advertisement

Digital Census: ১ এপ্রিল থেকে শুরু Digital Census! ঘরে বসেই কীভাবে রেজিস্টার করবেন? কোন কোন বিষয়ে প্রশ্ন থাকবে? জেনে নিন খুঁটিনাটি

Last Updated:
ভারত প্রথমবার সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণনা করতে চলেছে, যা দেশের জনসংখ্যার তথ্য সংগ্রহের ব্যবস্থায় বড়সড় পরিবর্তন আনবে। আগামী ১ এপ্রিল থেকে আটটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে হাউস লিস্টিং ও হাউজিং সেন্সাস পর্ব দিয়ে এই প্রক্রিয়ার সূচনা হবে।
1/8
ভারত প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণনা শুরু করতে প্রস্তুত, যা দেশের জনসংখ্যার তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতিতে এক বড় পরিবর্তন আনতে চলেছে। আগামী ১ এপ্রিল থেকে আটটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে হাউস লিস্টিং ও হাউজিং সেন্সাস ধাপের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া শুরু হবে।
ভারত প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণনা শুরু করতে প্রস্তুত, যা দেশের জনসংখ্যার তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতিতে এক বড় পরিবর্তন আনতে চলেছে। আগামী ১ এপ্রিল থেকে আটটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে হাউস লিস্টিং ও হাউজিং সেন্সাস ধাপের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া শুরু হবে।
advertisement
2/8
এই জনগণনা দু’টি পর্যায়ে সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে। প্রথম পর্যায়ে পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে—যার মধ্যে থাকবে বাসস্থানের অবস্থা ও মৌলিক পরিষেবার প্রাপ্যতা। দ্বিতীয় পর্যায়, অর্থাৎ জনসংখ্যা গণনার সময়, ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রথমবারের মতো জাতিগত (কাস্ট) তথ্যও ডিজিটালভাবে নথিভুক্ত করা হবে।
এই জনগণনা দু’টি পর্যায়ে সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে। প্রথম পর্যায়ে পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে—যার মধ্যে থাকবে বাসস্থানের অবস্থা ও মৌলিক পরিষেবার প্রাপ্যতা। দ্বিতীয় পর্যায়, অর্থাৎ জনসংখ্যা গণনার সময়, ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রথমবারের মতো জাতিগত (কাস্ট) তথ্যও ডিজিটালভাবে নথিভুক্ত করা হবে।
advertisement
3/8
রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সেন্সাস কমিশনার মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ জানিয়েছেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে যাওয়ার মূল লক্ষ্য হল নির্ভুলতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা। প্রায় ৩০ লক্ষ গণনাকারী অ্যান্ড্রয়েড ও iOS ডিভাইসে উপলব্ধ মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করবেন। এই অ্যাপটি ১৬টি ভাষায় কাজ করতে পারে এবং ইন্টারনেট ছাড়াও ব্যবহারযোগ্য, ফলে দূরবর্তী ও গ্রামীণ এলাকাতেও এটি কার্যকর হবে।
রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সেন্সাস কমিশনার মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ জানিয়েছেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে যাওয়ার মূল লক্ষ্য হল নির্ভুলতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা। প্রায় ৩০ লক্ষ গণনাকারী অ্যান্ড্রয়েড ও iOS ডিভাইসে উপলব্ধ মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করবেন। এই অ্যাপটি ১৬টি ভাষায় কাজ করতে পারে এবং ইন্টারনেট ছাড়াও ব্যবহারযোগ্য, ফলে দূরবর্তী ও গ্রামীণ এলাকাতেও এটি কার্যকর হবে।
