advertisement

Severe Irritability:সবকিছুতেই রাগ- বিরক্তি? খিটখিটে মেজাজ? হয়তো এই ৬ ভিটামিন-মিনারেল কমেছে শরীরে,সমস্যা মেটাতে যা যা খাবেন

Last Updated:
মেজাজ সবসময় সপ্তমে চড়ে থাকে? সবসময়ই ধৈর্য হারান? কথায় কথায় রাগ? অনেকেই ভাবেন, স্ট্রেসের কারণে এমনতা হচ্ছে! কিন্তু না, সবসময় স্ট্রেস নয়, ৬ টা পুষ্টির ঘাটতিতেও মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়।
1/7
কথায় কথায় রেগে যাচ্ছেন? সবকিছুতেই বিরক্তি? অল্পেই মাথাগরম? মাঝেমধ্যে চিৎকার-চেঁচামেচিও করছেন? ডাক্তারি পরিভাষায় একে বলে সিভিয়ার ইরিটেবিলিটি। এর নেপথ্যে রয়েছে কিছু সমস্যা যেমন অ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডার, অটিসম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার, অবসাদ, বর্ডারলাইন পারসোনালিটি ডিজঅর্ডার, পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার, অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডারের মতো কিছু মানসিক সমস্যা। পাশাপাশি, গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বিশেষ কিছু পুষ্টির অভাবেও মস্তিষ্কের ‘নিউরোট্রান্সমিটার’ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়, ফলে অল্পতেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন! কোন কোন পুষ্টির ঘাটতি খিটখিটে মেজাজের জন্য দায়ী? সমস্যা মেটাতে কী কী খাবেন?
কথায় কথায় রেগে যাচ্ছেন? সবকিছুতেই বিরক্তি? অল্পেই মাথাগরম? মাঝেমধ্যে চিৎকার-চেঁচামেচিও করছেন? ডাক্তারি পরিভাষায় একে বলে সিভিয়ার ইরিটেবিলিটি। এর নেপথ্যে রয়েছে কিছু সমস্যা যেমন অ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডার, অটিসম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার, অবসাদ, বর্ডারলাইন পারসোনালিটি ডিজঅর্ডার, পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার, অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডারের মতো কিছু মানসিক সমস্যা। পাশাপাশি, গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বিশেষ কিছু পুষ্টির অভাবেও মস্তিষ্কের ‘নিউরোট্রান্সমিটার’ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়, ফলে অল্পতেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন! কোন কোন পুষ্টির ঘাটতি খিটখিটে মেজাজের জন্য দায়ী? সমস্যা মেটাতে কী কী খাবেন?
advertisement
2/7
ম্যাগনেসিয়াম: এই গুরুত্বপূর্ণ খনিজকে বলে ‘প্রাকৃতিক ট্র্যাঙ্কুলাইজার’। ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতিতে উদ্বেগ ও রাগ বাড়ে, অনিদ্রা দেখা দেয়, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়।ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি মেটাতে খান-- পালংশাক, কুমড়োর বীজ, কাজু বাদাম, ডার্ক চকোলেট
ম্যাগনেসিয়াম: এই গুরুত্বপূর্ণ খনিজকে বলে ‘প্রাকৃতিক ট্র্যাঙ্কুলাইজার’। ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতিতে উদ্বেগ ও রাগ বাড়ে, অনিদ্রা দেখা দেয়, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়।ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি মেটাতে খান-- পালংশাক, কুমড়োর বীজ, কাজু বাদাম, ডার্ক চকোলেট
advertisement
3/7
