advertisement

Digha Jagannath Temple: বাতাসের বিপরীতে ওড়ে! রহস্যে ঘেরা নীলাচক্র! জগন্নাথ মন্দিরের চূড়ায় কেন বসান থাকে 'এই' চক্র, জানলে বিস্মিত হবেন

Last Updated:
Digha Jagannath Temple: দিঘা পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের চূড়ায় লাগান থাকে নীলাচক্র, নেপথ্যে রয়েছে কোন বৈজ্ঞানিক কারণ? জানলে চমকে উঠবেন আপনি...
1/6
*দিঘা পুরীর জগন্নাথ মন্দির অনেকেই দর্শন করেছেন। মন্দিরের গম্ভীর স্থাপত্য এবং চূড়ার সৌন্দর্য নিশ্চয়ই নজর কেড়েছে আপনার। বিশেষ করে মাথার ওপর থাকা নীলাচক্র নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। কিন্তু এই নীলাচক্র আসলে কী, তা অনেকেই জানেন না। এটি শুধু অলংকার নয়। শুধু ধর্মীয় কারণে এই নীলাচক্র থাকে না। এর পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক কারনও। দূর থেকেও এই চক্র স্পষ্ট দেখা যায়।
*দিঘা পুরীর জগন্নাথ মন্দির অনেকেই দর্শন করেছেন। মন্দিরের গম্ভীর স্থাপত্য এবং চূড়ার সৌন্দর্য নিশ্চয়ই নজর কেড়েছে আপনার। বিশেষ করে মাথার ওপর থাকা নীলাচক্র নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। কিন্তু এই নীলাচক্র আসলে কী, তা অনেকেই জানেন না। এটি শুধু অলংকার নয়। শুধু ধর্মীয় কারণে এই নীলাচক্র থাকে না। এর পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক কারনও। দূর থেকেও এই চক্র স্পষ্ট দেখা যায়।
advertisement
2/6
*নীলাচক্র বা নীলচক্র হল একটি ধাতব ডিস্ক। এটি জগন্নাথদেবের মন্দিরের শিখরের ওপর বসানো থাকে। তার সঙ্গে বাঁধা থাকে পতাকার দণ্ড। সেই দণ্ডেই উড়তে থাকে পবিত্র পতাকা। মূল মন্দিরের ওপর বড় নীলাচক্র বসানো হয়েছে। আবার ছোট ছোট মন্দিরগুলির ওপর অপেক্ষাকৃত ছোট নীলাচক্র স্থাপন করা হয়েছে।
*নীলাচক্র বা নীলচক্র হল একটি ধাতব ডিস্ক। এটি জগন্নাথদেবের মন্দিরের শিখরের ওপর বসানো থাকে। তার সঙ্গে বাঁধা থাকে পতাকার দণ্ড। সেই দণ্ডেই উড়তে থাকে পবিত্র পতাকা। মূল মন্দিরের ওপর বড় নীলাচক্র বসানো হয়েছে। আবার ছোট ছোট মন্দিরগুলির ওপর অপেক্ষাকৃত ছোট নীলাচক্র স্থাপন করা হয়েছে।
advertisement
3/6
*এই নীলাচক্র তৈরি হয় আটটি ধাতু দিয়ে। লোহা, তামা, দস্তা, পারদ, সীসা, টিন, রুপো এবং সোনা মিলিয়ে তৈরি হয় এটি। তাই একে অষ্টধাতুচক্রও বলা হয়। গঠনের দিক থেকেও এটি বিশেষ। একটি ছোট চক্র আটটি স্পোকের মাধ্যমে বাইরের বড় চক্রের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। বড় চক্রের বাইরের অংশে আটটি নবগুঞ্জর বসানো হয়েছে। তাদের দৃষ্টি থাকে পতাকার দিকে। ধর্মীয় প্রতীক এবং কারিগরী দক্ষতার অনন্য উদাহরণ এটি।
*এই নীলাচক্র তৈরি হয় আটটি ধাতু দিয়ে। লোহা, তামা, দস্তা, পারদ, সীসা, টিন, রুপো এবং সোনা মিলিয়ে তৈরি হয় এটি। তাই একে অষ্টধাতুচক্রও বলা হয়। গঠনের দিক থেকেও এটি বিশেষ। একটি ছোট চক্র আটটি স্পোকের মাধ্যমে বাইরের বড় চক্রের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। বড় চক্রের বাইরের অংশে আটটি নবগুঞ্জর বসানো হয়েছে। তাদের দৃষ্টি থাকে পতাকার দিকে। ধর্মীয় প্রতীক এবং কারিগরী দক্ষতার অনন্য উদাহরণ এটি।
advertisement
