advertisement

Tourism: ভয়ঙ্কর বিভীষিকা, রক্তের মতো লাল জলের যে হ্রদে নামলেই পশু-পাখিরা 'পাথর' হয়ে যায়

Last Updated:
হ্রদটির নাম নেট্রন। দক্ষিণ আফ্রিকার দেশ তানজানিয়ার উত্তর প্রান্তে রয়েছে এই হ্রদটি। এটি একটি লবণাক্ত হ্রদ
1/6
আফ্রিকার প্রাণঘাতী হ্রদ লেক নাট্রন (Lake Natron)। রক্তিম লাল রঙের জন্য কুখ্যাত এই হ্রদের রহস্যময় জল খনিজ ও নুনে ভরপুর। হ্রদের রাসায়নিক গঠনের জন্য সেখানে পড়ে থাকা প্রাণীদের দেহ সংরক্ষিত হয়ে যায়, যা তীরের ধারে পাথরের মূর্তির মতো দেখতে লাগে।(ছবি— Instagram/@nickbrandtphotography, Face of Africa Adventures)
আফ্রিকার প্রাণঘাতী হ্রদ লেক নাট্রন (Lake Natron)। রক্তিম লাল রঙের জন্য কুখ্যাত এই হ্রদের রহস্যময় জল খনিজ ও নুনে ভরপুর। হ্রদের রাসায়নিক গঠনের জন্য সেখানে পড়ে থাকা প্রাণীদের দেহ সংরক্ষিত হয়ে যায়, যা তীরের ধারে পাথরের মূর্তির মতো দেখতে লাগে। (ছবি— Instagram/@nickbrandtphotography, Face of Africa Adventures)
advertisement
2/6
বিভিন্ন সংস্কৃতিতে জলাশয়কে পবিত্র হিসেবে পূজা করা হয়। কিন্তু উত্তর তানজানিয়ার লেক নাট্রন আলাদা। মানুষের কাছে এই হৃদ ভীতিকর।(ছবি— Geology In)
বিভিন্ন সংস্কৃতিতে জলাশয়কে পবিত্র হিসেবে পূজা করা হয়। কিন্তু উত্তর তানজানিয়ার লেক নাট্রন আলাদা। মানুষের কাছে এই হৃদ ভীতিকর।(ছবি— Geology In)
advertisement
3/6
প্রায় ১৫ লক্ষ বছর আগে তীব্র টেকটোনিক ও আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণের ফলে লেক নাট্রনের সৃষ্টি হয়। এর কাছেই অবস্থিত ওল ডইনিও লেঙ্গাই—মাসাই জনগোষ্ঠীর কাছে পরিচিত 'ঈশ্বরের পাহাড়' নামে, যার অগ্ন্যুৎপাত থেকে নির্গত খনিজ পদার্থ হ্রদের রাসায়নিক গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।(ছবি— Canva)
প্রায় ১৫ লক্ষ বছর আগে তীব্র টেকটোনিক ও আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণের ফলে লেক নাট্রনের সৃষ্টি হয়। এর কাছেই অবস্থিত ওল ডইনিও লেঙ্গাই—মাসাই জনগোষ্ঠীর কাছে পরিচিত 'ঈশ্বরের পাহাড়' নামে, যার অগ্ন্যুৎপাত থেকে নির্গত খনিজ পদার্থ হ্রদের রাসায়নিক গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। (ছবি— Canva)
advertisement
4/6
হ্রদের রং লাল কেন? এর নেপথ্যে রয়েছে হৃদে বাসা বাঁধা হ্যালোআর্কিয়া ও সায়ানোব্যাকটেরিয়া। ক্ষারীয় পরিবেশে এরা দারুণভাবে বেড়ে ওঠে, ফলে জলের রং গাঢ় লাল, কমলা ও গোলাপি নানা শেডে রঙিন হয়ে ওঠে, যা হাজার হাজার ফুট উপর থেকেও স্পষ্ট দেখা যায়।(ছবি— Canva)
হ্রদের রং লাল কেন? এর নেপথ্যে রয়েছে হৃদে বাসা বাঁধা হ্যালোআর্কিয়া ও সায়ানোব্যাকটেরিয়া। ক্ষারীয় পরিবেশে এরা দারুণভাবে বেড়ে ওঠে, ফলে জলের রং গাঢ় লাল, কমলা ও গোলাপি নানা শেডে রঙিন হয়ে ওঠে, যা হাজার হাজার ফুট উপর থেকেও স্পষ্ট দেখা যায়। (ছবি— Canva)
advertisement
5/6
প্রায় ১০.৫ পিএইচ মাত্রা নিয়ে লেক নাট্রনের জল অ্যামোনিয়ার মতোই ক্ষয়কারক। এই জলে চোখ ও ত্বকে জ্বালা ধরে, প্রাণীদের শরীর থেকে জল শুষে নিতে পারে এবং মাংসপেশি ক্ষয়ে যায়। ফলে এই লেকের জল কোনও প্রাণীকে বঁচাতে দেয় না। (ছবি— Canva)
প্রায় ১০.৫ পিএইচ মাত্রা নিয়ে লেক নাট্রনের জল অ্যামোনিয়ার মতোই ক্ষয়কারক। এই জলে চোখ ও ত্বকে জ্বালা ধরে, প্রাণীদের শরীর থেকে জল শুষে নিতে পারে এবং মাংসপেশি ক্ষয়ে যায়। ফলে এই লেকের জল কোনও প্রাণীকে বঁচাতে দেয় না। (ছবি— Canva)
advertisement
6/6
লেক নাট্রনের আশপাশে মারা যাওয়া পশু-পাখিরা ফসিলস-এর মতো হয়ে যায়। জলে থাকা সোডিয়াম কার্বোনেট দেহকে সংরক্ষিত রাখে—প্রাচীন মিশরের মমি তৈরির প্রক্রিয়ার মতোই, ফলে পচন রোধ হয় এবং তীরের ধারে শক্ত, পাথরের মতো অবশিষ্ট দেহ পড়ে থাকে।(ছবি— Canva)
লেক নাট্রনের আশপাশে মারা যাওয়া পশু-পাখিরা ফসিলস-এর মতো হয়ে যায়। জলে থাকা সোডিয়াম কার্বোনেট দেহকে সংরক্ষিত রাখে—প্রাচীন মিশরের মমি তৈরির প্রক্রিয়ার মতোই, ফলে পচন রোধ হয় এবং তীরের ধারে শক্ত, পাথরের মতো অবশিষ্ট দেহ পড়ে থাকে। (ছবি— Canva)
advertisement
advertisement
advertisement