advertisement

Ajit Pawar Dies In Plane Crash: কাকা শরদের ছায়া থেকে বেরিয়েছিলেন... হয়ে উঠেছিলেন সবার ‘দাদা’! কেমন ছিল অজিত পওয়ারের রাজনৈতিক জীবন?

Last Updated:
ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির শীর্ষ নেতা তিনি। এনডিএ সরকারের শরিক। উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে সব থেকে বেশি দিন গদিতে। ১৯৫৯ সালে ২২ জুলাই জন্ম অজিত অন্তরাও পওয়ারের৷ বাবার নাম অন্তরাও এবং মা আশাতাই পওয়ার৷ শরদ পওয়ারের বড় ভাই ছিলেন অজিত পওয়ারের বাবা৷ অর্থাৎ, ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি, এনসিপি-র প্রতিষ্ঠাতা শরদ পওয়ারের নিজের ভাইপো হলেন অজিত পওয়ার৷
1/7
ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির শীর্ষ নেতা তিনি। এনডিএ সরকারের শরিক। উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে সব থেকে বেশি দিন গদিতে। ১৯৫৯ সালে ২২ জুলাই জন্ম অজিত অন্তরাও পওয়ারের৷ বাবার নাম অন্তরাও এবং মা আশাতাই পওয়ার৷ শরদ পওয়ারের বড় ভাই ছিলেন অজিত পওয়ারের বাবা৷ অর্থাৎ, ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি, এনসিপি-র প্রতিষ্ঠাতা শরদ পওয়ারের নিজের ভাইপো হলেন অজিত পওয়ার৷
ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির শীর্ষ নেতা তিনি। এনডিএ সরকারের শরিক। উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে সব থেকে বেশি দিন গদিতে। ১৯৫৯ সালে ২২ জুলাই জন্ম অজিত অন্তরাও পওয়ারের৷ বাবার নাম অন্তরাও এবং মা আশাতাই পওয়ার৷ শরদ পওয়ারের বড় ভাই ছিলেন অজিত পওয়ারের বাবা৷ অর্থাৎ, ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি, এনসিপি-র প্রতিষ্ঠাতা শরদ পওয়ারের নিজের ভাইপো হলেন অজিত পওয়ার৷
advertisement
2/7
৬৬ বছর বয়সী অজিত পওয়ার ছিলেন মহারাষ্ট্রের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালনকারী উপমুখ্যমন্ত্রী, যিনি বিভিন্ন সরকারের অধীনে ছয়বার এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি পৃথ্বীরাজ চৌহান, দেবেন্দ্র ফড়নবিশ, উদ্ধব ঠাকরে এবং একনাথ শিন্ডের প্রশাসনে দায়িত্ব পালন করেছেন।
৬৬ বছর বয়সী অজিত পওয়ার ছিলেন মহারাষ্ট্রের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালনকারী উপমুখ্যমন্ত্রী, যিনি বিভিন্ন সরকারের অধীনে ছয়বার এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি পৃথ্বীরাজ চৌহান, দেবেন্দ্র ফড়নবিশ, উদ্ধব ঠাকরে এবং একনাথ শিন্ডের প্রশাসনে দায়িত্ব পালন করেছেন।
advertisement
3/7
মহারাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে উপ মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি৷ ভিন্ন ভিন্ন দল সরকার গড়েছে, কিন্তু, তিনি ওই পদেই দায়িত্ব সামলেছেন৷ মহারাষ্ট্রের তৃণমূলস্তরের রাজনীতি ছিল তাঁর হাতের রেখার মতো চেনা৷ বিশেষ করে পশ্চিম মহারাষ্ট্রের৷
মহারাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে উপ মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি৷ ভিন্ন ভিন্ন দল সরকার গড়েছে, কিন্তু, তিনি ওই পদেই দায়িত্ব সামলেছেন৷ মহারাষ্ট্রের তৃণমূলস্তরের রাজনীতি ছিল তাঁর হাতের রেখার মতো চেনা৷ বিশেষ করে পশ্চিম মহারাষ্ট্রের৷
