advertisement

Kidneys Health: মুখ দেখেই বোঝা যায় পচছে কিডনি! যদি শরীরে 'এই' লক্ষণ দেখা দেয়, মৃত্যুও হতে পারে! আজই চিকিৎসকের কাছে যান

Last Updated:
Kidneys Health: আপনার মুখেই ফুটে উঠতে পারে কিডনি খারাপের লক্ষণ। শরীরে কোন কোন সমস্যা দেখা দিলে বুঝবেন বিপদ বাড়ছে? জানুন চিকিৎসকের মত...
1/7
*কিডনি আমাদের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর মধ্যে একটি। কিডনির প্রধান কাজ রক্তকে বিশুদ্ধ করা এবং বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করা। মানবদেহে এই অঙ্গগুলোই সবচেয়ে বেশি পরিশ্রম করে। এমন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কার্যকারিতা ব্যাহত হলে গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। ছবিঃ এআই।
*কিডনি আমাদের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর মধ্যে একটি। কিডনির প্রধান কাজ রক্তকে বিশুদ্ধ করা এবং বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করা। মানবদেহে এই অঙ্গগুলোই সবচেয়ে বেশি পরিশ্রম করে। এমন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কার্যকারিতা ব্যাহত হলে গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। ছবিঃ এআই।
advertisement
2/7
*কিডনির রোগের লক্ষণগুলো শুরুতে খুব একটা চোখে পড়ে না। কিন্তু আমাদের শরীর কিছু ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে সতর্ক করে। সময়মতো এগুলি শনাক্ত করা গেলে আমরা জীবন-মৃত্যুর পরিস্থিতি এড়াতে পারি। অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট এবং পেইন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডঃ কুনাল সুদ একটি ইনস্টাগ্রামের একটি ভিডিওতে কিডনি রোগের প্রাথমিক লক্ষণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন। ছবিঃ এআই।
*কিডনির রোগের লক্ষণগুলো শুরুতে খুব একটা চোখে পড়ে না। কিন্তু আমাদের শরীর কিছু ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে সতর্ক করে। সময়মতো এগুলি শনাক্ত করা গেলে আমরা জীবন-মৃত্যুর পরিস্থিতি এড়াতে পারি। অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট এবং পেইন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডঃ কুনাল সুদ একটি ইনস্টাগ্রামের একটি ভিডিওতে কিডনি রোগের প্রাথমিক লক্ষণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন। ছবিঃ এআই।
advertisement
3/7
*প্রস্রাবের রঙের পরিবর্তনঃ প্রস্রাবের রঙ সাধারণত ফিকে হলুদ হয়। কিন্তু যদি এটি চায়ের মতো হলুদ বা গাঢ় বাদামী হয়ে যায়, তার মানে কিডনির উপর মারাত্মক চাপ পড়ছে। পেশীর ক্ষতি বা প্রস্রাবে রক্তের কারণে এই রঙের পরিবর্তন হয়। এটি কিডনির ক্ষতির একটি প্রধান লক্ষণ। ছবিঃ এআই।
*প্রস্রাবের রঙের পরিবর্তনঃ প্রস্রাবের রঙ সাধারণত ফিকে হলুদ হয়। কিন্তু যদি এটি চায়ের মতো হলুদ বা গাঢ় বাদামী হয়ে যায়, তার মানে কিডনির উপর মারাত্মক চাপ পড়ছে। পেশীর ক্ষতি বা প্রস্রাবে রক্তের কারণে এই রঙের পরিবর্তন হয়। এটি কিডনির ক্ষতির একটি প্রধান লক্ষণ। ছবিঃ এআই।
advertisement
4/7
*প্রস্রাবে ফেনাঃ প্রস্রাবের সঙ্গে ফেনা দেখা গেলে, এটি কিডনির ফিল্টার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার লক্ষণ। কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হলে রক্তে থাকা প্রোটিন (অ্যালবুমিন) প্রস্রাবের মাধ্যমে বেরিয়ে আসে। ফলে প্রস্রাবের উপরিভাগে ফেনা জমে। এমন লক্ষণ দেখলে অবিলম্বে প্রস্রাব পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া ভাল। ছবিঃ এআই।
