advertisement

Pregnant Woman Never Do Mistake: সন্তানসম্ভবা, নয়নের মনির জন্য দিন গোনা শুরু, প্রেগন্যান্সিতে মাছ-মাংসও ডেকে আনতে পারে বিপদ ভুলেও এভাবে খাবেন না

Last Updated:
Pregnant Woman Never Do Mistake: গর্ভধারণের সময় ভুল করেও খাবেন না এই খাবার ! নইলেই বিপদ 
1/9
:গর্ভধারণের সময় এই খাবার গুলো ভুলবশত খাচ্ছেন নাকি আপনিওএই সময়ে হবু মায়ের পাশাপাশি গর্ভস্থ ভ্রূণেরও খেয়াল রাখতে কোন খাবার গুলোতে লাগাম দেবেন? কী বলছেন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ড: উৎপল পাঁজা মহাশয়। Photo -Representative 
:গর্ভধারণের সময় এই খাবার গুলো ভুলবশত খাচ্ছেন নাকি আপনিওএই সময়ে হবু মায়ের পাশাপাশি গর্ভস্থ ভ্রূণেরও খেয়াল রাখতে কোন খাবার গুলোতে লাগাম দেবেন? কী বলছেন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ড: উৎপল পাঁজা মহাশয়। Photo -Representative
advertisement
2/9
বিশিষ্ট চিকিৎসক উৎপল পাঁজা জানান কনসিভ করার পর থেকেই প্রতিটি মহিলাকে নিজের স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিতে হবে।
বিশিষ্ট চিকিৎসক উৎপল পাঁজা জানান কনসিভ করার পর থেকেই প্রতিটি মহিলাকে নিজের স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিতে হবে।
advertisement
3/9
এই সময়ে অস্বাস্থ্যকর সব অভ্যাসের ছুটি করে দেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। এতেই মা ও গর্ভস্থ সন্তান অনায়াসে সুস্থ থাকতে পারবে। এক্ষেত্রে গর্ভবতী নারীর জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসের দিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়া উচিত।
এই সময়ে অস্বাস্থ্যকর সব অভ্যাসের ছুটি করে দেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। এতেই মা ও গর্ভস্থ সন্তান অনায়াসে সুস্থ থাকতে পারবে। এক্ষেত্রে গর্ভবতী নারীর জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসের দিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়া উচিত।
advertisement
4/9
তাঁদের প্রতিপদে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে। এই কয়েক মাস এমন কিছু খাবার খাওয়া যাবে না যা আপনার বা ভ্রূণের ক্ষতি করে।
তাঁদের প্রতিপদে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে। এই কয়েক মাস এমন কিছু খাবার খাওয়া যাবে না যা আপনার বা ভ্রূণের ক্ষতি করে।
advertisement
5/9
এখন প্রশ্ন হল, সেই ক্ষতিকারক খাবারগুলি কী কী?​১. কাঁচা বা অর্ধসিদ্ধ মাছ:​হবু মায়ের খাবার রান্নার সময় বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে। এই সময়ে কাঁচা বা অর্ধসিদ্ধ মাছ খাওয়া চলবে না। আসলে অর্ধসিদ্ধ মাছে থাকতে পারে বিভিন্ন ধরনের জীবাণু। সেই জীবাণু কিন্তু জটিল অসুখ তৈরি করে। এক্ষেত্রে নোরো ভাইরাস, ভিব্রিও, সালমোনেল্লা, লিস্টেরিয়া ইত্যাদি ক্ষতিকর জীবাণু মায়ের দেহে বাসা বাঁধতে পারে। এর থেকে ভয়ংকর রোগভোগের আশঙ্কা তৈরি হয়। তাই মাছ রান্নার সময় ভালো করে ধুয়ে, সম্পূর্ণ সিদ্ধ করে খান।
এখন প্রশ্ন হল, সেই ক্ষতিকারক খাবারগুলি কী কী?​১. কাঁচা বা অর্ধসিদ্ধ মাছ:​হবু মায়ের খাবার রান্নার সময় বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে। এই সময়ে কাঁচা বা অর্ধসিদ্ধ মাছ খাওয়া চলবে না। আসলে অর্ধসিদ্ধ মাছে থাকতে পারে বিভিন্ন ধরনের জীবাণু। সেই জীবাণু কিন্তু জটিল অসুখ তৈরি করে। এক্ষেত্রে নোরো ভাইরাস, ভিব্রিও, সালমোনেল্লা, লিস্টেরিয়া ইত্যাদি ক্ষতিকর জীবাণু মায়ের দেহে বাসা বাঁধতে পারে। এর থেকে ভয়ংকর রোগভোগের আশঙ্কা তৈরি হয়। তাই মাছ রান্নার সময় ভালো করে ধুয়ে, সম্পূর্ণ সিদ্ধ করে খান।
