advertisement

Khancha Movie: মুক্তিতে মন জয়, মানবিকতার আখ্যান নিয়ে প্রিমিয়ারে দর্শকদের মুগ্ধ করল ‘খাঁচা’

Last Updated:
Khancha Bengali Movie Premiere: ড. প্রবীর ভৌমিকের প্রযোজনা সংস্থা স্বভূমি এন্টারটেনমেন্টের ছবির সবচেয়ে বড় চমক কমলেশের চরিত্রাভিনেতা, জনপ্রিয় এই ইউটিউবারকে সবাই চেনেন ‘সিনেবাপ’ নামে। সেই মৃণ্ময় এবার বড়পর্দায়, স্বাভাবিকভাবেই তিনি উচ্ছ্বসিত। সম্প্রতি হয়ে গেল ছবির প্রিমিয়ার ৷
1/24
অনেকেই বলেন চলচ্চিত্রও ঠিক সাহিত্যের মতো সমাজের দর্পণ। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ছবি ‘খাঁচা’ সেই কথা সত্যি প্রমাণ করে দিয়েছে। ছবির কেন্দ্রে রয়েছে টিয়াবন নামের এক আপাতশান্ত গ্রাম। সেখানেই চলে নারীপাচারচক্র। এই চক্রের হোতা বিশ্বম্ভর দাস ওরফে মামা, সঙ্গে সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে তার প্রথম পক্ষের স্ত্রী মীনাক্ষীরও, সবাই যাকে মামি বলে ডাকে। ওই গ্রামেরই ছেলে কমলেশের দিদিকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল তারা। মা প্রতিবাদ করতে গিয়ে হারিয়ে যান। শুরু হয় অপরাধের বিরুদ্ধে কমলেশের লড়াই।
অনেকেই বলেন চলচ্চিত্রও ঠিক সাহিত্যের মতো সমাজের দর্পণ। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ছবি ‘খাঁচা’ সেই কথা সত্যি প্রমাণ করে দিয়েছে। ছবির কেন্দ্রে রয়েছে টিয়াবন নামের এক আপাতশান্ত গ্রাম। সেখানেই চলে নারীপাচারচক্র। এই চক্রের হোতা বিশ্বম্ভর দাস ওরফে মামা, সঙ্গে সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে তার প্রথম পক্ষের স্ত্রী মীনাক্ষীরও, সবাই যাকে মামি বলে ডাকে। ওই গ্রামেরই ছেলে কমলেশের দিদিকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল তারা। মা প্রতিবাদ করতে গিয়ে হারিয়ে যান। শুরু হয় অপরাধের বিরুদ্ধে কমলেশের লড়াই।
advertisement
2/24
'ও অভাগী'র সাফল্যের পর নতুন ছবির পরিচালনায় অনির্বাণ চক্রবর্তী। স্বভূমি এন্টারটেনমেন্ট ও ডঃ প্রবীর ভৌমিকের ‘খাঁচা’। ভরপুর রহস্য, অ্যাকশনে মোড়া এই ছবি দিয়েছে সামাজিক বার্তাও। টিজারেই স্পষ্ট হয়েছিল বাংলা ছবির দুনিয়ায় আরও এক অভিনব গল্প বলতে আসছে অনির্বাণের এই ছবি। বাস্তবেও ঠিক তেমনটাই ঘটল ৷
