advertisement

Mysterious Indian Village: ভারতেই রয়েছে এমন একটি গ্রাম যেখানে সন্ধে হয় না, দুপুরের পরই সোজা রাত, গ্রামের নামটা জানলে চমকে যাবেন

Last Updated:
হাজারো বৈচিত্রে ভরা ভারতবর্ষ! আমাদের দেশেই রয়েছে এমন একটি গ্রাম যেখানে কোনও সন্ধে নেই
1/6
২৪ ঘণ্টার একটা দিন চারভাগে ভাগ করা হয়। সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা ও রাত। কিন্তু আমাদের ভারতেই এমন একটা গ্রাম রয়েছে, যেখানে কোনও সন্ধ্যা নেই। দুপুরের-বিকেলের পরই সোজা নেমে আসে রাত! গ্রামের নামটা বলতে পারবেন?
২৪ ঘণ্টার একটা দিন চারভাগে ভাগ করা হয়। সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা ও রাত। কিন্তু আমাদের ভারতেই এমন একটা গ্রাম রয়েছে, যেখানে কোনও সন্ধ্যা নেই। দুপুরের-বিকেলের পরই সোজা নেমে আসে রাত! গ্রামের নামটা বলতে পারবেন?
advertisement
2/6
তেলেঙ্গনার পেডাপাল্লি গ্রামের কডুরুপুকা গ্রাম! এই গ্রামে সন্ধে হয় না! এখানে সূর্য দেরিতে ওঠে এবং তাড়াতাড়ি অস্ত যায়, কারণ গ্রামটির চারদিকে চারটি টিলা রয়েছে। গ্রামের পূর্ব দিকে অবস্থিত টিলাটির নাম গল্লা গুট্টা, পশ্চিমে রঙ্গনায়াকুলা গুট্টা, দক্ষিণে পামুবান্ডা গুট্টা এবং উত্তরে নম্বুলাদ্রি স্বামী গুট্টা। চারদিক থেকে এই চারটি টিলা গ্রামটিকে ঘিরে থাকায় সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়ের উপর প্রভাব পড়ে।
তেলেঙ্গনার পেডাপাল্লি গ্রামের কডুরুপুকা গ্রাম! এই গ্রামে সন্ধে হয় না! এখানে সূর্য দেরিতে ওঠে এবং তাড়াতাড়ি অস্ত যায়, কারণ গ্রামটির চারদিকে চারটি টিলা রয়েছে।গ্রামের পূর্ব দিকে অবস্থিত টিলাটির নাম গল্লা গুট্টা, পশ্চিমে রঙ্গনায়াকুলা গুট্টা, দক্ষিণে পামুবান্ডা গুট্টা এবং উত্তরে নম্বুলাদ্রি স্বামী গুট্টা। চারদিক থেকে এই চারটি টিলা গ্রামটিকে ঘিরে থাকায় সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়ের উপর প্রভাব পড়ে।
advertisement
3/6
পূর্ব দিকে অবস্থিত গল্লা গুট্টা টিলা সূর্যোদয়ের পথে একপ্রকার দেয়ালের মতো দাঁড়িয়ে থাকে। ফলে সূর্যের আলো গ্রামে পৌঁছাতে দেরি হয়। অন্যান্য এলাকার তুলনায় প্রায় ৬০ মিনিট পরে সূর্যের রশ্মি এই গ্রামে এসে পড়ে। আবার বিকেলের দিকে সূর্য যখন  রঙ্গনায়াকুলা গুট্টা টিলার আড়ালে ঢুকে যায়, তখনই অন্ধকার গ্রামটিকে গ্রাস করে বিকেল ৪টের মধ্যেই।
পূর্ব দিকে অবস্থিত গল্লা গুট্টা টিলা সূর্যোদয়ের পথে একপ্রকার দেয়ালের মতো দাঁড়িয়ে থাকে। ফলে সূর্যের আলো গ্রামে পৌঁছাতে দেরি হয়। অন্যান্য এলাকার তুলনায় প্রায় ৬০ মিনিট পরে সূর্যের রশ্মি এই গ্রামে এসে পড়ে। আবার বিকেলের দিকে সূর্য যখন রঙ্গনায়াকুলা গুট্টা টিলার আড়ালে ঢুকে যায়, তখনই অন্ধকার গ্রামটিকে গ্রাস করে বিকেল ৪টের মধ্যেই।
advertisement
4/6
কাজেই এই গ্রামে দুপু-বিকেলের পরই সোজা রাত চলে আসে। সন্ধে বলে আলাদ করে আর কোনও সময় নেই। গ্রামের প্রতিটি বাড়ি ও রাস্তায় বিকেল ৪টে থেকেই আলো জ্বালাতে হয়।
কাজেই এই গ্রামে দুপু-বিকেলের পরই সোজা রাত চলে আসে। সন্ধে বলে আলাদ করে আর কোনও সময় নেই। গ্রামের প্রতিটি বাড়ি ও রাস্তায় বিকেল ৪টে থেকেই আলো জ্বালাতে হয়।
advertisement
5/6
সাধারণভাবে একটি ২৪ ঘণ্টার দিন চারটি ভাগে বিভক্ত—সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা ও রাত। কিন্তু এই গ্রামে দিনের ভাগ মাত্র তিনটি—সকাল, দুপুর ও রাত। আশপাশের গ্রামগুলোর তুলনায় এই গ্রামে দিনের আলো কম সময় থাকে। তাই মানুষ এই গ্রামটিকে ‘মুদু ঝামুলা কোদুরুপাকা’ (অর্থাৎ তিন ভাগের দিনওয়ালা কোদুরুপাকা) নামে ডাকে।
সাধারণভাবে একটি ২৪ ঘণ্টার দিন চারটি ভাগে বিভক্ত—সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা ও রাত। কিন্তু এই গ্রামে দিনের ভাগ মাত্র তিনটি—সকাল, দুপুর ও রাত। আশপাশের গ্রামগুলোর তুলনায় এই গ্রামে দিনের আলো কম সময় থাকে। তাই মানুষ এই গ্রামটিকে ‘মুদু ঝামুলা কোদুরুপাকা’ (অর্থাৎ তিন ভাগের দিনওয়ালা কোদুরুপাকা) নামে ডাকে।
advertisement
6/6
নিজাম আমলে গ্রামটির নাম ছিল পোডালাপাকা। পরে নাম পরিবর্তন হয়ে কোদুরুপাকা রাখা হয়। গ্রামটির বিশেষ ভৌগোলিক অবস্থান এখানকার মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলেছে। স্থানীয়রা কাজকর্ম আগেভাগেই সেরে বাড়ি ফিরে যান। কর্মরত মহিলারাও সাধারণত বিকেল ৩টের মধ্যেই বাড়ি পৌঁছে যান।
নিজাম আমলে গ্রামটির নাম ছিল পোডালাপাকা। পরে নাম পরিবর্তন হয়ে কোদুরুপাকা রাখা হয়।গ্রামটির বিশেষ ভৌগোলিক অবস্থান এখানকার মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলেছে। স্থানীয়রা কাজকর্ম আগেভাগেই সেরে বাড়ি ফিরে যান। কর্মরত মহিলারাও সাধারণত বিকেল ৩টের মধ্যেই বাড়ি পৌঁছে যান।
advertisement
advertisement
advertisement