Weekend Trip: কোলাহল ছেড়ে নিরালায় ছুটি কাটাতে চান? তাহলে আপনার জন্য আদর্শ হবে দিঘার অদূরে কানাইচট্ট সমুদ্র সৈকত

Last Updated:
Weekend Trip: দিঘা-মান্দারমনির ভিড় থেকে দূরে শান্তিতে দু’দিন কাটাতে চান? পূর্ব মেদিনীপুরের কানাইচট্ট হতে পারে আপনার পরবর্তী গন্তব্য
1/6
অনেকের কাছেই দিঘা–মান্দারমনি এখন ভিড় আর কোলাহলের নাম। শান্তিতে সময় কাটানোর জায়গা আর নেই। তাই প্রিয়জনের সঙ্গে নিরিবিলি সময় কাটাতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন দিঘার অদূরের কানাইচট্ট সমুদ্র সৈকতে। পূর্ব মেদিনীপুরের এই অফবিট সমুদ্র সৈকত এখনও অনেকের অজানা। প্রকৃতির কোলে, শহরের কোলাহল থেকে দূরে, দু’দণ্ড নিরালায় কাটানোর জন্য আদর্শ জায়গা হয়ে উঠছে কানাইচট্ট।
অনেকের কাছেই দিঘা–মান্দারমনি এখন ভিড় আর কোলাহলের নাম। শান্তিতে সময় কাটানোর জায়গা আর নেই। তাই প্রিয়জনের সঙ্গে নিরিবিলি সময় কাটাতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন দিঘার অদূরের কানাইচট্ট সমুদ্র সৈকতে। পূর্ব মেদিনীপুরের এই অফবিট সমুদ্র সৈকত এখনও অনেকের অজানা। প্রকৃতির কোলে, শহরের কোলাহল থেকে দূরে, দু’দণ্ড নিরালায় কাটানোর জন্য আদর্শ জায়গা হয়ে উঠছে কানাইচট্ট।
advertisement
2/6
কাঁথি থেকে অটোয় চেপে দরিয়াপুর–কানাইচট্ট হয়ে পৌঁছনো যায় এই সমুদ্র সৈকতে। পথে চোখে পড়বে সবুজে ভরা গ্রাম। রয়েছে পুকুর, মেঠো রাস্তা আর ঝাউবনের সারি। ম্যানগ্রোভের জঙ্গলও দেখা যায়। সমুদ্র সৈকতে পৌঁছতেই মন ভাল হয়ে যায়। নির্জন বালুচরে ঘুরে বেড়ায় লাল কাঁকড়ার দল। পায়ের আওয়াজ পেলেই তারা গর্তে ঢুকে পড়ে।
কাঁথি থেকে অটোয় চেপে দরিয়াপুর–কানাইচট্ট হয়ে পৌঁছনো যায় এই সমুদ্র সৈকতে। পথে চোখে পড়বে সবুজে ভরা গ্রাম। রয়েছে পুকুর, মেঠো রাস্তা আর ঝাউবনের সারি। ম্যানগ্রোভের জঙ্গলও দেখা যায়। সমুদ্র সৈকতে পৌঁছতেই মন ভাল হয়ে যায়। নির্জন বালুচরে ঘুরে বেড়ায় লাল কাঁকড়ার দল। পায়ের আওয়াজ পেলেই তারা গর্তে ঢুকে পড়ে।
advertisement
3/6
কানাইচট্ট সৈকতে সমুদ্রের জোয়ার–ভাটার খেলা স্পষ্ট বোঝা যায়। ভাটার সময় সমুদ্র অনেক দূরে সরে যায়। জোয়ারে আবার তীর ছুঁয়ে আসে ঢেউ। এখনও এই জায়গা তেমন জনপ্রিয় হয়নি। তাই ভিড় নেই বললেই চলে। কাঁথি বাসস্ট্যান্ড থেকে খানিক দূরে দরিয়াপুর গ্রামেই রয়েছে এই সমুদ্র সৈকত। প্রকৃতির সবুজ এখনও এখানে অটুট রয়েছে।