advertisement
4/8
সাধারণ মানুষ চাইলে স্ব-নিবন্ধন (self-enumeration) পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনেও নিজেদের তথ্য জমা দিতে পারবেন। তথ্য জমা দেওয়ার পর একটি ইউনিক সেলফ-এনুমারেশন আইডি দেওয়া হবে, যা যাচাইকরণের সময় কর্মকর্তাদের দেখাতে হবে।
সাধারণ মানুষ চাইলে স্ব-নিবন্ধন (self-enumeration) পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনেও নিজেদের তথ্য জমা দিতে পারবেন। তথ্য জমা দেওয়ার পর একটি ইউনিক সেলফ-এনুমারেশন আইডি দেওয়া হবে, যা যাচাইকরণের সময় কর্মকর্তাদের দেখাতে হবে।
advertisement
5/8
প্রথম পর্যায়ের প্রশ্নপত্রে মোট ৩৩টি প্রশ্ন থাকবে। এর মধ্যে থাকবে বাড়ির ধরন, নির্মাণ সামগ্রী, মালিকানার অবস্থা, পরিবারের সদস্যসংখ্যা, পানীয় জল ও স্যানিটেশন সুবিধা, রান্নার জ্বালানি, এবং ইন্টারনেট, স্মার্টফোন, যানবাহন ও অন্যান্য গৃহস্থালি সামগ্রীর প্রাপ্যতা সম্পর্কিত তথ্য।
প্রথম পর্যায়ের প্রশ্নপত্রে মোট ৩৩টি প্রশ্ন থাকবে। এর মধ্যে থাকবে বাড়ির ধরন, নির্মাণ সামগ্রী, মালিকানার অবস্থা, পরিবারের সদস্যসংখ্যা, পানীয় জল ও স্যানিটেশন সুবিধা, রান্নার জ্বালানি, এবং ইন্টারনেট, স্মার্টফোন, যানবাহন ও অন্যান্য গৃহস্থালি সামগ্রীর প্রাপ্যতা সম্পর্কিত তথ্য।
advertisement
6/8
সেন্সাস পোর্টালের FAQ অনুযায়ী, লিভ-ইন সম্পর্কেও থাকা দম্পতিদের ‘বিবাহিত’ হিসেবে গণ্য করা হবে, যদি তারা নিজেদের সম্পর্ককে স্থায়ী হিসেবে মনে করেন।
সেন্সাস পোর্টালের FAQ অনুযায়ী, লিভ-ইন সম্পর্কেও থাকা দম্পতিদের ‘বিবাহিত’ হিসেবে গণ্য করা হবে, যদি তারা নিজেদের সম্পর্ককে স্থায়ী হিসেবে মনে করেন।
advertisement
7/8
স্ব-নিবন্ধনের সুযোগটি কর্মকর্তারা বাড়িতে যাওয়ার প্রায় ১৫ দিন আগে চালু হবে, যাতে মানুষ আগেভাগেই নিজেদের তথ্য জমা দিতে পারেন।প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য কোনও নথির প্রয়োজন হবে না এবং সমস্ত তথ্য গোপন রাখা হবে। জনগণনার নির্ধারিত রেফারেন্স তারিখ হল ১ মার্চ, ২০২৭-এর মধ্যরাত। হাউজিং পর্যায়টি ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে, যদিও বিভিন্ন অঞ্চলে সময়সূচিতে কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে।
স্ব-নিবন্ধনের সুযোগটি কর্মকর্তারা বাড়িতে যাওয়ার প্রায় ১৫ দিন আগে চালু হবে, যাতে মানুষ আগেভাগেই নিজেদের তথ্য জমা দিতে পারেন।প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য কোনও নথির প্রয়োজন হবে না এবং সমস্ত তথ্য গোপন রাখা হবে। জনগণনার নির্ধারিত রেফারেন্স তারিখ হল ১ মার্চ, ২০২৭-এর মধ্যরাত। হাউজিং পর্যায়টি ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে, যদিও বিভিন্ন অঞ্চলে সময়সূচিতে কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে।
advertisement
8/8
১১,৭১৮.২৪ কোটি টাকার বাজেট এবং ৬.৩৯ লক্ষেরও বেশি প্রশাসনিক ইউনিটের অংশগ্রহণে এই জনগণনা ভবিষ্যতের সরকারি নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
১১,৭১৮.২৪ কোটি টাকার বাজেট এবং ৬.৩৯ লক্ষেরও বেশি প্রশাসনিক ইউনিটের অংশগ্রহণে এই জনগণনা ভবিষ্যতের সরকারি নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
advertisement
advertisement
advertisement