advertisement

Microwave Usage Rules: মাইক্রোওয়েভে প্লাস্টিকে খাবার গরম কতটা নিরাপদ? দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করছেন চিকিৎসকরা

Last Updated:
Microwave Usage Rules: দিল্লির ধারমশিলা নারায়ণা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের রেডিয়েশন অনকোলজির ক্লিনিক্যাল লিড ও ডিরেক্টর ডা. কণিকা সুদ শর্মা জানান, মাইক্রোওয়েভের তাপে প্লাস্টিক থেকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাইক্রোপ্লাস্টিক ও কিছু রাসায়নিক খাবারের মধ্যে মিশে যেতে পারে। তাঁর কথায়, “মাঝে মধ্যে করলে সাধারণত বড় সমস্যা হয় না, কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত করলে শরীরের উপর এর কী প্রভাব পড়ে, তা নিয়ে গবেষণা চলছে।”
1/10
ফ্রিজের খাবার সরাসরি প্লাস্টিকের পাত্রেই মাইক্রোওয়েভে গরম করা—অনেক বাড়িতেই এটাই রোজকার অভ্যাস। দ্রুত, সহজ এবং ঝামেলাহীন বলে মনে হলেও, চিকিৎসকদের মতে এই অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের উপর নীরব প্রভাব ফেলতে পারে।
ফ্রিজের খাবার সরাসরি প্লাস্টিকের পাত্রেই মাইক্রোওয়েভে গরম করা—অনেক বাড়িতেই এটাই রোজকার অভ্যাস। দ্রুত, সহজ এবং ঝামেলাহীন বলে মনে হলেও, চিকিৎসকদের মতে এই অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের উপর নীরব প্রভাব ফেলতে পারে।
advertisement
2/10
বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা, প্লাস্টিকের পাত্রে খাবার গরম করা একবারে প্রাণঘাতী না হলেও, বছরের পর বছর এই অভ্যাস চলতে থাকলে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। দিল্লির ধারমশিলা নারায়ণা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের রেডিয়েশন অনকোলজির ক্লিনিক্যাল লিড ও ডিরেক্টর ডা. কণিকা সুদ শর্মা জানান, মাইক্রোওয়েভের তাপে প্লাস্টিক থেকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাইক্রোপ্লাস্টিক ও কিছু রাসায়নিক খাবারের মধ্যে মিশে যেতে পারে। তাঁর কথায়, “মাঝে মধ্যে করলে সাধারণত বড় সমস্যা হয় না, কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত করলে শরীরের উপর এর কী প্রভাব পড়ে, তা নিয়ে গবেষণা চলছে।”
বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা, প্লাস্টিকের পাত্রে খাবার গরম করা একবারে প্রাণঘাতী না হলেও, বছরের পর বছর এই অভ্যাস চলতে থাকলে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। দিল্লির ধারমশিলা নারায়ণা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের রেডিয়েশন অনকোলজির ক্লিনিক্যাল লিড ও ডিরেক্টর ডা. কণিকা সুদ শর্মা জানান, মাইক্রোওয়েভের তাপে প্লাস্টিক থেকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাইক্রোপ্লাস্টিক ও কিছু রাসায়নিক খাবারের মধ্যে মিশে যেতে পারে। তাঁর কথায়, “মাঝে মধ্যে করলে সাধারণত বড় সমস্যা হয় না, কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত করলে শরীরের উপর এর কী প্রভাব পড়ে, তা নিয়ে গবেষণা চলছে।”
advertisement
3/10
