advertisement

Weekend Trip: দিঘার কাছেই রাজকীয় অভিজ্ঞতা! পঁচেটগড় রাজবাড়িতে রাত কাটানোর সুযোগ, জানুন বুকিং সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য

Last Updated:
Weekend Trip: পূর্ব মেদিনীপুরের ঐতিহ্যবাহী পঁচেটগড় রাজবাড়ি এখন সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত হোমস্টে। দিঘার কাছেই ইতিহাসের আবহে রাজকীয় আতিথেয়তা ও খাবারের স্বাদ নিতে আজই বুকিং করুন
1/6
এবার সরকারিভাবে হোমস্টের অনুমোদন পেল জেলার প্রাচীন পঁচেটগড় রাজবাড়ি। প্রায় ৪৫০ বছরের ইতিহাস বহনকারী এই রাজবাড়ির হোমস্টে পরিকাঠামো, পরিষেবা, নিরাপত্তা ও পর্যটকদের থাকার উপযোগিতা খতিয়ে দেখার পরই রাজ্য পর্যটন দফতর এই অনুমোদন দিয়েছে। ফলে এখন নিশ্চিন্তে রাজবাড়িতে রাত্রিযাপন করতে পারবেন পর্যটকেরা। পাহাড় বা সমুদ্র ছেড়ে রাজকীয় পরিবেশে থাকার ইচ্ছা থাকলে এই হোমস্টে একেবারে ভিন্ন অভিজ্ঞতা দেবে আপনাকে। (তথ্য ও ছবি : মদন মাইতি)
এবার সরকারিভাবে হোমস্টের অনুমোদন পেল জেলার প্রাচীন পঁচেটগড় রাজবাড়ি। প্রায় ৪৫০ বছরের ইতিহাস বহনকারী এই রাজবাড়ির হোমস্টে পরিকাঠামো, পরিষেবা, নিরাপত্তা ও পর্যটকদের থাকার উপযোগিতা খতিয়ে দেখার পরই রাজ্য পর্যটন দফতর এই অনুমোদন দিয়েছে। ফলে এখন নিশ্চিন্তে রাজবাড়িতে রাত্রিযাপন করতে পারবেন পর্যটকেরা। পাহাড় বা সমুদ্র ছেড়ে রাজকীয় পরিবেশে থাকার ইচ্ছা থাকলে এই হোমস্টে একেবারে ভিন্ন অভিজ্ঞতা দেবে আপনাকে। (তথ্য ও ছবি : মদন মাইতি)
advertisement
2/6
পঁচেটগড় রাজবাড়িতে পর্যটকদের জন্য রয়েছে রাজকীয় আতিথেয়তা ও ঐতিহ্যের ছোঁয়া। রাজবাড়ির অন্দরমহলের সাজানো ঘরে রাত্রিযাপনের সুযোগ। সঙ্গে থাকবে রাজকীয় খাবারের বৈচিত্র্যময় আয়োজন। দিঘা থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরের এই রাজবাড়ি যেন সময়ের স্রোতকে পিছনে টেনে নিয়ে যায়।
পঁচেটগড় রাজবাড়িতে পর্যটকদের জন্য রয়েছে রাজকীয় আতিথেয়তা ও ঐতিহ্যের ছোঁয়া। রাজবাড়ির অন্দরমহলের সাজানো ঘরে রাত্রিযাপনের সুযোগ। সঙ্গে থাকবে রাজকীয় খাবারের বৈচিত্র্যময় আয়োজন। দিঘা থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরের এই রাজবাড়ি যেন সময়ের স্রোতকে পিছনে টেনে নিয়ে যায়।
advertisement
3/6
এই রাজবাড়িতে আজও সংরক্ষিত রয়েছে বহু ঐতিহাসিক নিদর্শন। রাজার জলসাঘরে দেখা যায় সেতার, যদুভট্টের এসরাজ ও পুরনো গানের খাতা। রয়েছে রাজ আমলের পুকুর, বাগান এবং কিশোররাই জিউয়ের মন্দির। এসবের মাঝেই পর্যটকেরা উপভোগ করতে পারবেন রাজকীয় পরিবেশ। ইতিহাসের আবহে ঘেরা এই রাজবাড়ি শুধু দেখার নয়, অনুভব করারও এক অনন্য স্থান।
এই রাজবাড়িতে আজও সংরক্ষিত রয়েছে বহু ঐতিহাসিক নিদর্শন। রাজার জলসাঘরে দেখা যায় সেতার, যদুভট্টের এসরাজ ও পুরনো গানের খাতা। রয়েছে রাজ আমলের পুকুর, বাগান এবং কিশোররাই জিউয়ের মন্দির। এসবের মাঝেই পর্যটকেরা উপভোগ করতে পারবেন রাজকীয় পরিবেশ। ইতিহাসের আবহে ঘেরা এই রাজবাড়ি শুধু দেখার নয়, অনুভব করারও এক অনন্য স্থান
