advertisement

GK: Chocolate Capital of India: বলুন তো কোন শহরকে বলা হয় ‘ভারতের চকোলেটের রাজধানী’? সঠিক উত্তর আপনি জানেন না...গ্যারান্টি!!! মিলিয়ে নিন

Last Updated:
GK: Chocolate Capital of India: এই শহরের শীতল জলবায়ু এটিকে চকোলেট তৈরির জন্য আদর্শ করে তোলে, স্থানীয় উৎপাদকদের ন্যূনতম রেফ্রিজারেশনে কাজ করার সুযোগ করে দেয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, ছোট ছোট পরিবার পরিচালিত ইউনিটগুলি সহজ পদ্ধতি এবং তাজা উপাদান ব্যবহার করে হস্তনির্মিত চকোলেট (Handmade Chocolate) তৈরি করতে শুরু করে।
1/6
তামিলনাড়ুর নীলগিরি পাহাড়ের একটি পাহাড়ি শহর যা বছরের পর বছর ধরে একটি মিষ্টি ডাকনামে পরিচিত হয়ে এসেছে। কারিগরি ক্যাফে এবং বিলাসবহুল ডেজার্ট ব্র্যান্ড জনপ্রিয় হওয়ার অনেক আগে থেকেই, এই জায়গায় বেড়াতে আসা ভ্রমণকারীরা স্যুভেনির হিসাবে সুন্দরভাবে প্যাক করা বাড়িতে তৈরি চকোলেটের বাক্স নিয়ে ফিরে আসতেন।
তামিলনাড়ুর নীলগিরি পাহাড়ের একটি পাহাড়ি শহর যা বছরের পর বছর ধরে একটি মিষ্টি ডাকনামে পরিচিত হয়ে এসেছে। কারিগরি ক্যাফে এবং বিলাসবহুল ডেজার্ট ব্র্যান্ড জনপ্রিয় হওয়ার অনেক আগে থেকেই, এই জায়গায় বেড়াতে আসা ভ্রমণকারীরা স্যুভেনির হিসাবে সুন্দরভাবে প্যাক করা বাড়িতে তৈরি চকোলেটের বাক্স নিয়ে ফিরে আসতেন।
advertisement
2/6
ধীরে ধীরে, সে কথা ছড়িয়ে পড়ে। দোকানগুলি বৃদ্ধি পায়। রেসিপিগুলি পারিবারিক গোপনীয়তায় পরিণত হয়। আজ, এই গন্তব্যটি কোকো এবং ক্রিমের সঙ্গে ততটাই ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত, যতটা এর খ্যাতি কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল এবং ঔপনিবেশিক আকর্ষণের জন্য। তাই পাহাড়ি পর্যটনশহর উটির আর এক নাম ‘চকোলেটের রাজধানী৷’
ধীরে ধীরে, সে কথা ছড়িয়ে পড়ে। দোকানগুলি বৃদ্ধি পায়। রেসিপিগুলি পারিবারিক গোপনীয়তায় পরিণত হয়। আজ, এই গন্তব্যটি কোকো এবং ক্রিমের সঙ্গে ততটাই ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত, যতটা এর খ্যাতি কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল এবং ঔপনিবেশিক আকর্ষণের জন্য। তাই পাহাড়ি পর্যটনশহর উটির আর এক নাম ‘চকোলেটের রাজধানী৷’
advertisement
3/6
এই শহরের শীতল জলবায়ু এটিকে চকোলেট তৈরির জন্য আদর্শ করে তোলে, স্থানীয় উৎপাদকদের ন্যূনতম রেফ্রিজারেশনে কাজ করার সুযোগ করে দেয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, ছোট ছোট পরিবার পরিচালিত ইউনিটগুলি সহজ পদ্ধতি এবং তাজা উপাদান ব্যবহার করে হস্তনির্মিত চকোলেট (Handmade Chocolate) তৈরি করতে শুরু করে। পর্যটন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে , এই চকোলেটগুলি একটি জনপ্রিয় খাবার হয়ে ওঠে, বিশেষ করে দক্ষিণ ভারত থেকে আসা দর্শনার্থীদের মধ্যে।
এই শহরের শীতল জলবায়ু এটিকে চকোলেট তৈরির জন্য আদর্শ করে তোলে, স্থানীয় উৎপাদকদের ন্যূনতম রেফ্রিজারেশনে কাজ করার সুযোগ করে দেয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, ছোট ছোট পরিবার পরিচালিত ইউনিটগুলি সহজ পদ্ধতি এবং তাজা উপাদান ব্যবহার করে হস্তনির্মিত চকোলেট (Handmade Chocolate) তৈরি করতে শুরু করে। পর্যটন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে , এই চকোলেটগুলি একটি জনপ্রিয় খাবার হয়ে ওঠে, বিশেষ করে দক্ষিণ ভারত থেকে আসা দর্শনার্থীদের মধ্যে।
