MBBS-এ প্রতিবন্ধী কোটায় ভর্তি হতে নিজের পা কেটে ফেললেন যুবক! উত্তরপ্রদেশের ঘটনা হতবাক করবে আপনাকেও!
- Published by:Soumendu Chakraborty
- news18 bangla
Last Updated:
প্রতিবন্ধী কোটা কাজে লাগিয়ে MBBS কোর্সে ভর্তি হওয়ার আশায় এক যুবক নিজের পা কেটে ফেলেছেন বলে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে।
advertisement
advertisement
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যুবক তাঁর বাঁ পায়ের চারটি আঙুল কেটে ফেলেন, শুধু পায়ের বুড়ো আঙুল অক্ষত থাকে। এই বিষয়টি তিনি নিজের বান্ধবীকে জানিয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।ঘটনাটি ঘটেছে লাইন বাজার থানা এলাকার মধ্যে। যুবকের নাম সুরজ ভাস্কর, যুবকের বয়স ২৪ বছর। তিনি খলিলপুরের বাসিন্দা। পরিবারে রয়েছেন তাঁর মা, এক দাদা এবং এক বোন। দাদা কর্মরত। সুরজ ডি-ফার্মা পাশ করেছেন এবং গত তিন বছর ধরে এমবিবিএসের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
advertisement
১৮ জানুয়ারি রাতে সুরজ তাঁর নির্মীয়মাণ একটি বাড়িতে একা ঘুমোচ্ছিলেন। পরদিন সকালে তাঁর বাঁ পা কাটা অবস্থায় পাওয়া যায়। পরিবারের তরফে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। প্রথমে তাঁকে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।সুরজ পুলিশের কাছে দাবি করেন, রাতে বাড়িতে ফেরার পর প্রায় রাত ১২টা নাগাদ দু’জন অচেনা ব্যক্তি এসে তাঁর উপর হামলা চালায়। মারধরের ফলে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। ভোর পাঁচটা নাগাদ জ্ঞান ফিরে পেয়ে দেখেন, তাঁর পায়ের আঙুল কেটে ফেলা হয়েছে। এরপর তিনি জেলা হাসপাতালে যান।
advertisement
advertisement
তদন্ত চলাকালীন পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সিরিঞ্জ , অ্যানাস্থেসিয়ার শিশি এবং একটি করাত মেশিন উদ্ধার করে। কল ডিটেইল রেকর্ড , ঘটনাস্থলের ফরেনসিক পরীক্ষা এবং সন্দেহভাজনদের জেরা করে পুলিশ নিশ্চিত হয়— এই ঘটনায় কোনও বহিরাগত জড়িত নেই। জৌনপুরের সিটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ গোল্ডি গুপ্তা বলেন, “ঘটনাস্থল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হয়েছে। CDR বিশ্লেষণ এবং জেরায় প্রমাণ মিলেছে, বাইরে থেকে কেউ হামলা করেনি।”
advertisement
পুলিশ জানিয়েছে, এমবিবিএসে বারবার ব্যর্থ হওয়ায় সুরজ মানসিক চাপ ও অবসাদে ভুগছিলেন। ডি-ফার্মা পাশ করার কারণে চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রাথমিক জ্ঞান ছিল তাঁর। সেই জ্ঞান ব্যবহার করেই তিনি নিজেই এই ঘটনা ঘটান, যাতে প্রতিবন্ধী কোটায় সুযোগ পাওয়া যায়। পুলিশ জানিয়েছে, সুরজের চিকিৎসা চলছে, তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। তবে এই ঘটনা তরুণদের উপর পড়াশোনার ক্রমবর্ধমান মানসিক চাপের এক ভয়াবহ দিক তুলে ধরেছে






