advertisement

Weekend Trip: একদিনের ছুটি, শহরের কাছেই লুকিয়ে ‘স্বর্গ’! শিলিগুড়ি থেকে ৪৫ মিনিটে পৌঁছে যান রোহিণী ওয়াটারফল

Last Updated:
Weekend Trip: চারিদিক নিস্তব্ধ, চারিদিকে সবুজের সমারোহ। পাখির ডাক আর পাহাড়ি জলের শব্দ এক অন্যরকম শান্তির অনুভূতি মিলবে রোহিণীর এই জায়গায় এলে। গ্রীষ্মকাল এলেই ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে পর্যটকদের ভিড়। তবে এখনও জায়গাটি তুলনামূলকভাবে নিরিবিলি।
1/5
*শিলিগুড়ি, ঋত্বিক ভট্টাচার্য: সারা সপ্তাহের ব্যস্ত কাজের পরে অনেক সরকারি কর্মচারী কিংবা কর্মজীবী মানুষই রবিবারের একদিনের ছুটিতে পরিবার নিয়ে কোথায় ঘুরতে যাবেন, তা নিয়ে ভাবনায় পড়ে যান। দূরে কোথাও যাওয়ার সময় নেই, আবার বাড়িতে বসেও দিন কাটাতে মন চায় না। ঠিক এমন সময় শহরের খুব কাছেই রয়েছে এক অজানা সুন্দর ঠিকানা—রোহিণী ওয়াটারফল।
*শিলিগুড়ি, ঋত্বিক ভট্টাচার্য: সারা সপ্তাহের ব্যস্ত কাজের পরে অনেক সরকারি কর্মচারী কিংবা কর্মজীবী মানুষই রবিবারের একদিনের ছুটিতে পরিবার নিয়ে কোথায় ঘুরতে যাবেন, তা নিয়ে ভাবনায় পড়ে যান। দূরে কোথাও যাওয়ার সময় নেই, আবার বাড়িতে বসেও দিন কাটাতে মন চায় না। ঠিক এমন সময় শহরের খুব কাছেই রয়েছে এক অজানা সুন্দর ঠিকানা—রোহিণী ওয়াটারফল।
advertisement
2/5
*শিলিগুড়ি শহর থেকে মাত্র ২৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই প্রাকৃতিক ঝরনায় পৌঁছতে সময় লাগে প্রায় ৪৫ মিনিট। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার কিংবা উত্তরবঙ্গের আশেপাশের জেলাগুলির বাসিন্দাদের জন্য এটি হতে পারে দারুণ একদিনের আউটিং স্পট। প্রকৃতির কোলে একটু নিরিবিলি সময় কাটানোর জন্য অনেকেই এখন এই জায়গার খোঁজ করছেন।
*শিলিগুড়ি শহর থেকে মাত্র ২৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই প্রাকৃতিক ঝরনায় পৌঁছতে সময় লাগে প্রায় ৪৫ মিনিট। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার কিংবা উত্তরবঙ্গের আশেপাশের জেলাগুলির বাসিন্দাদের জন্য এটি হতে পারে দারুণ একদিনের আউটিং স্পট। প্রকৃতির কোলে একটু নিরিবিলি সময় কাটানোর জন্য অনেকেই এখন এই জায়গার খোঁজ করছেন।
advertisement
3/5
*অনেক পর্যটক রোহিণী পার্ক বা রোহিণী লেক পর্যন্ত গিয়েছেন, কিন্তু খুব কম মানুষই জানেন সেখান থেকে অল্প দূরেই লুকিয়ে এই অপরূপ ঝর্না। প্রায় দেড় থেকে দু-কিলোমিটার পাহাড়ি পথ ও জঙ্গলের ভেতর দিয়ে হাঁটলেই চোখের সামনে ধরা দেয় এই মনমুগ্ধকর জলপ্রপাত।
*অনেক পর্যটক রোহিণী পার্ক বা রোহিণী লেক পর্যন্ত গিয়েছেন, কিন্তু খুব কম মানুষই জানেন সেখান থেকে অল্প দূরেই লুকিয়ে এই অপরূপ ঝর্না। প্রায় দেড় থেকে দু-কিলোমিটার পাহাড়ি পথ ও জঙ্গলের ভেতর দিয়ে হাঁটলেই চোখের সামনে ধরা দেয় এই মনমুগ্ধকর জলপ্রপাত।
advertisement
4/5
*চারিদিকে নিস্তব্ধ সবুজ পরিবেশ, পাখির ডাক আর পাহাড়ি জলের শব্দ—সব মিলিয়ে যেন এক অন্যরকম শান্তির অনুভূতি। গ্রীষ্মকাল এলেই এখানে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে পর্যটকদের ভিড়। তবে এখনও জায়গাটি তুলনামূলকভাবে নিরিবিলি, তাই পরিবার বা প্রিয়জনদের সঙ্গে কিছুটা শান্ত সময় কাটানোর জন্য এটি আদর্শ।
*চারিদিকে নিস্তব্ধ সবুজ পরিবেশ, পাখির ডাক আর পাহাড়ি জলের শব্দ—সব মিলিয়ে যেন এক অন্যরকম শান্তির অনুভূতি। গ্রীষ্মকাল এলেই এখানে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে পর্যটকদের ভিড়। তবে এখনও জায়গাটি তুলনামূলকভাবে নিরিবিলি, তাই পরিবার বা প্রিয়জনদের সঙ্গে কিছুটা শান্ত সময় কাটানোর জন্য এটি আদর্শ।
advertisement
5/5
*রোহিণী ব্রিজের পাশ দিয়ে একটি ছোট রাস্তা ধরে এগোলেই শুরু হয় এই ট্রেকিং পথ। ব্রিজের কাছেই রয়েছে দু-একটি ছোট মোমোর দোকান, যেখানে খাওয়া-দাওয়া সেরে ঝর্নার উদ্দেশ্যে হাঁটা শুরু করা যায়। পাশাপাশি সময় থাকলে ঘুরে নেওয়া যায় রোহিণী পার্ক, রোহিণী লেক কিংবা আশেপাশের সুন্দর ক্যাফে, হোমস্টে ও রেস্টুরেন্ট—সব মিলিয়ে একদিনের ছোট্ট সফরে এই জায়গা হতে পারে আপনার সেরা ঠিকানা।
*রোহিণী ব্রিজের পাশ দিয়ে একটি ছোট রাস্তা ধরে এগোলেই শুরু হয় এই ট্রেকিং পথ। ব্রিজের কাছেই রয়েছে দু-একটি ছোট মোমোর দোকান, যেখানে খাওয়া-দাওয়া সেরে ঝর্নার উদ্দেশ্যে হাঁটা শুরু করা যায়। পাশাপাশি সময় থাকলে ঘুরে নেওয়া যায় রোহিণী পার্ক, রোহিণী লেক কিংবা আশেপাশের সুন্দর ক্যাফে, হোমস্টে ও রেস্টুরেন্ট—সব মিলিয়ে একদিনের ছোট্ট সফরে এই জায়গা হতে পারে আপনার সেরা ঠিকানা।
advertisement
advertisement
advertisement