*প্রস্রাবে ফেনাঃ প্রস্রাবের সঙ্গে ফেনা দেখা গেলে, এটি কিডনির ফিল্টার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার লক্ষণ। কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হলে রক্তে থাকা প্রোটিন (অ্যালবুমিন) প্রস্রাবের মাধ্যমে বেরিয়ে আসে। ফলে প্রস্রাবের উপরিভাগে ফেনা জমে। এমন লক্ষণ দেখলে অবিলম্বে প্রস্রাব পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া ভাল। ছবিঃ এআই।
advertisement
5/7
*চোখ ও মুখ ফোলাঃ সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর চোখের নিচে ফোলাভাব বা মুখ ফোলা কিডনির সমস্যা হতে পারে। শরীরে সোডিয়াম (লবণ)-এর মাত্রা বেড়ে গেলে বা প্রোটিন কমে গেলে টিস্যুতে জল প্রবেশ করে। বিশেষ করে চোখের পাতার চারপাশের চামড়া আলগা হয়ে গেলে সেখানে দ্রুত ফোলাভাব দেখা দেয়। ছবিঃ এআই।
*চোখ ও মুখ ফোলাঃ সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর চোখের নিচে ফোলাভাব বা মুখ ফোলা কিডনির সমস্যা হতে পারে। শরীরে সোডিয়াম (লবণ)-এর মাত্রা বেড়ে গেলে বা প্রোটিন কমে গেলে টিস্যুতে জল প্রবেশ করে। বিশেষ করে চোখের পাতার চারপাশের চামড়া আলগা হয়ে গেলে সেখানে দ্রুত ফোলাভাব দেখা দেয়। ছবিঃ এআই।
advertisement
6/7
*ক্ষুধামন্দাঃ কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে রক্তে বর্জ্য (টক্সিন) বেড়ে যায়। ফলে আমাদের ক্ষুধা কমে যায় এবং সারাক্ষণ বমি বমি ভাব হয়। এছাড়াও, কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে লোহিত রক্তকণিকার উৎপাদন কমে যায় এবং অ্যানিমিয়া দেখা দেয়। ফলে কোনও কাজ না করলেও আমরা প্রচণ্ড ক্লান্ত বোধ করি। ডাঃ কুনাল সুদ জানিয়েছেন, যে কিডনি রোগে আক্রান্ত প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ এই ক্লান্তি অনুভব করেন। ছবিঃ এআই।
*ক্ষুধামন্দাঃ কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে রক্তে বর্জ্য (টক্সিন) বেড়ে যায়। ফলে আমাদের ক্ষুধা কমে যায় এবং সারাক্ষণ বমি বমি ভাব হয়। এছাড়াও, কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে লোহিত রক্তকণিকার উৎপাদন কমে যায় এবং অ্যানিমিয়া দেখা দেয়। ফলে কোনও কাজ না করলেও আমরা প্রচণ্ড ক্লান্ত বোধ করি। ডাঃ কুনাল সুদ জানিয়েছেন, যে কিডনি রোগে আক্রান্ত প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ এই ক্লান্তি অনুভব করেন। ছবিঃ এআই।
advertisement
7/7
*গোড়ালি ফোলাঃ যখন কিডনি ঠিকমতো কাজ করে না, তখন শরীরে জল ও লবণ জমা হয়। অভিকর্ষের কারণে এই জল পায়ের নিচের অংশে পৌঁছয়। ফলে গোড়ালিতে ফোলাভাব দেখা দেয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে 'ইডিমা' বলা হয়। এর পাশাপাশি, ঘন ঘন প্রস্রাব, বিশেষ করে রাতে, পেশিতে টান ধরা, শ্বাসকষ্ট এবং অনিদ্রা, এগুলো সবই কিডনি রোগের লক্ষণ।
*গোড়ালি ফোলাঃ যখন কিডনি ঠিকমতো কাজ করে না, তখন শরীরে জল ও লবণ জমা হয়। অভিকর্ষের কারণে এই জল পায়ের নিচের অংশে পৌঁছয়। ফলে গোড়ালিতে ফোলাভাব দেখা দেয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে 'ইডিমা' বলা হয়। এর পাশাপাশি, ঘন ঘন প্রস্রাব, বিশেষ করে রাতে, পেশিতে টান ধরা, শ্বাসকষ্ট এবং অনিদ্রা, এগুলো সবই কিডনি রোগের লক্ষণ।
advertisement
advertisement
advertisement