ভিটামিন বি কমপ্লেক্স: ভিটামিন বি১২, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি৯ 'সেরোটোনিন' বা হভাপি হরমোন তৈরি করতে সাহায্য করে। এই ভিটামিনগুলোর অভাবে মুড নষ্ট হয়ে যায়, মেজাজ খিটখিটে হয়। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স-এর ঘাটতি মেটাতে খান-- ডিম, দুধ, মাংস, সবুজ শাকসবজি, ডাল
ভিটামিন বি কমপ্লেক্স: ভিটামিন বি১২, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি৯ 'সেরোটোনিন' বা হভাপি হরমোন তৈরি করতে সাহায্য করে। এই ভিটামিনগুলোর অভাবে মুড নষ্ট হয়ে যায়, মেজাজ খিটখিটে হয়।ভিটামিন বি কমপ্লেক্স-এর ঘাটতি মেটাতে খান-- ডিম, দুধ, মাংস, সবুজ শাকসবজি, ডাল
advertisement
4/7
ভিটামিন ডি: একে বলা হয় ‘সানশাইন ভিটামিন’। মনমেজা ভাল রাখার অন্যতম দাওয়াই। ভিটামিন ডি-এর অভাবে মন অবসন্ন লাগে, মানুষ ডিপ্রেশনে ভুগতে থাকেন, মেজাজ সপ্তমে ওঠে।ভিটামিন ডি-এর সবথেকে ভাল উৎস হল সূর্যের রশ্মি। পাশাপাশি চর্বিযুক্ত মাছ, ডিমের কুসুমেও এই ভিটামিন পাওয়া যায়।
ভিটামিন ডি: একে বলা হয় ‘সানশাইন ভিটামিন’। মনমেজা ভাল রাখার অন্যতম দাওয়াই। ভিটামিন ডি-এর অভাবে মন অবসন্ন লাগে, মানুষ ডিপ্রেশনে ভুগতে থাকেন, মেজাজ সপ্তমে ওঠে।ভিটামিন ডি-এর সবথেকে ভাল উৎস হল সূর্যের রশ্মি। পাশাপাশি চর্বিযুক্ত মাছ, ডিমের কুসুমেও এই ভিটামিন পাওয়া যায়।
advertisement
5/7
জিঙ্ক: মস্তিষ্কের সঙ্কেত আদান-প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে জিংঙ্ক-এর। এই খনিজের ঘাটতিতে ক্লান্তি বাড়ে, মস্তিষ্ক বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে।জিঙ্ক-এর অভাবে পাতে রাখুন-- কুমড়োরর বীজ, সামুদ্রিক মাছ, রেড মিট, দানাশস্য
জিঙ্ক: মস্তিষ্কের সঙ্কেত আদান-প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে জিংঙ্ক-এর। এই খনিজের ঘাটতিতে ক্লান্তি বাড়ে, মস্তিষ্ক বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে।জিঙ্ক-এর অভাবে পাতে রাখুন-- কুমড়োরর বীজ, সামুদ্রিক মাছ, রেড মিট, দানাশস্য
advertisement
6/7
ওমেগা ৩: মস্তিষ্কের কোষের সুরক্ষায় ওমেগা থ্রি ফভাটি অভাসিড খুব গুরুত্বপূর্ণ! এর অভাবে অল্পতেই বিরকতি আসে, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়।ওমেগা ৩-এর অভাব মেটাতে পাতে রাখুন সামুদ্রিক মাছ বা বেশি চর্বিযুক্ত মাছ যেমন— ইলিশ, কাতলা, মাগুর। তিল, তিসি, আখরোটও খেতে পারেন।
ওমেগা ৩: মস্তিষ্কের কোষের সুরক্ষায় ওমেগা থ্রি ফভাটি অভাসিড খুব গুরুত্বপূর্ণ! এর অভাবে অল্পতেই বিরকতি আসে, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়।ওমেগা ৩-এর অভাব মেটাতে পাতে রাখুন সামুদ্রিক মাছ বা বেশি চর্বিযুক্ত মাছ যেমন— ইলিশ, কাতলা, মাগুর। তিল, তিসি, আখরোটও খেতে পারেন।
advertisement
7/7
আয়রন: রক্তাল্পতা বা আয়রনের অভাবে মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়, ফলে মানুষ অল্পতেই বিরক্ত হয়ে যান। সবসময়ই নাকের ডগায় রাগ, সবকিছুতেই অস্বস্তি হয়।আয়রনের ঘাটতি মেটাতে পাতে রাখুন-- ডুমুর, থানকুনি পাতা, থোড়, মোচা, বিভিন্ন ধরনের শাক, বেদানা
আয়রন: রক্তাল্পতা বা আয়রনের অভাবে মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়, ফলে মানুষ অল্পতেই বিরক্ত হয়ে যান। সবসময়ই নাকের ডগায় রাগ, সবকিছুতেই অস্বস্তি হয়।আয়রনের ঘাটতি মেটাতে পাতে রাখুন-- ডুমুর, থানকুনি পাতা, থোড়, মোচা, বিভিন্ন ধরনের শাক, বেদানা
advertisement
advertisement
advertisement