4/6
*মন্দিরের চূড়ায় যে লাল ও হলুদ পতাকা ওড়ে, তার নাম পতিতপাবন ধ্বজা। জগন্নাথ সংস্কৃতিতে এটি অত্যন্ত পবিত্র প্রতীক হিসেবে মানা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, নীলাচক্র ভগবান বিষ্ণুর শক্তিশালী অস্ত্র সুদর্শন চক্রের প্রতিনিধিত্ব করে। বিষ্ণুর অবতার শ্রীকৃষ্ণের অন্য রূপ হিসেবে জগন্নাথ মহাপ্রভুকে পুজো করা হয়। তাই মন্দিরের অন্দরে এই নীলাচক্রও পূজিত হন বলে প্রচলিত।
*মন্দিরের চূড়ায় যে লাল ও হলুদ পতাকা ওড়ে, তার নাম পতিতপাবন ধ্বজা। জগন্নাথ সংস্কৃতিতে এটি অত্যন্ত পবিত্র প্রতীক হিসেবে মানা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, নীলাচক্র ভগবান বিষ্ণুর শক্তিশালী অস্ত্র সুদর্শন চক্রের প্রতিনিধিত্ব করে। বিষ্ণুর অবতার শ্রীকৃষ্ণের অন্য রূপ হিসেবে জগন্নাথ মহাপ্রভুকে পুজো করা হয়। তাই মন্দিরের অন্দরে এই নীলাচক্রও পূজিত হন বলে প্রচলিত।
advertisement
5/6
*দিঘার ইতিহাস ও স্থাপত্য বিষয়ে গবেষক ইমন কল্যাণ জানার মতে, নীলাচক্র কোনও সাধারণ চাকার মতো নয়। এটি সুদর্শন চক্রের আদলে নির্মিত হয়েছে। সব দিক থেকেই এটি একইরকম দেখতে লাগে। সূর্যের আলোয় তার রঙ পরিবর্তিত হয়। সূর্যোদয়ের সময় এটি সাদা দেখায়। পরে ধীরে ধীরে হালকা নীল হয়। দুপুরে গাঢ় নীল হয়ে ওঠে। আবার সূর্যাস্তের সময় এটি বেগুনি আভা ধারণ করে, যা দর্শকদের মুগ্ধ করে।
*দিঘার ইতিহাস ও স্থাপত্য বিষয়ে গবেষক ইমন কল্যাণ জানার মতে, নীলাচক্র কোনও সাধারণ চাকার মতো নয়। এটি সুদর্শন চক্রের আদলে নির্মিত হয়েছে। সব দিক থেকেই এটি একইরকম দেখতে লাগে। সূর্যের আলোয় তার রঙ পরিবর্তিত হয়। সূর্যোদয়ের সময় এটি সাদা দেখায়। পরে ধীরে ধীরে হালকা নীল হয়। দুপুরে গাঢ় নীল হয়ে ওঠে। আবার সূর্যাস্তের সময় এটি বেগুনি আভা ধারণ করে, যা দর্শকদের মুগ্ধ করে।
advertisement
6/6
*নীলাচক্রকে ঘিরে নানা বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে। শোনা যায় মন্দিরের পতাকা বাতাসের বিপরীত দিকে উড়ে। আবার অনেকে বলেন, মন্দিরের ছায়া স্পষ্টভাবে দেখা যায় না। প্রতি একাদশীর রাতে ‘চক্রমনোহি’ আচার পালন করা হয়। তখন নীলাচক্রে মহাদীপ নিবেদন করা হয়। প্রতিদিন মন্দিরের সেবক পুরোনো পতাকার জায়গায় নতুন পতাকা বাঁধেন। বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে নীলাচক্র মন্দিরকে বজ্র ও বজ্রপাতজনিত সমস্যা থেকে রক্ষা করে। এবং মন্দিরের পাথরের গঠনের মজবুতি ও দৃঢ়তা রক্ষা করে এটি।
*নীলাচক্রকে ঘিরে নানা বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে। শোনা যায় মন্দিরের পতাকা বাতাসের বিপরীত দিকে উড়ে। আবার অনেকে বলেন মন্দিরের ছায়া স্পষ্টভাবে দেখা যায় না। প্রতি একাদশীর রাতে ‘চক্রমনোহি’ আচার পালন করা হয়। তখন নীলাচক্রে মহাদীপ নিবেদন করা হয়। প্রতিদিন মন্দিরের সেবক পুরোনো পতাকার জায়গায় নতুন পতাকা বাঁধেন। বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে নীলাচক্র মন্দিরকে বজ্র ও বজ্রপাতজনিত সমস্যা থেকে রক্ষা করে। এবং মন্দিরের পাথরের গঠনের মজবুতি ও দৃঢ়তা রক্ষা করে এটি।
advertisement
advertisement
advertisement