GK: জানেন কি, কলকাতার এই মন্দিরে কেন প্রসাদ হিসেবে দেওয়া হয় 'চাইনিজ' খাবার? বলতে পারবেন না তো...!
- Published by:Tias Banerjee
Last Updated:
চিনা কালী মন্দিরে হিন্দু আচার মিশেছে চিনা রন্ধনপ্রণালীর সঙ্গে। কীভাবে নুডলস ও মোমো প্রসাদে পরিণত হল— সম্প্রীতির এই প্রতীকের সেই গল্প জানুন।
advertisement
এই মন্দিরের বিশেষত্ব তার প্রসাদে। ফল-মিষ্টির বদলে এখানে ভক্তদের হাতে তুলে দেওয়া হয় নুডলস, মোমো বা অন্যান্য চিনা পদ। বহু বছর ধরে চিনা সম্প্রদায়ের উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই মন্দির আজ কৌতূহলী পর্যটক ও ভক্তদের কাছে সমান আকর্ষণের কেন্দ্র। ভক্তি, ইতিহাস ও রন্ধনসংস্কৃতির এই অনন্য সংমিশ্রণই চিনা কালী মন্দিরকে কলকাতার মানচিত্রে এক আলাদা গুরুত্ব দিয়েছে।
advertisement
ট্যাংরায় বসবাসকারী কলকাতার চিনা সম্প্রদায়ের সদস্যরা কয়েক দশক আগে এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁদের অনেকেই চর্মশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সময়ের সঙ্গে তাঁরা স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে যান এবং বাংলার অন্যতম আরাধ্য দেবী কালী-র প্রতি গভীর ভক্তি গড়ে ওঠে। সেই ভক্তির প্রকাশ ঘটেছিল তাঁদের নিজস্ব খাদ্যসংস্কৃতির মাধ্যমেই।
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
চিনা কালী মন্দির বা ‘চিনা কালী বাড়ি’। ভ্রমণপিপাসুদের জন্যও এই মন্দির একটি বিশেষ অভিজ্ঞতা। এখানে একদিকে মিলবে অনন্য প্রসাদ, অন্যদিকে প্রত্যক্ষ করা যাবে চিনা ও বাঙালি ঐতিহ্যের অপূর্ব মেলবন্ধন। ট্যাংরার রাস্তাঘাটেও ছড়িয়ে রয়েছে চিনা সম্প্রদায়ের ইতিহাস— পুরনো ট্যানারি থেকে শুরু করে ব্যস্ত রেস্তোরাঁ। মন্দিরে প্রসাদ গ্রহণের পর অনেকেই কাছাকাছি রেস্তোরাঁয় গিয়ে ইন্ডো-চাইনিজ পদ যেমন চিলি চিকেন, হাক্কা নুডলস বা সুইট কর্ন স্যুপের স্বাদ নেন।
advertisement