'ও অভাগী'র সাফল্যের পর নতুন ছবির পরিচালনায় অনির্বাণ চক্রবর্তী। স্বভূমি এন্টারটেনমেন্ট ও ডঃ প্রবীর ভৌমিকের ‘খাঁচা’। ভরপুর রহস্য, অ্যাকশনে মোড়া এই ছবি দিয়েছে সামাজিক বার্তাও। টিজারেই স্পষ্ট হয়েছিল বাংলা ছবির দুনিয়ায় আরও এক অভিনব গল্প বলতে আসছে অনির্বাণের এই ছবি। বাস্তবেও ঠিক তেমনটাই ঘটল ৷
advertisement
3/24
ড. প্রবীর ভৌমিকের প্রযোজনা সংস্থা স্বভূমি এন্টারটেনমেন্টের ছবির সবচেয়ে বড় চমক কমলেশের চরিত্রাভিনেতা, জনপ্রিয় এই ইউটিউবারকে সবাই চেনেন ‘সিনেবাপ’ নামে। সেই মৃণ্ময় এবার বড়পর্দায়, স্বাভাবিকভাবেই তিনি উচ্ছ্বসিত। সম্প্রতি হয়ে গেল ছবির প্রিমিয়ার ৷
ড. প্রবীর ভৌমিকের প্রযোজনা সংস্থা স্বভূমি এন্টারটেনমেন্টের ছবির সবচেয়ে বড় চমক কমলেশের চরিত্রাভিনেতা, জনপ্রিয় এই ইউটিউবারকে সবাই চেনেন ‘সিনেবাপ’ নামে। সেই মৃণ্ময় এবার বড়পর্দায়, স্বাভাবিকভাবেই তিনি উচ্ছ্বসিত। সম্প্রতি হয়ে গেল ছবির প্রিমিয়ার ৷
advertisement
4/24
‘‘হিরো হওয়ার ইচ্ছা আমার বহু বছরের। এক দশকের উপরে অভিজ্ঞতা…২০১২ থেকে মিডিয়াতে কাজ শুরু করেছি, প্রথমে রিয়েলিটি শো, তারপর ইউটিউব। কিন্তু তারও আগে থেকে আমার স্বপ্ন হিরো হওয়ার। কিন্তু মেনস্ট্রিম কমার্শিয়াল সিনেমায় হিরো হওয়া মুখের কথা নয়। তার জন্য সঠিক প্রিপারেশন, সঠিক মানুষদের সান্নিধ্যে আসা আর সঠিক সময়টা খুব দরকার। ইউটিউবটা আমার প্যাশন এবং প্রফেশন, কিন্তু হিরো হওয়াটা আমার অ্যাম্বিশন। এটা ২০২৬-এ ফুলফিল হল ৷’’, বলছেন মৃণ্ময়।
‘‘হিরো হওয়ার ইচ্ছা আমার বহু বছরের। এক দশকের উপরে অভিজ্ঞতা…২০১২ থেকে মিডিয়াতে কাজ শুরু করেছি, প্রথমে রিয়েলিটি শো, তারপর ইউটিউব। কিন্তু তারও আগে থেকে আমার স্বপ্ন হিরো হওয়ার। কিন্তু মেনস্ট্রিম কমার্শিয়াল সিনেমায় হিরো হওয়া মুখের কথা নয়। তার জন্য সঠিক প্রিপারেশন, সঠিক মানুষদের সান্নিধ্যে আসা আর সঠিক সময়টা খুব দরকার। ইউটিউবটা আমার প্যাশন এবং প্রফেশন, কিন্তু হিরো হওয়াটা আমার অ্যাম্বিশন। এটা ২০২৬-এ ফুলফিল হল ৷’’, বলছেন মৃণ্ময়।
advertisement
5/24
খাঁচায় নানা চরিত্রে অভিনয় করেছেন রজতাভ দত্ত, মীর, কাঞ্চনা মৈত্র প্রমুখ স্বনামধন্য অভিনেতা, অভিনেত্রীরা। আরও বিভিন্ন চরিত্রে রয়েছেন কৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্রুতি মিত্র, পূজা চট্টোপাধ্যায়, পূজা সরকার, সোনালী চৌধুরী, অলোক সান্যাল প্রমুখ ৷ ‘ও অভাগী’ ছবির সূত্রে এর আগে জাতীয় পুরষ্কার পেয়েছিলেন অনির্বাণ চক্রবর্তী, খাঁচা তাঁর দ্বিতীয় ছবি। ‘‘ও অভাগী আমার শেষ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ফিচার ফিল্ম ছিল, যা সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেছিল এবং জাতীয় পর্যায়ে বেশ কিছু পুরস্কার জিতেছিল। তবে আমি কখনও কোনও নির্দিষ্ট সীমায় আবদ্ধ থাকতে চাইনি। সিনেমা মানেই বিনোদন, তাই আমি সবসময় নতুন দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করি। আমার প্রযোজককে ধন্যবাদ, যিনি আগের মতোই আমার উপর বিশ্বাস রেখেছেন’’, বলছেন পরিচালক অনির্বাণ।
খাঁচায় নানা চরিত্রে অভিনয় করেছেন রজতাভ দত্ত, মীর, কাঞ্চনা মৈত্র প্রমুখ স্বনামধন্য অভিনেতা, অভিনেত্রীরা। আরও বিভিন্ন চরিত্রে রয়েছেন কৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্রুতি মিত্র, পূজা চট্টোপাধ্যায়, পূজা সরকার, সোনালী চৌধুরী, অলোক সান্যাল প্রমুখ ৷ ‘ও অভাগী’ ছবির সূত্রে এর আগে জাতীয় পুরষ্কার পেয়েছিলেন অনির্বাণ চক্রবর্তী, খাঁচা তাঁর দ্বিতীয় ছবি। ‘‘ও অভাগী আমার শেষ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ফিচার ফিল্ম ছিল, যা সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেছিল এবং জাতীয় পর্যায়ে বেশ কিছু পুরস্কার জিতেছিল। তবে আমি কখনও কোনও নির্দিষ্ট সীমায় আবদ্ধ থাকতে চাইনি। সিনেমা মানেই বিনোদন, তাই আমি সবসময় নতুন দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করি। আমার প্রযোজককে ধন্যবাদ, যিনি আগের মতোই আমার উপর বিশ্বাস রেখেছেন’’, বলছেন পরিচালক অনির্বাণ।
advertisement
6/24
‘‘বর্তমান প্রবণতা অনুযায়ী বড় বড় তারকারা সিলভার স্ক্রিন থেকে OTT এবং অন্যান্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক প্ল্যাটফর্মে আসছেন শো-বিজে টিকে থাকার জন্য। তাহলে কেন এই প্ল্যাটফর্মগুলোর প্রতিভাবান এবং দক্ষ তারকারা বড় পর্দায় পা রাখতে পারবেন না?’’ সিনেবাপকে মুখ্য চরিত্রে নেওয়া নিয়ে পরিচালক অকপট !
‘‘বর্তমান প্রবণতা অনুযায়ী বড় বড় তারকারা সিলভার স্ক্রিন থেকে OTT এবং অন্যান্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক প্ল্যাটফর্মে আসছেন শো-বিজে টিকে থাকার জন্য। তাহলে কেন এই প্ল্যাটফর্মগুলোর প্রতিভাবান এবং দক্ষ তারকারা বড় পর্দায় পা রাখতে পারবেন না?’’ সিনেবাপকে মুখ্য চরিত্রে নেওয়া নিয়ে পরিচালক অকপট !