গুরগাঁওয়ের আর্টেমিস হাসপাতালের চিফ ব্রেস্ট সার্জন ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট সার্জিক্যাল অনকোলজিস্ট ডা. দীপক ঝা-ও একই মত পোষণ করেন। তিনি বলেন, “একবার প্লাস্টিকে খাবার গরম করলেই তা মারাত্মক ক্ষতিকর—এ কথা বলা ঠিক নয়। তবে এটাও বলা যায় না যে এটি পুরোপুরি নিরাপদ। দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি বাড়তে পারে।”
গুরগাঁওয়ের আর্টেমিস হাসপাতালের চিফ ব্রেস্ট সার্জন ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট সার্জিক্যাল অনকোলজিস্ট ডা. দীপক ঝা-ও একই মত পোষণ করেন। তিনি বলেন, “একবার প্লাস্টিকে খাবার গরম করলেই তা মারাত্মক ক্ষতিকর—এ কথা বলা ঠিক নয়। তবে এটাও বলা যায় না যে এটি পুরোপুরি নিরাপদ। দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি বাড়তে পারে।”
advertisement
4/10
প্লাস্টিক গরম হলে কী হয়?মাইক্রোওয়েভের উচ্চ তাপে প্লাস্টিকের গঠন দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে অদৃশ্য মাইক্রোপ্লাস্টিক খাবারের সঙ্গে মিশতে পারে। বিশেষ করে তেলযুক্ত, ঝাল বা অ্যাসিডিক খাবার গরম করলে BPA ও ফথ্যালেটের মতো রাসায়নিক বেরোনোর সম্ভাবনা বেশি থাকে। ডা. শর্মার মতে, তাৎক্ষণিক ক্ষতির প্রমাণ না মিললেও, দীর্ঘদিন ধরে এই রাসায়নিক শরীরে ঢুকলে প্রদাহ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ও মেটাবলিক স্ট্রেসের মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে।
প্লাস্টিক গরম হলে কী হয়?মাইক্রোওয়েভের উচ্চ তাপে প্লাস্টিকের গঠন দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে অদৃশ্য মাইক্রোপ্লাস্টিক খাবারের সঙ্গে মিশতে পারে। বিশেষ করে তেলযুক্ত, ঝাল বা অ্যাসিডিক খাবার গরম করলে BPA ও ফথ্যালেটের মতো রাসায়নিক বেরোনোর সম্ভাবনা বেশি থাকে। ডা. শর্মার মতে, তাৎক্ষণিক ক্ষতির প্রমাণ না মিললেও, দীর্ঘদিন ধরে এই রাসায়নিক শরীরে ঢুকলে প্রদাহ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ও মেটাবলিক স্ট্রেসের মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে।
advertisement
5/10
‘মাইক্রোওয়েভ-সেফ’ মানেই কি নিরাপদ?অনেকেই মনে করেন, ‘মাইক্রোওয়েভ-সেফ’ লেখা থাকলেই পাত্রটি পুরোপুরি নিরাপদ। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এই লেবেলের অর্থ শুধু এতটুকু যে পাত্রটি সহজে গলে যাবে না।
‘মাইক্রোওয়েভ-সেফ’ মানেই কি নিরাপদ?অনেকেই মনে করেন, ‘মাইক্রোওয়েভ-সেফ’ লেখা থাকলেই পাত্রটি পুরোপুরি নিরাপদ। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এই লেবেলের অর্থ শুধু এতটুকু যে পাত্রটি সহজে গলে যাবে না।
advertisement
6/10
ডা. ঝা জানান, “বারবার গরম করলে এমন পাত্র থেকেও অল্প অল্প করে রাসায়নিক বেরোতে পারে।” পুরনো, আঁচড় পড়া বা ফাটা প্লাস্টিকের পাত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি। ডা. শর্মা বলেন, ফুড-গ্রেড পলিপ্রোপিলিন তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ হলেও, সেটিকেও পুরোপুরি নিরাপদ বলা যায় না।
ডা. ঝা জানান, “বারবার গরম করলে এমন পাত্র থেকেও অল্প অল্প করে রাসায়নিক বেরোতে পারে।” পুরনো, আঁচড় পড়া বা ফাটা প্লাস্টিকের পাত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি। ডা. শর্মা বলেন, ফুড-গ্রেড পলিপ্রোপিলিন তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ হলেও, সেটিকেও পুরোপুরি নিরাপদ বলা যায় না।