advertisement
6/9
​২. অর্ধসিদ্ধ মাংস বা প্রসেসড মিট খাওয়া চলবে না​ অর্ধসিদ্ধ মাংস তে পাওয়া যায় ব্যাকেটিরিয়া ও প্যারাসাইটস, যেমন- টোক্সোপ্লাসমা, ই-কোলি, লিস্টেরিয়া এবং সালমোনেল্লা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। এই ধরনের সংক্রমণ থেকে স্টিল বার্থ, স্নায়ুর অসুখ, চোখের সমস্যা, মৃগী ইত্যাদি জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই চেষ্টা করুন মাংস সম্পূর্ণ সিদ্ধ করে রান্না করার।
​২. অর্ধসিদ্ধ মাংস বা প্রসেসড মিট খাওয়া চলবে না​ অর্ধসিদ্ধ মাংস তে পাওয়া যায় ব্যাকেটিরিয়া ও প্যারাসাইটস, যেমন- টোক্সোপ্লাসমা, ই-কোলি, লিস্টেরিয়া এবং সালমোনেল্লা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। এই ধরনের সংক্রমণ থেকে স্টিল বার্থ, স্নায়ুর অসুখ, চোখের সমস্যা, মৃগী ইত্যাদি জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই চেষ্টা করুন মাংস সম্পূর্ণ সিদ্ধ করে রান্না করার।
advertisement
7/9
​৩. হাফ বয়েল ডিম নয়​:মনে করেন, ডিম সিদ্ধ করে খাওয়ার তুলনায় হাফ বয়েল বা অর্ধসিদ্ধ অবস্থায় খেলে বেশি উপকার মেলে। তবে এই ধারণা সর্বৈব মিথ্যে। এই হাফ সিদ্ধ ডিম থেকে সালমোনেল্লা ব্যাকটেরিয়া দেহে গিয়ে  জ্বর, বমি, পায়খানা, পেটে ব্যথার কারণ হতে পারে। আর গর্ভাবস্থায় এই পরিস্থিতি কিন্তু একদমই সুখদায়ক নয়।
​৩. হাফ বয়েল ডিম নয়​:মনে করেন, ডিম সিদ্ধ করে খাওয়ার তুলনায় হাফ বয়েল বা অর্ধসিদ্ধ অবস্থায় খেলে বেশি উপকার মেলে। তবে এই ধারণা সর্বৈব মিথ্যে। এই হাফ সিদ্ধ ডিম থেকে সালমোনেল্লা ব্যাকটেরিয়া দেহে গিয়ে  জ্বর, বমি, পায়খানা, পেটে ব্যথার কারণ হতে পারে। আর গর্ভাবস্থায় এই পরিস্থিতি কিন্তু একদমই সুখদায়ক নয়।
advertisement
8/9
​​​৪. কফি পানে লাগাম টানুন​: গর্ভধারণের পর কিন্তু এই অভ্যাস ছাড়তে হবে। এই সময়ে দিনে ২০০ মিলিগ্রামের বেশি চা বা কফি খেলে শরীরে সমস্যা তৈরি হতে পারে। এমনকী গর্ভস্থ শিশুর ওজন বৃদ্ধি আটকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই দিনে ছোট কাপের ১-২ কাপ কফি খেতেই পারেন। এর থেকে বেশি খাওয়া উচিত নয়।
​​​৪. কফি পানে লাগাম টানুন​: গর্ভধারণের পর কিন্তু এই অভ্যাস ছাড়তে হবে। এই সময়ে দিনে ২০০ মিলিগ্রামের বেশি চা বা কফি খেলে শরীরে সমস্যা তৈরি হতে পারে। এমনকী গর্ভস্থ শিশুর ওজন বৃদ্ধি আটকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই দিনে ছোট কাপের ১-২ কাপ কফি খেতেই পারেন। এর থেকে বেশি খাওয়া উচিত নয়।
advertisement
9/9
​৫. মদ্যপান নৈব নৈব চ…​​৫.  প্রেগন্যান্সির সময় নিয়মিত মদ্যপান করলে স্টিল বার্থের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এমনকী ভ্রূণের বিকাশ ঠিকমতো হয় না। এছাড়া ভ্রূণের ফেটাল অ্যালকোহল সিনড্রোম হতে পারে। এতে জন্মের পর শিশুর হার্টের সমস্যা সহ একাধিক অঙ্গের নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।। তাই প্রেগন্যান্সিতে মেনে চলুন এই কিছু নিয়ম। Input- Piya Gupta
​৫. মদ্যপান নৈব নৈব চ…​​৫.  প্রেগন্যান্সির সময় নিয়মিত মদ্যপান করলে স্টিল বার্থের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এমনকী ভ্রূণের বিকাশ ঠিকমতো হয় না। এছাড়া ভ্রূণের ফেটাল অ্যালকোহল সিনড্রোম হতে পারে। এতে জন্মের পর শিশুর হার্টের সমস্যা সহ একাধিক অঙ্গের নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।। তাই প্রেগন্যান্সিতে মেনে চলুন এই কিছু নিয়ম। Input- Piya Gupta
advertisement
advertisement
advertisement