advertisement
7/24
‘‘নতুন বছরে প্রথম বাণিজ্যিক সিনেমার প্রত্যাবর্তন ৷ এই বিষয়টা আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। আমি পেশায় চিকিৎসক, কিন্তু সিনেমার জগতের সঙ্গে এক দশকের উপরে আবেগের সঙ্গে যুক্ত। গত বছর ছবিটির প্রথম ঝলক প্রকাশ করার উপলক্ষে দারুণ সমর্থনের জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ। জাতীয় স্তরে বিভিন্ন পুরস্কার প্রাপ্ত, দর্শক সমাদৃত, রাফায়ত রশীদ মিথিলা অভিনীত … ‘ও অভাগী’ ছবির সফল যাত্রাপথের পর, ও পরিচালক শেখর দাশের ছবি ‘পাগলা ঘোড়া’-র প্রযোজনা করার পরে- স্বভূমী এন্টারটেনমেন্ট থেকে আমাদের আগামী নিবেদন, অনির্বাণ চক্রবর্তী পরিচালিত – ‘খাঁচা’। উল্লেখ্য বিষয়.. ‘খাঁচা’… শুধু সিনেমা নয়, প্রকৃত অর্থে জনস্বার্থে প্রচারিত এক বার্তা। বাস্তবে মানব পাচারের যুদ্ধজয়ীরা কীভাবে ‘খাঁচা’-র সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কিছু দৃষ্টান্তমূলক কার্যক্রম তৈরি করছে সেটাই এখানে দেখানো হচ্ছে।’’, বলছেন প্রযোজক প্রবীর ভৌমিক।
‘‘নতুন বছরে প্রথম বাণিজ্যিক সিনেমার প্রত্যাবর্তন ৷ এই বিষয়টা আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। আমি পেশায় চিকিৎসক, কিন্তু সিনেমার জগতের সঙ্গে এক দশকের উপরে আবেগের সঙ্গে যুক্ত। গত বছর ছবিটির প্রথম ঝলক প্রকাশ করার উপলক্ষে দারুণ সমর্থনের জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ। জাতীয় স্তরে বিভিন্ন পুরস্কার প্রাপ্ত, দর্শক সমাদৃত, রাফায়ত রশীদ মিথিলা অভিনীত … ‘ও অভাগী’ ছবির সফল যাত্রাপথের পর, ও পরিচালক শেখর দাশের ছবি ‘পাগলা ঘোড়া’-র প্রযোজনা করার পরে- স্বভূমী এন্টারটেনমেন্ট থেকে আমাদের আগামী নিবেদন, অনির্বাণ চক্রবর্তী পরিচালিত – ‘খাঁচা’। উল্লেখ্য বিষয়.. ‘খাঁচা’… শুধু সিনেমা নয়, প্রকৃত অর্থে জনস্বার্থে প্রচারিত এক বার্তা। বাস্তবে মানব পাচারের যুদ্ধজয়ীরা কীভাবে ‘খাঁচা’-র সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কিছু দৃষ্টান্তমূলক কার্যক্রম তৈরি করছে সেটাই এখানে দেখানো হচ্ছে।’’, বলছেন প্রযোজক প্রবীর ভৌমিক।
advertisement
8/24
ছবির মুখ্য চরিত্র ‘কমলেশ’-এর ভূমিকায় মৃন্ময় দাস (Cinebap) আরও বলেন, ‘‘আমাদের শ্যুটিংয়ের অভিজ্ঞতা ছিল প্রচণ্ড ব্যস্ত ও উত্তেজনাপূর্ণ, তবে পুরোপুরি উপভোগ্য। বাঁকুড়ার প্রখর গরম থেকে শুরু করে কালিম্পঙের হিমশীতল ফ্রেম—সব মিলিয়ে এক অসাধারণ রোলার কোস্টার রাইড। কিছু একেবারে দারুণ উপভোগ্য নাচের পরিস্থিতিও ছিল। আমি নাচ নিয়ে বিশেষভাবে উন্মাদ নই। আমার কাছে নাচ মানে ধ্যানের মতো—এর জন্য সাধনা দরকার। আশা করি দর্শকরা আমার নাচের মুভগুলো পছন্দ করবেন। অ্যাকশন সিকোয়েন্সগুলো দুর্দান্ত হয়ে উঠেছে। বাজেটের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এমন চমৎকার অ্যাকশন দৃশ্য নির্মাণের