কানাইচট্ট সৈকতে সমুদ্রের জোয়ার–ভাটার খেলা স্পষ্ট বোঝা যায়। ভাটার সময় সমুদ্র অনেক দূরে সরে যায়। জোয়ারে আবার তীর ছুঁয়ে আসে ঢেউ। এখনও এই জায়গা তেমন জনপ্রিয় হয়নি। তাই ভিড় নেই বললেই চলে। কাঁথি বাসস্ট্যান্ড থেকে খানিক দূরে দরিয়াপুর গ্রামেই রয়েছে এই সমুদ্র সৈকত। প্রকৃতির সবুজ এখনও এখানে অটুট রয়েছে।
advertisement
4/6
থাকার জন্য এখানে রয়েছে বিচ ক্যাম্প। গাছপালা ঘেরা উন্মুক্ত পরিবেশে তাঁবুতে রাত কাটানোর ব্যবস্থা আছে। গাছের ছায়ায় বসে খাওয়া যায় সামুদ্রিক মাছ। কাঁকড়া ও চিংড়ির স্বাদ আলাদাই। বড় বড় হোটেল বা রিসর্ট এখানে এখনও গড়ে ওঠেনি। সমুদ্রে ট্রলার আর মাছ ধরার নৌকার যাতায়াত চোখে পড়ে। নির্জনে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দেওয়া যায়।
থাকার জন্য এখানে রয়েছে বিচ ক্যাম্প। গাছপালা ঘেরা উন্মুক্ত পরিবেশে তাঁবুতে রাত কাটানোর ব্যবস্থা আছে। গাছের ছায়ায় বসে খাওয়া যায় সামুদ্রিক মাছ। কাঁকড়া ও চিংড়ির স্বাদ আলাদাই। বড় বড় হোটেল বা রিসর্ট এখানে এখনও গড়ে ওঠেনি। সমুদ্রে ট্রলার আর মাছ ধরার নৌকার যাতায়াত চোখে পড়ে। নির্জনে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দেওয়া যায়।
advertisement
5/6
এক পর্যটক সঞ্জয় করণ জানান,
এক পর্যটক সঞ্জয় করণ জানান, "বহুবার দিঘা–মান্দারমনি গিয়েও শান্তি পাননি। অতিরিক্ত ভিড় তাঁকে বিরক্তর কারন হয়ে উঠেছে। কানাইচট্টে এসে অনেকটাই প্রকৃত স্বস্তি পেয়েছি। যাতায়াতও সহজ। ট্রেনে কাঁথি স্টেশনে নেমে অটো পাওয়া যায়। বাসে এলে রূপশ্রী বাইপাস বা কাঁথি বাসস্ট্যান্ড হয়ে আসা যায়। নির্জনতার খোঁজে কানাইচট্ট ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে। এখানে এলে যে কারও মন ভাল হয়ে যাবে।
advertisement
6/6
কানাইচট্টে এলে আশপাশেও ঘোরার সুযোগ রয়েছে। অটো করে ঘুরে আসা যায় দরিয়াপুর বাতিঘর। দেখা যায় পেটুয়াঘাট মৎস্যবন্দর। ভেসেলে চেপে রসুলপুর নদী পেরিয়ে পৌঁছনো যায় হিজলি শরিফে। নৌবিহারের আনন্দও নেওয়া যায়। বঙ্কিমচন্দ্রের স্মৃতিধন্য কপালকুণ্ডলা মন্দিরও কাছেই। সব মিলিয়ে ছোট ট্রিপের জন্য জায়গাটি বেশ আকর্ষণীয়।
কানাইচট্টে এলে আশপাশেও ঘোরার সুযোগ রয়েছে। অটো করে ঘুরে আসা যায় দরিয়াপুর বাতিঘর। দেখা যায় পেটুয়াঘাট মৎস্যবন্দর। ভেসেলে চেপে রসুলপুর নদী পেরিয়ে পৌঁছনো যায় হিজলি শরিফে। নৌবিহারের আনন্দও নেওয়া যায়। বঙ্কিমচন্দ্রের স্মৃতিধন্য কপালকুণ্ডলা মন্দিরও কাছেই। সব মিলিয়ে ছোট ট্রিপের জন্য জায়গাটি বেশ আকর্ষণীয়।
advertisement
advertisement
advertisement