advertisement

Cough and Cold Home Remedy: দিনে গরম রাতে ঠান্ডা, গলা ব্যথা-টনসিল, হাঁচি-কাশি ঘরে ঘরে, দূর হবে ২ মিনিটের ঘরোয়া টোটকায়!

Last Updated:
তাপমাত্রার হঠাৎ ওঠানামায় শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা সাময়িকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ সহজে আক্রমণ করে।
1/6
দিনে গরম আর রাতে ঠান্ডা—এই আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময় অনেকেরই গলা ব্যথা ও টনসিলের সমস্যা বেড়ে যায়। তাপমাত্রার হঠাৎ ওঠানামায় শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা সাময়িকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ সহজে আক্রমণ করে। তবে প্রাথমিক অবস্থায় কিছু সহজ ঘরোয়া উপায় মেনে চললে এই সমস্যা অনেকটাই কমানো সম্ভব।
দিনে গরম আর রাতে ঠান্ডা—এই আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময় অনেকেরই গলা ব্যথা ও টনসিলের সমস্যা বেড়ে যায়। তাপমাত্রার হঠাৎ ওঠানামায় শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা সাময়িকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ সহজে আক্রমণ করে। তবে প্রাথমিক অবস্থায় কিছু সহজ ঘরোয়া উপায় মেনে চললে এই সমস্যা অনেকটাই কমানো সম্ভব।
advertisement
2/6
প্রথমেই গরম লবণজল দিয়ে দিনে ২–৩ বার গার্গল করা খুবই কার্যকর। এক গ্লাস হালকা গরম জলে আধা চা-চামচ লবণ মিশিয়ে গার্গল করলে গলার জীবাণু কমে এবং টনসিলের ফোলা ও ব্যথা অনেকটা উপশম হয়। এটি সবচেয়ে সহজ ও দ্রুত কাজ করা ঘরোয়া পদ্ধতিগুলোর একটি।
প্রথমেই গরম লবণজল দিয়ে দিনে ২–৩ বার গার্গল করা খুবই কার্যকর। এক গ্লাস হালকা গরম জলে আধা চা-চামচ লবণ মিশিয়ে গার্গল করলে গলার জীবাণু কমে এবং টনসিলের ফোলা ও ব্যথা অনেকটা উপশম হয়। এটি সবচেয়ে সহজ ও দ্রুত কাজ করা ঘরোয়া পদ্ধতিগুলোর একটি।
advertisement
3/6
চিকিৎসক অনুপম ভট্টাচার্য জানান, মধু ও আদা গলার ব্যথা কমাতে প্রাকৃতিক ওষুধের মতো কাজ করে। এক চা-চামচ মধুর সঙ্গে সামান্য আদার রস মিশিয়ে দিনে ২–৩ বার খেলে গলার জ্বালা ও খুসখুসে কাশি কমে। মধুর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে এবং আদা গলার প্রদাহ কমায়।
চিকিৎসক অনুপম ভট্টাচার্য জানান, মধু ও আদা গলার ব্যথা কমাতে প্রাকৃতিক ওষুধের মতো কাজ করে। এক চা-চামচ মধুর সঙ্গে সামান্য আদার রস মিশিয়ে দিনে ২–৩ বার খেলে গলার জ্বালা ও খুসখুসে কাশি কমে। মধুর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে এবং আদা গলার প্রদাহ কমায়।
advertisement
4/6
গরম ভাপ নেওয়াও বেশ উপকারী। গরম জলের ভাপ নিলে গলার শুষ্কতা কমে এবং নাক-গলার জমে থাকা কফ নরম হয়ে বেরিয়ে আসে, ফলে ব্যথা কম অনুভূত হয়। দিনে অন্তত একবার ৫–১০ মিনিট ভাপ নিলে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়।
গরম ভাপ নেওয়াও বেশ উপকারী। গরম জলের ভাপ নিলে গলার শুষ্কতা কমে এবং নাক-গলার জমে থাকা কফ নরম হয়ে বেরিয়ে আসে, ফলে ব্যথা কম অনুভূত হয়। দিনে অন্তত একবার ৫–১০ মিনিট ভাপ নিলে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়।
advertisement
5/6
এই সময় ঠান্ডা খাবার, আইসক্রিম বা অতিরিক্ত ঠান্ডা জল এড়িয়ে চলা উচিত। তার বদলে হালকা গরম জল, স্যুপ, লেবু-মধু মিশ্রিত কুসুম গরম জল ইত্যাদি পান করলে গলা আর্দ্র থাকে এবং ব্যথা কমে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়াও খুব জরুরি, কারণ বিশ্রাম শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
এই সময় ঠান্ডা খাবার, আইসক্রিম বা অতিরিক্ত ঠান্ডা জল এড়িয়ে চলা উচিত। তার বদলে হালকা গরম জল, স্যুপ, লেবু-মধু মিশ্রিত কুসুম গরম জল ইত্যাদি পান করলে গলা আর্দ্র থাকে এবং ব্যথা কমে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়াও খুব জরুরি, কারণ বিশ্রাম শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
advertisement
6/6
তবে যদি গলা ব্যথা কয়েকদিনের বেশি স্থায়ী হয়, জ্বর আসে বা টনসিল অত্যন্ত ফুলে যায়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। ঘরোয়া উপায়গুলো প্রাথমিক আরাম দিতে পারে, কিন্তু গুরুতর সংক্রমণের ক্ষেত্রে সঠিক চিকিৎসা নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
তবে যদি গলা ব্যথা কয়েকদিনের বেশি স্থায়ী হয়, জ্বর আসে বা টনসিল অত্যন্ত ফুলে যায়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। ঘরোয়া উপায়গুলো প্রাথমিক আরাম দিতে পারে, কিন্তু গুরুতর সংক্রমণের ক্ষেত্রে সঠিক চিকিৎসা নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
advertisement
advertisement
advertisement