কালী মানেই শক্তির আরাধনা ৷ কালী পুজোয়ে আন্ধকারের মেজাজ পাওয়া যায় তীব্রভাবে ৷ কিছুটা যেন রহস্যেই মোড়া থাকে কালীপুজোর স্থানগুলো ৷ মা কালীও রহস্যের প্রতীক ৷ যে কোনও কালীর পীঠস্থান নিয়েই নানাবিধ গা ছমছমে গল্পগাঁথা থাকে ৷ আসক্তি মুক্তি থেকেই মেলে মা কালীর আর্শিবাদ ৷ কারণ যে নগ্নরূপে মা আবির্ভূত হন তা আসলে আসক্তিমুক্ত হওয়ারই প্রতীক ৷ মা কালী বিভিন্ন রূপে আবির্ভূত হন ৷ প্রতিটি রূপের আলাদা অর্থ রয়েছে ৷ Photo Collected
advertisement
advertisement
ভদ্রকালী-পাতালের দেবী ৷ তবে বিশেষ বিশেষ অঞ্চলে ইনি পুজিতা হন ৷ তবে ভদ্রাকালী যেহেতু পাতাল কালি,কথিত যে নিজে পাতাল থেকে উঠে না এলে মানুষের পক্ষে তার পুজা করা সম্ভব নয় ৷ ভদ্রাকালী স্থান ভেদে এই কালী মহাকালী নামেও পরিচিত। তবে ভদ্রাকালী ও মহাকালী এক,কারন উভয়ের পুজোর ধ্যানমন্ত্রও এক ৷ Photo Collected
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
নিশাকালী- নিশাকালী নিয়ে মতভেদ আছে ৷ বলা হয়ে থাকে ইনি জেলেদের রক্ষাকারী, দুর্যোগময় রাতে জেলেরা সমুদ্রে গেলে তার পুজা করে যেতেন,অবিশ্বাস্য হলেও সত্য তার চরন ছোয়া ফুল যে নৌকায় থাকতো সেই নৌকা কদাচিৎ ডুবতোই না। এছাড়া আধিভৌতিক ভীতি কাটানোর জন্যও এই দেবী প্রসিদ্ধ। আবার অন্যমতভেদও আছে ৷ কোন এক সময় এক গ্রামের কয়েকজন পুরুষ নৌকা নিয়ে বের হয়ে ৷ পথে প্রচণ্ড ঝড় শুরু হয়। সেই সময় সকল ধীবর পত্নী তাদের স্বামীদের জন্য দেবী মন্দিরে উপস্থিত হয়ে প্রার্থনা করতে থাকে,সেই সময় একজন বৃদ্ধা এসে তাদের নিশাকালীর মাহাত্ম্য কথা বলে তাদের বলেন,যে কুলে স্বয়ং দেবী জন্ম নিয়েছিলেন,সেই কুলের রুক্ষাকর্ত্রী দেবী নিজেই,তাই তার রুপ নিশাকালীর ব্রত করো,তিনিই দুর্যোগময় রাতে তোমাদের পতিদের রক্ষা করবেন, সেই থেকে জেলেকুলে ধুমধামের সাথে দেবীর স্থান হলেও কালক্রমে নিশাকালীর পুজা প্রথা বিলীন হয়ে যায়,কিন্তু স্থানভেদে কিছু জায়গায় এখনো তার পুজা বিদ্যমান। Photo Collected
advertisement
advertisement
কাম্যকালী- আমাদের বিশেষ কামনায় বা বিশেষ প্রার্থনায় যে কালীপুজা আয়োজন করা হয়,তাকেই কাম্যকালী পুজা বলা হয় ৷ পুজা বিধি দক্ষিনাকালীর মতই। সাধারনত অষ্টমী, চতুর্দ্দশী অমাবস্যা পুর্ণিমা ও সংক্রান্তিকে পর্বদিন বলে। পর্বসমুহের মধ্যে অমাবস্যাকে বলা হয় মহাপর্ব। বিশেষ কামনায় এই সকল তিথিতে যে পুজা করা হয় তাকেই কাম্যকালী পুজা বলা হয়। Photo Collected
advertisement
শ্মশান কালী- শ্মশানের অধিষ্ঠাত্রী দেবীই হলেন শ্মশানকালী। তার পুজাবিধি একটু অন্যপ্রকার। সাধারনত বলা হয়ে থাকে যে গৃহীদের জন্য এই দেবীর পুজা নিষিদ্ধ।সেই সকল গৃহীই তার পুজা করতে পারে,যে শশ্বানে তাদের পরিবারের দেহ রাখা হয়েছে এবং শুধুমাত্র সেই শ্মশানকালীর পুজা তারা করতে পারেন। কিন্তু সব শ্মশানেই শ্মশানকালী থাকে না।ছোট ছোট শ্বশান মিলে একটি মহাশ্বশান হয়,আর কয়েকটি মহাশ্বশান নিয়েই শ্বশানপীঠ হয়,এই পীঠেই দেবী অবস্থান করেন ৷ Photo Collected