advertisement
4/6
পঁচেটগড় রাজবাড়িতে পৌঁছানোও খুব সহজ। দিঘা থেকে এলে দিঘা–নন্দকুমার ১১৬বি জাতীয় সড়ক ধরে রামনগর হয়ে এগরা পৌঁছতে হবে। সেখান থেকে বাজকুল রাজ্য সড়ক ধরে পঁচেট মোড়ে এসে মাত্র ১০ মিনিটের পথ। কলকাতা থেকে হেঁড়িয়া বাস স্ট্যান্ড দিয়েও আসা যায়। ট্রেনে এলে কাঁথি স্টেশন থেকে এগরাগামী বাসে সহজেই পৌঁছন সম্ভব।
পঁচেটগড় রাজবাড়িতে পৌঁছানোও খুব সহজ। দিঘা থেকে এলে দিঘা–নন্দকুমার ১১৬বি জাতীয় সড়ক ধরে রামনগর হয়ে এগরা পৌঁছতে হবে। সেখান থেকে বাজকুল রাজ্য সড়ক ধরে পঁচেট মোড়ে এসে মাত্র ১০ মিনিটের পথ। কলকাতা থেকে হেঁড়িয়া বাস স্ট্যান্ড দিয়েও আসা যায়। ট্রেনে এলে কাঁথি স্টেশন থেকে এগরাগামী বাসে সহজেই পৌঁছন সম্ভব।
advertisement
5/6
রাজবাড়ির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এখানকার রাজকীয় খাবারের আয়োজন। দুপুরে ভাত, শাক, ভাজা, সুক্তো, পাঁচমিশালি সবজি, মুগের ডাল ও নানা রকম মাছ পরিবেশন করা হয়। বিকেলে থাকে চিকেন ও ভেজ পকোড়া, ফিঙ্গার চিপস। রাতে ভাত, রুটি, চিকেন, মাটন। সকালে লুচি, তরকারি, ডিম, ফল ও মিষ্টি।
রাজবাড়ির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এখানকার রাজকীয় খাবারের আয়োজন। দুপুরে ভাত, শাক, ভাজা, সুক্তো, পাঁচমিশালি সবজি, মুগের ডাল ও নানা রকম মাছ পরিবেশন করা হয়। বিকেলে থাকে চিকেন ও ভেজ পকোড়া, ফিঙ্গার চিপস। রাতে ভাত, রুটি, চিকেন, মাটন। সকালে লুচি, তরকারি, ডিম, ফল ও মিষ্টি।
advertisement
6/6
যাঁরা রাত্রিযাপন করতে চান, তাঁদের অবশ্যই আগে থেকে বুকিং করতে হবে। বুকিংয়ের জন্য ৭০৪৪৯ ৪৩৭৯৪ নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে । তথ্য পাওয়া যাবে রাজবাড়ীর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.panchetgarh.com এ। তবে শুধুমাত্র রাজবাড়ি ঘুরতে চাইলে কোনও বুকিংয়ের প্রয়োজন নেই। রাজবাড়ির সদস্য ফাল্গুনী দাস মহাপাত্র জানান, রাজ্য পর্যটন দপ্তরের অনুমোদনে তাঁরা গর্বিত। তাঁদের লক্ষ্য, অতিথিরা যেন ইতিহাসের সঙ্গে রাজকীয় আতিথেয়তার স্বাদ একসঙ্গে পান।
যাঁরা রাত্রিযাপন করতে চান, তাঁদের অবশ্যই আগে থেকে বুকিং করতে হবে। বুকিংয়ের জন্য ৭০৪৪৯ ৪৩৭৯৪ নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে । তথ্য পাওয়া যাবে রাজবাড়ীর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.panchetgarh.com এ। তবে শুধুমাত্র রাজবাড়ি ঘুরতে চাইলে কোনও বুকিংয়ের প্রয়োজন নেই। রাজবাড়ির সদস্য ফাল্গুনী দাস মহাপাত্র জানান, রাজ্য পর্যটন দপ্তরের অনুমোদনে তাঁরা গর্বিত। তাঁদের লক্ষ্য, অতিথিরা যেন ইতিহাসের সঙ্গে রাজকীয় আতিথেয়তার স্বাদ একসঙ্গে পান।
advertisement
advertisement
advertisement