জন্য আমাদের চিত্রগ্রাহক মলয় মণ্ডল, পরিচালক অনির্বাণ চক্রবর্তী, সম্পাদক মহঃ কালাম এবং ভিএফএক্স বিশেষজ্ঞ শুভায়ন চন্দ্রকে অবশ্যই ধন্যবাদ জানাতে হয়। এই ছবিটি আমার প্রথম সিনেমা ৷ তাই টিমের অনেকের সঙ্গেই আগে কাজ করা হয়নি। তবে আমাদের পরিচালক অনির্বাণ চক্রবর্তীর সঙ্গে আগে থেকেই পরিচয় ছিল। কৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও ইমন চক্রবর্তী ছিলেন টেলিভিশনে আমার ‘মিরাক্কেল’ দিনের সহ-অংশগ্রহণকারী। কৃষ্ণর অবদান অনেকটাই রয়েছে এই স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে। মীর আফসার আলি ছিলেন আমাদের মেন্টর এবং রজতাভ দত্ত ছিলেন জুরি মিরাক্কেলের সময়। নিজের চলচ্চিত্রের অভিষেকে জুরি ও মেন্টরের সঙ্গে একই পর্দা ভাগ করে নেওয়া নিঃসন্দেহে এক বিরাট সৌভাগ্যের বিষয়।’’
ছবির মুখ্য চরিত্র ‘কমলেশ’-এর ভূমিকায় মৃন্ময় দাস (Cinebap) আরও বলেন, ‘‘আমাদের শ্যুটিংয়ের অভিজ্ঞতা ছিল প্রচণ্ড ব্যস্ত ও উত্তেজনাপূর্ণ, তবে পুরোপুরি উপভোগ্য। বাঁকুড়ার প্রখর গরম থেকে শুরু করে কালিম্পঙের হিমশীতল ফ্রেম—সব মিলিয়ে এক অসাধারণ রোলার কোস্টার রাইড। কিছু একেবারে দারুণ উপভোগ্য নাচের পরিস্থিতিও ছিল। আমি নাচ নিয়ে বিশেষভাবে উন্মাদ নই। আমার কাছে নাচ মানে ধ্যানের মতো—এর জন্য সাধনা দরকার। আশা করি দর্শকরা আমার নাচের মুভগুলো পছন্দ করবেন। অ্যাকশন সিকোয়েন্সগুলো দুর্দান্ত হয়ে উঠেছে। বাজেটের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এমন চমৎকার অ্যাকশন দৃশ্য নির্মাণের জন্য আমাদের চিত্রগ্রাহক মলয় মণ্ডল, পরিচালক অনির্বাণ চক্রবর্তী, সম্পাদক মহঃ কালাম এবং ভিএফএক্স বিশেষজ্ঞ শুভায়ন চন্দ্রকে অবশ্যই ধন্যবাদ জানাতে হয়। এই ছবিটি আমার প্রথম সিনেমা ৷ তাই টিমের অনেকের সঙ্গেই আগে কাজ করা হয়নি। তবে আমাদের পরিচালক অনির্বাণ চক্রবর্তীর সঙ্গে আগে থেকেই পরিচয় ছিল। কৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও ইমন চক্রবর্তী ছিলেন টেলিভিশনে আমার ‘মিরাক্কেল’ দিনের সহ-অংশগ্রহণকারী। কৃষ্ণর অবদান অনেকটাই রয়েছে এই স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে। মীর আফসার আলি ছিলেন আমাদের মেন্টর এবং রজতাভ দত্ত ছিলেন জুরি মিরাক্কেলের সময়। নিজের চলচ্চিত্রের অভিষেকে জুরি ও মেন্টরের সঙ্গে একই পর্দা ভাগ করে নেওয়া নিঃসন্দেহে এক বিরাট সৌভাগ্যের বিষয়।’’
advertisement
9/24
প্রত্যুষা পাল
প্রত্যুষা পাল
advertisement
10/24
শ্রীতমা বৈদ্য
শ্রীতমা বৈদ্য
advertisement
11/24
সোনালী চৌধুরী
সোনালী চৌধুরী
advertisement
12/24
ডা. প্রবীর ভৌমিক
ডা. প্রবীর ভৌমিক
advertisement
13/24
শ্রীমা ভট্টাচার্য
শ্রীমা ভট্টাচার্য
advertisement
14/24
শ্রুতি দাস
শ্রুতি দাস
advertisement
15/24
কাঞ্চনা মৈত্র
কাঞ্চনা মৈত্র
advertisement
advertisement
advertisement