেই বহুত্বেরই এক বিরল উদাহরণ এই মন্দির। শহরের ‘চায়নাটাউন’ নামে পরিচিত এই এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা মন্দিরটি কেবল ধর্মীয় স্থান নয়, বরং সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের এক জীবন্ত দলিল।
advertisement
2/8
GK: Do You Know Why This Temple In Kolkata Offers Chinese Food As Prasad?
এই মন্দিরের বিশেষত্ব তার প্রসাদে। ফল-মিষ্টির বদলে এখানে ভক্তদের হাতে তুলে দেওয়া হয় নুডলস, মোমো বা অন্যান্য চিনা পদ। বহু বছর ধরে চিনা সম্প্রদায়ের উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই মন্দির আজ কৌতূহলী পর্যটক ও ভক্তদের কাছে সমান আকর্ষণের কেন্দ্র। ভক্তি, ইতিহাস ও রন্ধনসংস্কৃতির এই অনন্য সংমিশ্রণই চিনা কালী মন্দিরকে কলকাতার মানচিত্রে এক আলাদা গুরুত্ব দিয়েছে।
advertisement
3/8
GK: Do You Know Why This Temple In Kolkata Offers Chinese Food As Prasad?
ট্যাংরায় বসবাসকারী কলকাতার চিনা সম্প্রদায়ের সদস্যরা কয়েক দশক আগে এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁদের অনেকেই চর্মশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সময়ের সঙ্গে তাঁরা স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে যান এবং বাংলার অন্যতম আরাধ্য দেবী কালী-র প্রতি গভীর ভক্তি গড়ে ওঠে। সেই ভক্তির প্রকাশ ঘটেছিল তাঁদের নিজস্ব খাদ্যসংস্কৃতির মাধ্যমেই।
advertisement
4/8
GK: Do You Know Why This Temple In Kolkata Offers Chinese Food As Prasad?
প্রচলিত ফল-মিষ্টির বদলে তাঁরা নিজেদের পরিচিত খাবার— নুডলস ও অন্যান্য চিনা পদ— দেবীর উদ্দেশে নিবেদন করতে শুরু করেন। এটি নিছক অভিনবত্ব নয়, বরং তাঁদের কৃতজ্ঞতা ও বিশ্বাসের এক আন্তরিক প্রকাশ।
advertisement
5/8
GK: Do You Know Why This Temple In Kolkata Offers Chinese Food As Prasad?
যদিও প্রসাদে রয়েছে ভিন্নতা, মন্দিরের আচার-অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ হিন্দু শাস্ত্রানুগ। এখানে দেবী কালী ও শিবের বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত রয়েছে, এবং প্রতিদিন নিয়মমাফিক পুজো হয়। পার্থক্য শুধু নিবেদনে। প্রার্থনা শেষে ভক্তদের হাতে তুলে দেওয়া হয় নুডলস বা মোমোর থালা— যেন আশীর্বাদ, যা সংস্কৃতির সীমানা ছাড়িয়ে যায়।
advertisement
6/8
GK: Do You Know Why This Temple In Kolkata Offers Chinese Food As Prasad? এই প্রথা আসলে কলকাতার নিজস্ব চরিত্রের প্রতিফলন। এই শহর বরাবরই বহুত্ববাদী, যেখানে নানা ভাষা, ধর্ম ও সংস্কৃতি পাশাপাশি থেকেছে এবং একে অন্যকে সমৃদ্ধ করেছে। চিনা কালী মন্দির সেই সহাবস্থানের জীবন্ত প্রতীক।
এই প্রথা আসলে কলকাতার নিজস্ব চরিত্রের প্রতিফলন। এই শহর বরাবরই বহুত্ববাদী, যেখানে নানা ভাষা, ধর্ম ও সংস্কৃতি পাশাপাশি থেকেছে এবং একে অন্যকে সমৃদ্ধ করেছে। চিনা কালী মন্দির সেই সহাবস্থানের জীবন্ত প্রতীক।
advertisement
7/8
GK: Do You Know Why This Temple In Kolkata Offers Chinese Food As Prasad?
চিনা কালী মন্দির বা ‘চিনা কালী বাড়ি’। ভ্রমণপিপাসুদের জন্যও এই মন্দির একটি বিশেষ অভিজ্ঞতা। এখানে একদিকে মিলবে অনন্য প্রসাদ, অন্যদিকে প্রত্যক্ষ করা যাবে চিনা ও বাঙালি ঐতিহ্যের অপূর্ব মেলবন্ধন। ট্যাংরার রাস্তাঘাটেও ছড়িয়ে রয়েছে চিনা সম্প্রদায়ের ইতিহাস— পুরনো ট্যানারি থেকে শুরু করে ব্যস্ত রেস্তোরাঁ। মন্দিরে প্রসাদ গ্রহণের পর অনেকেই কাছাকাছি রেস্তোরাঁয় গিয়ে ইন্ডো-চাইনিজ পদ যেমন চিলি চিকেন, হাক্কা নুডলস বা সুইট কর্ন স্যুপের স্বাদ নেন।
advertisement
8/8
ট্যাংরা আসলে এক গল্প— অভিবাসন, মানিয়ে নেওয়া এবং সংস্কৃতির সংমিশ্রণের গল্প। আর চিনা কালী মন্দির সেই গল্পেরই এক উজ্জ্বল অধ্যায়।
ট্যাংরা আসলে এক গল্প— অভিবাসন, মানিয়ে নেওয়া এবং সংস্কৃতির সংমিশ্রণের গল্প। আর চিনা কালী মন্দির সেই গল্পেরই এক উজ্জ্বল অধ্যায়।
advertisement
advertisement
advertisement