advertisement
4/6
কারখানায় তৈরি মিষ্টির বিপরীতে, উটির চকোলেটগুলি তাদের সমৃদ্ধি এবং বৈচিত্র্যের জন্য বিশেষ ছিল৷ স্বাদের বিশেষত্বে পাল্লা দেয় এর বাদাম, শুকনো ফল, ডার্ক চকোলেটের যোগ্য সঙ্গত।
কারখানায় তৈরি মিষ্টির বিপরীতে, উটির চকোলেটগুলি তাদের সমৃদ্ধি এবং বৈচিত্র্যের জন্য বিশেষ ছিল৷ স্বাদের বিশেষত্বে পাল্লা দেয় এর বাদাম, শুকনো ফল, ডার্ক চকোলেটের যোগ্য সঙ্গত। "চকোলেট টাউন" ডাকনামটি সার্থক, কারণ প্রায় প্রতিটি দর্শনার্থী কমপক্ষে একটি বাক্স হাতে নিয়ে ফেরেন বাড়িতে।
advertisement
5/6
উটিতে সারা বছর ধরে মৃদু তাপমাত্রা এর চকোলেট রক্ষণাবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তীব্র তাপের অনুপস্থিতি চকোলেটগুলিকে প্রাকৃতিকভাবে তাদের গঠন এবং স্বাদ ধরে রাখতে সাহায্য করে। এর ফলে ছোট উৎপাদকদের জন্য শিল্প সরঞ্জাম ছাড়াই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সহজ হয়ে ওঠে। নীলগিরিতে জলবায়ু দুগ্ধ চাষকেও সমর্থন করে, যা মানসম্পন্ন চকোলেটের মূল উপাদান, তাজা দুধ এবং ক্রিমের যোগান নিশ্চিত করে।
উটিতে সারা বছর ধরে মৃদু তাপমাত্রা এর চকোলেট রক্ষণাবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তীব্র তাপের অনুপস্থিতি চকোলেটগুলিকে প্রাকৃতিকভাবে তাদের গঠন এবং স্বাদ ধরে রাখতে সাহায্য করে। এর ফলে ছোট উৎপাদকদের জন্য শিল্প সরঞ্জাম ছাড়াই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সহজ হয়ে ওঠে। নীলগিরিতে জলবায়ু দুগ্ধ চাষকেও সমর্থন করে, যা মানসম্পন্ন চকোলেটের মূল উপাদান, তাজা দুধ এবং ক্রিমের যোগান নিশ্চিত করে।
advertisement
6/6
পর্যটকদের জন্য, উটির চকোলেট নিছক ট্রিটের থেকে অনেক বেশি৷ এই স্বাদের হাতছানি তাঁদের কাছে সুখস্মৃতির ঠিকানা৷ উটিতে সারা বছর ভ্রমণ করা যায়, তবে সবচেয়ে মনোরম মাস হল অক্টোবর থেকে জুন, যখন তাপমাত্রা ঠান্ডা এবং আরামদায়ক থাকে। গ্রীষ্মকাল সমতল ভূমি থেকে পালিয়ে আসা ভ্রমণকারীদের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয়৷ অন্যদিকে শীতকালে কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল আসে যা পাহাড়ি এলাকার অভিজ্ঞতাকে বাড়িয়ে তোলে। বর্ষাকাল প্রাকৃতিক দৃশ্যকে স্নিগ্ধ করে তোলে কিন্তু দর্শনীয় স্থানগুলিতে প্রভাব ফেলতে পারে। বৃষ্টিপাত বাধ সাধতে পারে ভ্রমণে৷
পর্যটকদের জন্য, উটির চকোলেট নিছক ট্রিটের থেকে অনেক বেশি৷ এই স্বাদের হাতছানি তাঁদের কাছে সুখস্মৃতির ঠিকানা৷ উটিতে সারা বছর ভ্রমণ করা যায়, তবে সবচেয়ে মনোরম মাস হল অক্টোবর থেকে জুন, যখন তাপমাত্রা ঠান্ডা এবং আরামদায়ক থাকে। গ্রীষ্মকাল সমতল ভূমি থেকে পালিয়ে আসা ভ্রমণকারীদের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয়৷ অন্যদিকে শীতকালে কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল আসে যা পাহাড়ি এলাকার অভিজ্ঞতাকে বাড়িয়ে তোলে। বর্ষাকাল প্রাকৃতিক দৃশ্যকে স্নিগ্ধ করে তোলে কিন্তু দর্শনীয় স্থানগুলিতে প্রভাব ফেলতে পারে। বৃষ্টিপাত বাধ সাধতে পারে ভ্রমণে৷
advertisement
advertisement
advertisement