advertisement
7/10
হরমোনের উপর প্রভাবচিকিৎসকদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হরমোনজনিত সমস্যা নিয়ে। কিছু প্লাস্টিক রাসায়নিক শরীরের হরমোনের মতো আচরণ করতে পারে বা হরমোনের স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত করতে পারে।

ডা. ঝার কথায়, দীর্ঘদিনের সংস্পর্শে উর্বরতা সমস্যা, থাইরয়েডের গণ্ডগোল, মেটাবলিজমে পরিবর্তন এবং শিশুদের ক্ষেত্রে আগেভাগে বয়ঃসন্ধির ঝুঁকি বাড়তে পারে। এই প্রভাব ধীরে ধীরে জমা হয়, তাই সহজে ধরা পড়ে না।
হরমোনের উপর প্রভাবচিকিৎসকদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হরমোনজনিত সমস্যা নিয়ে। কিছু প্লাস্টিক রাসায়নিক শরীরের হরমোনের মতো আচরণ করতে পারে বা হরমোনের স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত করতে পারে।ডা. ঝার কথায়, দীর্ঘদিনের সংস্পর্শে উর্বরতা সমস্যা, থাইরয়েডের গণ্ডগোল, মেটাবলিজমে পরিবর্তন এবং শিশুদের ক্ষেত্রে আগেভাগে বয়ঃসন্ধির ঝুঁকি বাড়তে পারে। এই প্রভাব ধীরে ধীরে জমা হয়, তাই সহজে ধরা পড়ে না।
advertisement
8/10
নিরাপদ বিকল্প কী?সমাধান অবশ্য সহজ। বিশেষজ্ঞরা কাচ বা সিরামিকের পাত্রে খাবার গরম করার পরামর্শ দেন। একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের বাক্স ও প্লাস্টিক র‍্যাপ এড়িয়ে চলাই ভালো। খাবার ঢাকতে কাগজের তোয়ালে বা মাইক্রোওয়েভ-সেফ ঢাকনা ব্যবহার করা যেতে পারে।
নিরাপদ বিকল্প কী?সমাধান অবশ্য সহজ। বিশেষজ্ঞরা কাচ বা সিরামিকের পাত্রে খাবার গরম করার পরামর্শ দেন। একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের বাক্স ও প্লাস্টিক র‍্যাপ এড়িয়ে চলাই ভালো। খাবার ঢাকতে কাগজের তোয়ালে বা মাইক্রোওয়েভ-সেফ ঢাকনা ব্যবহার করা যেতে পারে।
advertisement
9/10
পুরনো বা ক্ষতিগ্রস্ত প্লাস্টিকের পাত্র ফেলে দেওয়া, তেল-চর্বিযুক্ত খাবার প্লাস্টিকে গরম না করা এবং স্টোরেজে স্টিল ও রিহিটের জন্য কাচের পাত্র ব্যবহার—এই ছোট অভ্যাসগুলোই দীর্ঘমেয়াদে বড় সুরক্ষা দিতে পারে।
পুরনো বা ক্ষতিগ্রস্ত প্লাস্টিকের পাত্র ফেলে দেওয়া, তেল-চর্বিযুক্ত খাবার প্লাস্টিকে গরম না করা এবং স্টোরেজে স্টিল ও রিহিটের জন্য কাচের পাত্র ব্যবহার—এই ছোট অভ্যাসগুলোই দীর্ঘমেয়াদে বড় সুরক্ষা দিতে পারে।
advertisement
10/10
চিকিৎসকদের স্পষ্ট বার্তা, প্লাস্টিকে খাবার গরম করা একবারে ভয়ংকর না হলেও একেবারে নিরীহও নয়। প্রতিদিনের ছোট সিদ্ধান্তই ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যের ভিত গড়ে তোলে। প্লাস্টিকের বদলে কাচ বা সিরামিক বেছে নেওয়া দীর্ঘমেয়াদে শরীরের জন্য নিরাপদ পথ।
চিকিৎসকদের স্পষ্ট বার্তা, প্লাস্টিকে খাবার গরম করা একবারে ভয়ংকর না হলেও একেবারে নিরীহও নয়। প্রতিদিনের ছোট সিদ্ধান্তই ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যের ভিত গড়ে তোলে। প্লাস্টিকের বদলে কাচ বা সিরামিক বেছে নেওয়া দীর্ঘমেয়াদে শরীরের জন্য নিরাপদ পথ।
advertisement
advertisement
advertisement