২০০১ সালের জুন মাসে চলা বিশ্বের দীর্ঘতম ট্রেনটির মোট দৈর্ঘ্য ছিল ৭.৩ কিলোমিটার এবং এতে ৬৮২টি কোচ ছিল। এই ট্রেন টানার জন্য 8টি লোকোমোটিভ ইঞ্জিন বসানো হয়েছিল। আসুন এই ট্রেনের ব্যাপারে আরও কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক।
advertisement
2/6
'অস্ট্রেলিয়ান বিএইচপি আয়রন অর' বিশ্বের দীর্ঘতম ট্রেন। ২১ জুন, ২০০১-এ চলা এই ট্রেনটি সবচেয়ে ভারী ট্রেনের পাশাপাশি দীর্ঘতম ট্রেনের জন্য বিশ্ব রেকর্ড করেছিল।
advertisement
3/6
আসলে এটি একটি পণ্যবাহী ট্রেন ছিল। ৬৮২টি কোচ ছিল এই ট্রেনে। ৯৯,৭৩৪ টন ওজনের এই ট্রেনটি টানার জন্য 8টি লোকোমোটিভ ইঞ্জিন যুক্ত করা হয়েছিল। ট্রেনটি ইয়ান্ডি এবং পোর্ট হেডল্যান্ডের মধ্যে ২৭৫ কিলোমিটার চলেছিল এবং ৮২ হাজার টন লৌহ আকরিক বহন করেছিল।
advertisement
4/6
বিশ্বের এই দীর্ঘতম ট্রেনটি একজন চালক চালিয়েছিলেন। ২৭৫ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে ১০ ঘন্টা ৪ মিনিট সময় লেগেছিল। এই ট্রেনের রেকর্ড এখন পর্যন্ত কেউ ভাঙতে পারেনি।
advertisement
5/6
এই ট্রেনটি ১৯৯১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় তৈরি বিশ্বের দীর্ঘতম ট্রেনের রেকর্ড ভেঙেছে। ওই পণ্যবাহী ট্রেনটিতে ৬৬০টি কোচ ছিল। সেটির দৈর্ঘ্য ছিল ৭.১৯ কিলোমিটার।
advertisement
6/6
শেশনাগ এবং সুপার ভাসুকি ভারতের দীর্ঘতম ট্রেনগুলির মধ্যে পড়ে। সুপার ভাসুকি হল দেশের দীর্ঘতম ট্রেন। এতে ২৯৫টি কোচ রয়েছে। ৩.৫ কিমি দীর্ঘ এই ট্রেন। শেশনাগ ট্রেনটি প্রায় ২.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটি চালানোর জন্য ৪টি ইঞ্জিন রয়েছে।