advertisement
4/7
বিগত ৩ দশক ধরে এই বারামতী ঘিরেই দিনে দিনে বেড়ে উঠেছিল অজিত পওয়ারের রাজনৈতিক জীবন৷ তখনও তাঁর কাকার রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় রয়েছেন৷ এই বারামতীই তরুণ অজিত পওয়ারকে দিয়েছিল নিজস্ব সাম্রাজ্য৷ শিখেছিলেন রাজনীতি এবং ক্ষমতার খেলা৷
বিগত ৩ দশক ধরে এই বারামতী ঘিরেই দিনে দিনে বেড়ে উঠেছিল অজিত পওয়ারের রাজনৈতিক জীবন৷ তখনও তাঁর কাকার রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় রয়েছেন৷ এই বারামতীই তরুণ অজিত পওয়ারকে দিয়েছিল নিজস্ব সাম্রাজ্য৷ শিখেছিলেন রাজনীতি এবং ক্ষমতার খেলা৷
advertisement
5/7
১৯৮২ সালে আঁখ কোঅপারেটিভ সেক্টরের মাধ্যমে রাজনীতিতে হাতেখড়ি অজিত পওয়ারের৷ এরপর ১৯৯১ সালে তিনি পুণে জেলা সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন এবং তার কিছুদিন পরেই বারামতী বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা শুরু করেন৷
১৯৮২ সালে আঁখ কোঅপারেটিভ সেক্টরের মাধ্যমে রাজনীতিতে হাতেখড়ি অজিত পওয়ারের৷ এরপর ১৯৯১ সালে তিনি পুণে জেলা সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন এবং তার কিছুদিন পরেই বারামতী বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা শুরু করেন৷
advertisement
6/7
বছরের পর বছর ধরে, তিনি বিশেষ করে পশ্চিম মহারাষ্ট্র জুড়ে নিজের একটি স্বাধীন সাম্রাজ্য তৈরি করেন। তবে, তাঁর উত্থানের সাথে সাথে পরিবারের মধ্যে ক্রমবর্ধমান দ্বন্দ্বও ঘটে৷ কারণ, সুপ্রিয়া সুলে এবং রোহিত পওয়ারের মতো নতুন নেতারাও প্রাধান্য লাভ করতে শুরু করেছিলেন ততদিনে।
বছরের পর বছর ধরে, তিনি বিশেষ করে পশ্চিম মহারাষ্ট্র জুড়ে নিজের একটি স্বাধীন সাম্রাজ্য তৈরি করেন। তবে, তাঁর উত্থানের সাথে সাথে পরিবারের মধ্যে ক্রমবর্ধমান দ্বন্দ্বও ঘটে৷ কারণ, সুপ্রিয়া সুলে এবং রোহিত পওয়ারের মতো নতুন নেতারাও প্রাধান্য লাভ করতে শুরু করেছিলেন ততদিনে।
advertisement
7/7
২০১৯ সালের নভেম্বরে, অজিত কিছু সময়ের জন্য বিজেপির সাথে সরকার গঠনের জন্য দলত্যাগ করেন...যে সরকার মাত্র ৮০ ঘণ্টা স্থায়ী হয়েছিল।কিন্তু ২০২৩ সালের জুলাই মাসে এই ভাঙন স্থায়ী হয়ে যায়, যখন অজিত পওয়ার আবারও বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারে যোগ দেন বিধায়কদের একটি অংশকে নিয়ে... এবার উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে। এই পদক্ষেপের ফলে এনসিপি বিভক্ত হয়ে যায়। নির্বাচন কমিশন তাঁর দলকে দলের নাম এবং প্রতীক প্রদান করে।
২০১৯ সালের নভেম্বরে, অজিত কিছু সময়ের জন্য বিজেপির সাথে সরকার গঠনের জন্য দলত্যাগ করেন...যে সরকার মাত্র ৮০ ঘণ্টা স্থায়ী হয়েছিল।কিন্তু ২০২৩ সালের জুলাই মাসে এই ভাঙন স্থায়ী হয়ে যায়, যখন অজিত পওয়ার আবারও বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারে যোগ দেন বিধায়কদের একটি অংশকে নিয়ে... এবার উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে। এই পদক্ষেপের ফলে এনসিপি বিভক্ত হয়ে যায়। নির্বাচন কমিশন তাঁর দলকে দলের নাম এবং প্রতীক প্রদান করে।
advertisement
advertisement
advertisement