Roundworms: পেটের কৃমি থেকে সাবধান! ফেলে রাখলে লিভার-হার্টে সিস্ট তৈরি করে,দেখা দেয় নার্ভের সমস্যাও...শরীরের যে ৫ টি লক্ষণ বলে দেয় কৃমি বাসা বেঁধেছে
- Published by:Rukmini Mazumder
- news18 bangla
Last Updated:
প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশু—উভয়ের শরীরে সংক্রমণ ঘটাতে পারে যে কৃমিগুলি, সেগুলির মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ হল থ্রেডওয়ার্ম, রাউন্ডওয়ার্ম, হুইপওয়ার্ম, টেপওয়ার্ম এবং হুকওয়ার্ম। পিনওয়ার্ম ও থ্রেডওয়ার্মের মতো কিছু কৃমির ডিম এতটাই সূক্ষ্ম যে সেগুলো খালি চোখে দেখা যায় না এবং বাতাসের মাধ্যমে সংক্রমিত হতে পারে।
প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশু—উভয়ের শরীরে সংক্রমণ ঘটাতে পারে যে কৃমিগুলি, সেগুলির মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ হল থ্রেডওয়ার্ম, রাউন্ডওয়ার্ম, হুইপওয়ার্ম, টেপওয়ার্ম এবং হুকওয়ার্ম। পিনওয়ার্ম ও থ্রেডওয়ার্মের মতো কিছু কৃমির ডিম এতটাই সূক্ষ্ম যে সেগুলো খালি চোখে দেখা যায় না এবং বাতাসের মাধ্যমে সংক্রমিত হতে পারে।
advertisement
আমাদের শরীরে কৃমি কীভাবে ঢোকে? কৃমির ডিম বা লার্ভা দূষিত খাবার, জল, মাটি, অপরিষ্কার হাত কিংবা সংক্রমিত মল-মূত্রের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করতে পারে। কখনও কখনও খোলা পায়ে হাঁটলে বা অপরিষ্কৃত পরিবেশে বেশি সময় কাটালে, কৃমি ত্বকের মাধ্যমেও শরীরে ঢুকতে পারে। এছাড়া খাওয়ার আগে হাত না ধোওয়া, দূষিত জল বা অপরিশোধিত দুধ পান করা, সবজি না ধুয়ে রান্না করা, অপরিষ্কার পাবলিক সুইমিং পুলে স্নান করা অথবা পোষ্য প্রাণী চাটলেও শরীরে কৃমি ঢুকতে পারে। এই কৃমিগুলি শরীরে প্রবেশ করে আমাদের অন্ত্রে ডিম পাড়ে।
advertisement
কৃমি শরীরের কী কী ক্ষতি করে? কৃমি শরীরের পুষ্টি শোষণ করে নেয়, ফলে শরীরে রক্তাল্পতা, দুর্বলতা, ওজন কমে যাওয়া, হজমের সমস্যা, পেটব্যথা, বমি ভাব বা চুলকানির মতো নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন ডিওয়ার্মিং না করলে কৃমির সংখ্যা বেড়ে গিয়ে মারাত্মক শারীরিক জটিলতাও তৈরি করতে পারে। কৃমির সংক্রমণ শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক—উভয়ের ক্ষেত্রেই পেটব্যথা, ডায়রিয়া, বমি, পেট ফাঁপা এবং অ্যালার্জির মতো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করত পারে।
advertisement
এই কৃমিগুলি প্রথমে তেমন ক্ষতিকারক না মনে হলেও, এরা যকৃত ও ফুসফুসে সিস্ট বা গুটির সৃষ্টি করতে পারে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যদি এই কৃমিগুলি ফুসফুসে পৌঁছে যায়, তাহলে নিউমোনিয়ার মতো জটিল সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর যদি এরা মস্তিষ্কে পৌঁছে যায়, তাহলে গুরুতর স্নায়ুর সমস্যা দেখা দেয়। শরীরের কোন কোন উপসর্গ দেখে বুঝবেন, শরীরে বাসা বেঁধেছে কৃমি?
advertisement
ক্ষিদে বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া – অন্ত্রের কৃমি শরীরের ক্ষিদে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে ব্যাহত করে। ফলে কারও ক্ষিদে কমে যেতে পারে, আবার কারও অস্বাভাবিকভাবে ক্ষিদে বেড়ে যায়। এর ফলে স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব পড়ে। কৃমি শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান শোষণ করে নেয়, যার কারণে দেহ পর্যাপ্ত পুষ্টি পায় না। এর ফলে দুর্বলতা দেখা দেয়।
advertisement
advertisement
advertisement
ঘন ঘন পেটব্যথা – কোনও স্পষ্ট কারণ ছাড়াই যদি বার বার পেটে মোচড় ধরা বা খিঁচুনির মতো ব্যথা হয়, তাহলে সাবধান! এটি পেটে কৃমি হওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। খাওয়ার পর বা খালি পেটে ব্যথা বেড়ে গেলে তা আরও স্পষ্টভাবে পেটে কৃমির ইঙ্গিত দেয়। কৃমি অন্ত্রে বাসা বাঁধে এবং প্রদাহ সৃষ্টি করে, যার ফলে দীর্ঘদিন ধরে পেটে অস্বস্তি ও ব্যথা হয়।
advertisement
ত্বকের সমস্যা ও চুলকানি – কৃমি শুধু অন্ত্রেই থাকে না, এদের থেকে নির্গত বিষাক্ত উপাদান রক্তের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর ফলে ত্বকে ফুসকুড়ি, চুলকানি কিংবা অ্যালার্জির মতো সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষ করে পায়ুপথের আশপাশে চুলকানি হওয়া অন্ত্রের কৃমির একটি সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ, যা কখনওই অবহেলা করা উচিত নয়।







